
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে ‘সন্ত্রাসী’দের বন্দুক ও বোমা হামলায় ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ১৭ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব হামলার জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৪৫ জন হামলাকারী ‘সন্ত্রাসী’।
বেলুচিস্তান প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বাগতি গণমগাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ৪০ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সব মিলিয়ে অন্তত ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি ও পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, বালুচ মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বাগতি রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) কোয়েটায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আমরা সন্ত্রাসীদের খবর হামলার আগেই পেয়ে যাচ্ছি। সে অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার আগ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, এতে বহু সেনা নিহত হয়েছে।
এই সহিংসতাকে বেলুচিস্তানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এই প্রদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির লড়াই দীর্ঘ দিনের। পাকিস্তান সরকারও এই দরিদ্র প্রদেশটিতে জাতিগত বিদ্রোহ দমনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
পাকিস্তান সরকার অভিযোগ করেছে, ভারত বিএলএকে সমর্থন দিচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের জের ধরে এমনকি বেলুচের সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে প্রাদেশিক সরকার ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ বলে অভিহিত করে থাকে, যার মূলে রয়েছে এসব গোষ্ঠীকে ভারতের সহায়তা অব্যাহত রাখার অভিযোগ। ভারত সরকার বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
অন্যদিকে বিএলএর অভিযোগ, পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার দেশের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বেলুচিস্তানের বিপুল খনিজ সম্পদ কাজে লাগালেও এর সুফল স্থানীয় জনগণ পায় না।
স্থানীয় অধিকারকর্মীরাও পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ তুলেছেন, যদিও ইসলামাবাদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
বেলুচিস্তান পাকিস্তানের মোট ভূমির প্রায় ৪৪ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত। প্রদেশটির ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে এবং আরব সাগরের উপকূলের একটি অংশও এর অন্তর্ভুক্ত।
আয়তনে বিশাল হলেও পাকিস্তানের ২৪ কোটির বেশি জনসংখ্যার মাত্র প্রায় পাঁচ শতাংশ মানুষ এই প্রদেশে বাস করে। প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকেও বেলুচিস্তান সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ, এখানে রয়েছে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ও খনিজ সম্পদ।
প্রদেশটির নাম এসেছে বেলুচ জনগোষ্ঠী থেকে, যারা এখানকার সবচেয়ে বড় জাতিগত গোষ্ঠী। ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৪৮ সাল থেকেই বেলুচ জনগণের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ শুরু হয়।

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে ‘সন্ত্রাসী’দের বন্দুক ও বোমা হামলায় ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ১৭ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব হামলার জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৪৫ জন হামলাকারী ‘সন্ত্রাসী’।
বেলুচিস্তান প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বাগতি গণমগাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ৪০ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সব মিলিয়ে অন্তত ১৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি ও পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, বালুচ মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বাগতি রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) কোয়েটায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আমরা সন্ত্রাসীদের খবর হামলার আগেই পেয়ে যাচ্ছি। সে অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার আগ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, এতে বহু সেনা নিহত হয়েছে।
এই সহিংসতাকে বেলুচিস্তানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এই প্রদেশের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির লড়াই দীর্ঘ দিনের। পাকিস্তান সরকারও এই দরিদ্র প্রদেশটিতে জাতিগত বিদ্রোহ দমনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
পাকিস্তান সরকার অভিযোগ করেছে, ভারত বিএলএকে সমর্থন দিচ্ছে। ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের জের ধরে এমনকি বেলুচের সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে প্রাদেশিক সরকার ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ বলে অভিহিত করে থাকে, যার মূলে রয়েছে এসব গোষ্ঠীকে ভারতের সহায়তা অব্যাহত রাখার অভিযোগ। ভারত সরকার বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
অন্যদিকে বিএলএর অভিযোগ, পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার দেশের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বেলুচিস্তানের বিপুল খনিজ সম্পদ কাজে লাগালেও এর সুফল স্থানীয় জনগণ পায় না।
স্থানীয় অধিকারকর্মীরাও পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ তুলেছেন, যদিও ইসলামাবাদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
বেলুচিস্তান পাকিস্তানের মোট ভূমির প্রায় ৪৪ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত। প্রদেশটির ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে এবং আরব সাগরের উপকূলের একটি অংশও এর অন্তর্ভুক্ত।
আয়তনে বিশাল হলেও পাকিস্তানের ২৪ কোটির বেশি জনসংখ্যার মাত্র প্রায় পাঁচ শতাংশ মানুষ এই প্রদেশে বাস করে। প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকেও বেলুচিস্তান সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ, এখানে রয়েছে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ও খনিজ সম্পদ।
প্রদেশটির নাম এসেছে বেলুচ জনগোষ্ঠী থেকে, যারা এখানকার সবচেয়ে বড় জাতিগত গোষ্ঠী। ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৪৮ সাল থেকেই বেলুচ জনগণের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ শুরু হয়।

দেশটির উপসাগরীয় উপকূলবর্তী দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বন্দর আব্বাসে একটি আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণে একজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা মেহের-কে জানিয়েছেন এক স্থানীয় কর্মকর্তা। অন্যদিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে আরেকটি বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় তেহরান টাইম
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকাস্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানায়। তবে জরুরি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রয়োজনে প্রকাশ করা হবে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেছেন, "এগুলো আজ প্রকাশের মাধ্যমে দীর্ঘ ও বিস্তারিতভাবে নথি খুঁজে বের করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কাছে আইন মেনে চলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এগুলোর যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো"।
২ দিন আগে
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে ভোটগ্রহণকালে আকাশপথে আনুমানিক ৪০৮টি হামলায় ১৭০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২ দিন আগে