
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা ডেলসি রদ্রিগেজ। ভেনেজুয়েলায় ঘটে যাওয়া ঘটনাকে তিনি ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেছেন। শপথের পর মাদুরোর ছেলে তার প্রতি ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ জানিয়েছেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিকোলাস মাদুরোকে যখন ফেডারেল আদালতের মুখোমুখি করা হয়, প্রায় কাছাকাছি সময়েই ভেনেজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয় রদ্রিগেজের শপথ অনুষ্ঠান। ৫৬ বছর বয়সী রদ্রিগেজ ২০১৮ সাল থেকে নিকোলাস মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্টের অধিবেশনে শপথ গ্রহণের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজত থেকে মাদুরোর মুক্তির দাবি তোলা হয়। শপথের পর রদ্রিগেজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে স্বামী-স্ত্রী নিকোলাস মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার ঘটনাকে তিনি ‘অপহরণ’ হিসেবে দেখছেন।

শপথ অনুষ্ঠান চলাকালে মাদুরো, তার স্ত্রী ও অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজের প্রতি সংহতি জানাতে কারাকাসের ফেডারেল লেজিসলেটিভ প্যালেসের বাইরে হাজারও ভেনেজুয়েলান জড়ো হন। তারা মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে রদ্রিগেজ বলেন, সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত সহযোগিতায় যেতে প্রস্তুত। আমরা আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর ভেতরে যৌথ উন্নয়নকে সামনে রেখে সহযোগিতার একটি এজেন্ডায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আমাদের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
শপথ নেওয়ার পর জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে রদ্রিগেজ বলেন, তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ‘ব্যথা নিয়ে’। কারণ দেশের মানুষ ‘অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের’ শিকার হয়েছে।
রদ্রিগেজ প্রতিশ্রুতি দেন, দেশের শান্তি বজায় রাখা হবে। তিনি বলেন, আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক প্রশান্তি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে।
অধিবেশনে বক্তব্য দেন মাদুরোর ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা। তিনি তার মা-বাবার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, তারা নিশ্চয় ফিরে আসবেনর। এ সময় তিনি ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতিও তার ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ ঘোষণা করেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা ডেলসি রদ্রিগেজ। ভেনেজুয়েলায় ঘটে যাওয়া ঘটনাকে তিনি ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেছেন। শপথের পর মাদুরোর ছেলে তার প্রতি ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ জানিয়েছেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিকোলাস মাদুরোকে যখন ফেডারেল আদালতের মুখোমুখি করা হয়, প্রায় কাছাকাছি সময়েই ভেনেজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয় রদ্রিগেজের শপথ অনুষ্ঠান। ৫৬ বছর বয়সী রদ্রিগেজ ২০১৮ সাল থেকে নিকোলাস মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্টের অধিবেশনে শপথ গ্রহণের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজত থেকে মাদুরোর মুক্তির দাবি তোলা হয়। শপথের পর রদ্রিগেজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে স্বামী-স্ত্রী নিকোলাস মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার ঘটনাকে তিনি ‘অপহরণ’ হিসেবে দেখছেন।

শপথ অনুষ্ঠান চলাকালে মাদুরো, তার স্ত্রী ও অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজের প্রতি সংহতি জানাতে কারাকাসের ফেডারেল লেজিসলেটিভ প্যালেসের বাইরে হাজারও ভেনেজুয়েলান জড়ো হন। তারা মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে রদ্রিগেজ বলেন, সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত সহযোগিতায় যেতে প্রস্তুত। আমরা আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর ভেতরে যৌথ উন্নয়নকে সামনে রেখে সহযোগিতার একটি এজেন্ডায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আমাদের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
শপথ নেওয়ার পর জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে রদ্রিগেজ বলেন, তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ‘ব্যথা নিয়ে’। কারণ দেশের মানুষ ‘অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের’ শিকার হয়েছে।
রদ্রিগেজ প্রতিশ্রুতি দেন, দেশের শান্তি বজায় রাখা হবে। তিনি বলেন, আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক প্রশান্তি, অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে।
অধিবেশনে বক্তব্য দেন মাদুরোর ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা। তিনি তার মা-বাবার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, তারা নিশ্চয় ফিরে আসবেনর। এ সময় তিনি ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতিও তার ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ ঘোষণা করেন।

ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে