
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আমদানি করা জেনেরিক ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৮ সালের ১ আগস্ট থেকে এটি কার্যকর হবে। এরপর এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৯ সালের আগস্ট থেকে শুল্কের হার বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ করা হবে।
ফ্রান্স২৪ ও ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন।
পোস্টে তিনি বলেন, ১ আগস্ট থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব জেনেরিক ওষুধের ওপর শুল্কের হার শূন্য শতাংশ থাকবে। এরপর এক বছরের জন্য শুল্ক ১০০ শতাংশ এবং তার পরের সময় থেকে ২০০ শতাংশ করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো জেনেরিক ওষুধের উৎপাদন আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলবে না, তাদের জন্য এটি এক ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বিক্রি হওয়া ওষুধের ৯০ শতাংশেরও বেশি জেনেরিক। তবে পেটেন্টধারী, ব্র্যান্ডেড বা উদ্ভাবনী ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারের বর্তমান নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই তার ‘মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন’ ওষুধের মূল্যনীতি ব্যবহার করে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ দিয়ে আসছেন, যাতে তারা অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশগুলোর সমপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের দাম কমিয়ে আনে।
বিশ্বের বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছিল, যার আওতায় কয়েক শ কোটি ডলারের ওষুধ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়।
এর আগে গত এপ্রিলে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে বলা হয়, ব্র্যান্ডেড ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত ওষুধের মূল্যনীতিতে সম্মত না হয় বা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের ওষুধ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি না দেয়, তাহলে আমদানি করা ওই ব্র্যান্ডেড ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

আমদানি করা জেনেরিক ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৮ সালের ১ আগস্ট থেকে এটি কার্যকর হবে। এরপর এক বছর পর অর্থাৎ ২০২৯ সালের আগস্ট থেকে শুল্কের হার বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ করা হবে।
ফ্রান্স২৪ ও ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন।
পোস্টে তিনি বলেন, ১ আগস্ট থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব জেনেরিক ওষুধের ওপর শুল্কের হার শূন্য শতাংশ থাকবে। এরপর এক বছরের জন্য শুল্ক ১০০ শতাংশ এবং তার পরের সময় থেকে ২০০ শতাংশ করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো জেনেরিক ওষুধের উৎপাদন আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলবে না, তাদের জন্য এটি এক ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বিক্রি হওয়া ওষুধের ৯০ শতাংশেরও বেশি জেনেরিক। তবে পেটেন্টধারী, ব্র্যান্ডেড বা উদ্ভাবনী ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারের বর্তমান নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই তার ‘মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন’ ওষুধের মূল্যনীতি ব্যবহার করে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ দিয়ে আসছেন, যাতে তারা অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশগুলোর সমপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের দাম কমিয়ে আনে।
বিশ্বের বৃহৎ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছিল, যার আওতায় কয়েক শ কোটি ডলারের ওষুধ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়।
এর আগে গত এপ্রিলে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে বলা হয়, ব্র্যান্ডেড ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্ধারিত ওষুধের মূল্যনীতিতে সম্মত না হয় বা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের ওষুধ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি না দেয়, তাহলে আমদানি করা ওই ব্র্যান্ডেড ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

ইসলামাবাদে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এ কথা বলেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক, পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এই মুহূর্তে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণ বা নতুন সদস্য নেওয়ার কোনো আলোচনা নেই।
১৭ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
১৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
২০ ঘণ্টা আগে