
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রয়াত কুখ্যাত মার্কিন যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের নিউ মেক্সিকোর খামারবাড়ি ‘জোরা র্যাঞ্চে’ স্থানীয় নারী ও কিশোরীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি না— তা নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন যে তাদের এপস্টেইনের ওই খামারবাড়িতে যাওয়া হয়েছিল এবং সেখানে এপস্টেইন ও তার সহযোগীদের হাতে তারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফে-এর ম্যাসাজ থেরাপিস্ট র্যাচেল বেনাভিদেজ ছাড়া আর কোনো স্থানীয় ভুক্তভোগীর পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
সান্তা ফে-এর প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ৭ হাজার ৬০০ একর আয়তনের জোরা র্যাঞ্চে যেসব অতিথি আসতেন এবং সেখানে কী চলছে তা যেসব রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের জানা ছিল বা যেসব কর্মকর্তা যৌন অপব্যবহারের মতো কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন, তাদেরকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এপস্টেইন সংক্রান্ত ট্রুথ কমিশন।
নিউ মেক্সিকোর আইনপ্রণেতা মারিয়ানা আনায়া জানিয়েছেন, ট্রুথ কমিশন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, যারা র্যাঞ্চে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘স্থানীয় কিছু অভিযোগকারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত
ট্রুথ কমিশন বর্তমানে নিউ মেক্সিকো বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, যাতে সম্ভাব্য ফৌজদারি মামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কমিশন প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে জোরো র্যাঞ্চে এপস্টেইনের ২৫ বছরের মালিকানাকালে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বিপুল নথির ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত শুরু করে নিউ মেক্সিকো। ওই নথির একটি ইমেইলে দাবি করা হয়, এপস্টেইনের সাবেক এক কর্মচারী জানিয়েছিলেন— র্যাঞ্চের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় দুই কিশোরীর মরদেহ গোপনে পুঁতে রাখা হয়েছিল।
আদালতের বিভিন্ন সাক্ষ্য অনুযায়ী, এপস্টেইন ও তার সহযোগীরা নিউইয়র্ক ও পাম বিচের বাসভবনে স্থানীয় কিশোরীদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের সহায়তা কেন্দ্রের তথ্য
সান্তা ফেতে অবস্থিত সহায়তা কেন্দ্র ‘সলেস সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট সার্ভিসেস’-এর পরিচালক মারিয়া হোসে রদ্রিগেজ কাদিজ জানান, ২০১৯ সালে যখন এপস্টেইন গ্রেপ্তার হন এবং পরে কারাগারে মারা যান— প্রায় ৪৫ জন ব্যক্তি তাদের কেন্দ্রে সহায়তা ও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করেছিলেন।
তিনি বলেন, তাদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশ থেকে অর্ধেক নারী দাবি করেছিলেন যে তারা জোরো র্যাঞ্চে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে কেন্দ্রটি বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড সংরক্ষণ করেনি।
তার মতে, এপস্টেইনের গ্রেপ্তার এবং বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়া #MeToo আন্দোলনের কারণে ওই সময়ে অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ওই সময়ে কেউই পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেননি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে যৌন সহিংসতার মাত্র প্রায় ২৪ শতাংশ ঘটনা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে।

প্রয়াত কুখ্যাত মার্কিন যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের নিউ মেক্সিকোর খামারবাড়ি ‘জোরা র্যাঞ্চে’ স্থানীয় নারী ও কিশোরীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি না— তা নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন যে তাদের এপস্টেইনের ওই খামারবাড়িতে যাওয়া হয়েছিল এবং সেখানে এপস্টেইন ও তার সহযোগীদের হাতে তারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফে-এর ম্যাসাজ থেরাপিস্ট র্যাচেল বেনাভিদেজ ছাড়া আর কোনো স্থানীয় ভুক্তভোগীর পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
সান্তা ফে-এর প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ৭ হাজার ৬০০ একর আয়তনের জোরা র্যাঞ্চে যেসব অতিথি আসতেন এবং সেখানে কী চলছে তা যেসব রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের জানা ছিল বা যেসব কর্মকর্তা যৌন অপব্যবহারের মতো কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন, তাদেরকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এপস্টেইন সংক্রান্ত ট্রুথ কমিশন।
নিউ মেক্সিকোর আইনপ্রণেতা মারিয়ানা আনায়া জানিয়েছেন, ট্রুথ কমিশন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, যারা র্যাঞ্চে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘স্থানীয় কিছু অভিযোগকারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত
ট্রুথ কমিশন বর্তমানে নিউ মেক্সিকো বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, যাতে সম্ভাব্য ফৌজদারি মামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কমিশন প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে জোরো র্যাঞ্চে এপস্টেইনের ২৫ বছরের মালিকানাকালে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত বিপুল নথির ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত শুরু করে নিউ মেক্সিকো। ওই নথির একটি ইমেইলে দাবি করা হয়, এপস্টেইনের সাবেক এক কর্মচারী জানিয়েছিলেন— র্যাঞ্চের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় দুই কিশোরীর মরদেহ গোপনে পুঁতে রাখা হয়েছিল।
আদালতের বিভিন্ন সাক্ষ্য অনুযায়ী, এপস্টেইন ও তার সহযোগীরা নিউইয়র্ক ও পাম বিচের বাসভবনে স্থানীয় কিশোরীদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের সহায়তা কেন্দ্রের তথ্য
সান্তা ফেতে অবস্থিত সহায়তা কেন্দ্র ‘সলেস সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট সার্ভিসেস’-এর পরিচালক মারিয়া হোসে রদ্রিগেজ কাদিজ জানান, ২০১৯ সালে যখন এপস্টেইন গ্রেপ্তার হন এবং পরে কারাগারে মারা যান— প্রায় ৪৫ জন ব্যক্তি তাদের কেন্দ্রে সহায়তা ও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করেছিলেন।
তিনি বলেন, তাদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশ থেকে অর্ধেক নারী দাবি করেছিলেন যে তারা জোরো র্যাঞ্চে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে কেন্দ্রটি বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড সংরক্ষণ করেনি।
তার মতে, এপস্টেইনের গ্রেপ্তার এবং বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়া #MeToo আন্দোলনের কারণে ওই সময়ে অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ওই সময়ে কেউই পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেননি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে যৌন সহিংসতার মাত্র প্রায় ২৪ শতাংশ ঘটনা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে।

এক্স পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে গর্ব করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও একটি সমীকরণ উপস্থাপন করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ব্যবহৃত, বাব আল-মন্দেব প্রণালি ও তেল পাইপলাইন এখনো অব্যবহৃত’— যা ইরানের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
তদন্তকারীদের বরাতে জানা যায়, হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তে তার শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পিঠের নিচের অংশে একটি গভীর আঘাত পাওয়া যায়, যা লিভার ভেদ করে গিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি ফের চালু এবং চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
চাদ মূলত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার চারপাশে লিবিয়া, সুদান, ক্যামেরুন ও নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো অবস্থিত। রাজধানী এন'জামেনা থেকে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে