
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এ বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। সাধারণত, বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতারা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক মঞ্চে উপস্থিত থেকে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন। কিন্তু এবার মোদির পরিবর্তে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যিনি প্রধানমন্ত্রীর হয়ে ভাষণও দেবেন।
আগামী ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন। তবে এ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে যাচ্ছেন না।
এই সিদ্ধান্তে প্রশ্ন উঠছে, মোদির এই অনুপস্থিতির পেছনে আসল কারণ কী? ভারত কি কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের জায়গায় পরিবর্তন আনছে? নাকি এটি শুধুই ক্যালেন্ডারের ব্যস্ততা ও বাস্তবতার কারণে গৃহীত একটি সিদ্ধান্ত?
বরাবরই ভারত নিজের ভূমিকা তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চ ব্যবহার করে এসেছে। শান্তিরক্ষী মিশনে ভারতের সক্রিয় ভূমিকা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে কণ্ঠস্বর, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিকতার পক্ষে বক্তব্য—সব সময়ই ভারতের প্রতিনিধিরা এজেন্ডায় রেখেছেন। তাই মোদির মতো একজন নেতা, যিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে স্থাপন করতে অভ্যস্ত, তিনি যদি না যান, তাহলে এর কূটনৈতিক বার্তাই আলাদা হবে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, দিল্লি হয়তো এখন বৈশ্বিক ফোরামে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এখন অনেকাংশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতে বেশি মনোযোগী। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, রাশিয়া, জাপান—সব জায়গায় ভারতের আলাদা কূটনৈতিক উদ্যোগ আছে। তাই সাধারণ পরিষদের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে হয়তো আপাতত তুলনামূলক গৌণ মনে করছে দিল্লি।
তবে এটাও সত্য যে, জাতিসংঘের মঞ্চ এখনো অনেক দেশের জন্য প্রতীকী। এখানে উপস্থিত থেকে নেতা যতটা না নীতি ঘোষণা করেন, তার চেয়েও বেশি দেন রাজনৈতিক বার্তা। যেমন—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, চীনের রাষ্ট্রপতি বা রাশিয়ার প্রতিনিধি যখন ভাষণ দেন, তখন গোটা বিশ্ব মনোযোগ দিয়ে শোনে। মোদি গত বছর পর্যন্ত এই মঞ্চ ব্যবহার করেছেন নিজের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে। তাঁর অনুপস্থিতি এ বছর কূটনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।
কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যস্ততা এবং ঘরোয়া রাজনীতির চাপ এর কারণ হতে পারে। অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প এবং আসন্ন রাজ্য নির্বাচনগুলোর জন্য মোদির সময়সূচি অত্যন্ত ব্যস্ততায় ভরা। তা ছাড়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর দীর্ঘদিনের কূটনীতিক, যিনি জাতিসংঘের ভেতর-বাহির ভালোভাবেই জানেন। তাই তাঁর ওপর মোদির আস্থা অটুট।
অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, মোদির এই সিদ্ধান্ত ভারত যে এখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে আছে, সেটারই প্রকাশ। ভারত হয়তো বোঝাতে চাইছে যে তাঁর কণ্ঠ এখন শুধু জাতিসংঘের মঞ্চেই সীমাবদ্ধ নয় বরং জি২০, ব্রিকস, কোয়াড এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অনেক বেশি প্রভাবশালী।
তবে কূটনৈতিক দৃষ্টিতে ভারতের অনুপস্থিতি কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে। পাকিস্তান সব সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে ব্যবহার করে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে। মোদির অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানের বক্তব্যের জবাব কূটনীতিক স্তরে দেওয়াটা কঠিন হতে পারে। জয়শঙ্কর অভিজ্ঞ হলেও প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদার সঙ্গে তুলনা করা যায় না।
তাই মোদির এই সিদ্ধান্তকে শুধু একটি সফর বাতিল হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং ভারতের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলনই মনে করা হচ্ছে। বিশ্বরাজনীতির অঙ্গনে ভারতের বার্তা এখন স্পষ্ট। ভারত জানান দিচ্ছে, দিল্লি এখন আর শুধু বহুপাক্ষিক মঞ্চের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সমান্তরালে নিজের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক জোটের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।

এ বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। সাধারণত, বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতারা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক মঞ্চে উপস্থিত থেকে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন। কিন্তু এবার মোদির পরিবর্তে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যিনি প্রধানমন্ত্রীর হয়ে ভাষণও দেবেন।
আগামী ২৩ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন। তবে এ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে যাচ্ছেন না।
এই সিদ্ধান্তে প্রশ্ন উঠছে, মোদির এই অনুপস্থিতির পেছনে আসল কারণ কী? ভারত কি কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের জায়গায় পরিবর্তন আনছে? নাকি এটি শুধুই ক্যালেন্ডারের ব্যস্ততা ও বাস্তবতার কারণে গৃহীত একটি সিদ্ধান্ত?
বরাবরই ভারত নিজের ভূমিকা তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চ ব্যবহার করে এসেছে। শান্তিরক্ষী মিশনে ভারতের সক্রিয় ভূমিকা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে কণ্ঠস্বর, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিকতার পক্ষে বক্তব্য—সব সময়ই ভারতের প্রতিনিধিরা এজেন্ডায় রেখেছেন। তাই মোদির মতো একজন নেতা, যিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিজেকে স্থাপন করতে অভ্যস্ত, তিনি যদি না যান, তাহলে এর কূটনৈতিক বার্তাই আলাদা হবে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, দিল্লি হয়তো এখন বৈশ্বিক ফোরামে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এখন অনেকাংশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতে বেশি মনোযোগী। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, রাশিয়া, জাপান—সব জায়গায় ভারতের আলাদা কূটনৈতিক উদ্যোগ আছে। তাই সাধারণ পরিষদের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামকে হয়তো আপাতত তুলনামূলক গৌণ মনে করছে দিল্লি।
তবে এটাও সত্য যে, জাতিসংঘের মঞ্চ এখনো অনেক দেশের জন্য প্রতীকী। এখানে উপস্থিত থেকে নেতা যতটা না নীতি ঘোষণা করেন, তার চেয়েও বেশি দেন রাজনৈতিক বার্তা। যেমন—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, চীনের রাষ্ট্রপতি বা রাশিয়ার প্রতিনিধি যখন ভাষণ দেন, তখন গোটা বিশ্ব মনোযোগ দিয়ে শোনে। মোদি গত বছর পর্যন্ত এই মঞ্চ ব্যবহার করেছেন নিজের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে। তাঁর অনুপস্থিতি এ বছর কূটনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যার জন্ম দিয়েছে।
কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যস্ততা এবং ঘরোয়া রাজনীতির চাপ এর কারণ হতে পারে। অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প এবং আসন্ন রাজ্য নির্বাচনগুলোর জন্য মোদির সময়সূচি অত্যন্ত ব্যস্ততায় ভরা। তা ছাড়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর দীর্ঘদিনের কূটনীতিক, যিনি জাতিসংঘের ভেতর-বাহির ভালোভাবেই জানেন। তাই তাঁর ওপর মোদির আস্থা অটুট।
অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, মোদির এই সিদ্ধান্ত ভারত যে এখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে আছে, সেটারই প্রকাশ। ভারত হয়তো বোঝাতে চাইছে যে তাঁর কণ্ঠ এখন শুধু জাতিসংঘের মঞ্চেই সীমাবদ্ধ নয় বরং জি২০, ব্রিকস, কোয়াড এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অনেক বেশি প্রভাবশালী।
তবে কূটনৈতিক দৃষ্টিতে ভারতের অনুপস্থিতি কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করবে। পাকিস্তান সব সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে ব্যবহার করে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে। মোদির অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানের বক্তব্যের জবাব কূটনীতিক স্তরে দেওয়াটা কঠিন হতে পারে। জয়শঙ্কর অভিজ্ঞ হলেও প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদার সঙ্গে তুলনা করা যায় না।
তাই মোদির এই সিদ্ধান্তকে শুধু একটি সফর বাতিল হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং ভারতের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলনই মনে করা হচ্ছে। বিশ্বরাজনীতির অঙ্গনে ভারতের বার্তা এখন স্পষ্ট। ভারত জানান দিচ্ছে, দিল্লি এখন আর শুধু বহুপাক্ষিক মঞ্চের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সমান্তরালে নিজের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক জোটের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।

সাধারণত ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিন উদ্ধার কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়, যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তারও অনেক পরে এই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের খড়কওয়াসলা ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রায় চার দশকব্যাপী ক্যারিয়ারে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি ও
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই এলাকাগুলোতে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। দিন যত যাচ্ছে, ভেঙে পড়া ভবনের চারপাশে লাশের পচা গন্ধ তত তীব্র হচ্ছে। তবে এমন অসহনীয় দুর্গন্ধের মধ্যেও প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আশায় ধ্বংসস্তূপের পাশ থেকে সরছেন না স্বজনেরা।
৬ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে বিমান অভিযান পরিচালনা করেছিল পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের রোববারের বিমান অভিযানে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছিলেন এবং নিহতরা সবাই বেসামরিক ছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে