
বিবিসি বাংলা

ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গে জরুরি একটি বৈঠক করতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। তার সরকারের জরুরি কমিটি কোবরার একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন তিনি।
এই কমিটিতে মন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা থাকেন।
কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের পদক্ষেপগুলো কী হবে এই কমিটিতে তারা সেটি সমন্বয় করেন।
সোমবার সকালে ল্যাঙ্কাশায়ারে ইউএসডিএডব্লিউ ট্রেড ইউনিয়ন সম্মেলনে দেওয়া এক ভাষণে কিয়ের স্টারমার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বার্থ নেই এমন কোনো যুদ্ধে আমি এই দেশকে কখনোই টেনে নিতে দেব না।’

ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গে জরুরি একটি বৈঠক করতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। তার সরকারের জরুরি কমিটি কোবরার একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন তিনি।
এই কমিটিতে মন্ত্রী এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা থাকেন।
কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের পদক্ষেপগুলো কী হবে এই কমিটিতে তারা সেটি সমন্বয় করেন।
সোমবার সকালে ল্যাঙ্কাশায়ারে ইউএসডিএডব্লিউ ট্রেড ইউনিয়ন সম্মেলনে দেওয়া এক ভাষণে কিয়ের স্টারমার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বার্থ নেই এমন কোনো যুদ্ধে আমি এই দেশকে কখনোই টেনে নিতে দেব না।’

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১৯ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
২০ ঘণ্টা আগে