
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের কাজ শুরু করে থাকতে পারে ইরান। নতুন স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে এমন আভাস মিলেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। ইরানের এই তৎপরতা জুনের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) লঙ্ঘন করেছে কি না, সে প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি–এর সঙ্গে যৌথভাবে স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের বিভিন্ন পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় সাম্প্রতিক সময়ে নতুন কার্যক্রমের আলামত মিলেছে। এর মধ্যে অন্যতম পারচিনের একটি স্থাপনা, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক উপাদান সংরক্ষণ করা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে ওই স্থাপনার চারপাশে ইরান একটি কংক্রিটের সুরক্ষাবেষ্টনী নির্মাণ করেছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্থাপনাটির কৌশলগত গুরুত্বেরই ইঙ্গিত বহন করে।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলায় ওই স্থাপনায় একাধিকবার আঘাত হানা হয়। হামলাগুলো ছিল অত্যন্ত নির্ভুল। স্যাটেলাইট ছবিতে বাঙ্কার-বাস্টার বোমার আঘাতে সৃষ্ট বড় বড় গর্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
তবে জুন ও জুলাই মাসে ধারণ করা নতুন স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওই ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাটি মেরামত ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। প্রথমে বোমার আঘাতে তৈরি গর্তগুলোর ওপর অস্থায়ী আবরণ বসানো হয়।
এর কয়েক সপ্তাহ পর, যখন সমঝোতা স্মারক এখনো কার্যকর, তখন সেই অস্থায়ী আবরণ সরিয়ে সেখানে জালের মতো একটি কাঠামো বসানো হয়। একই সময় আশপাশে কংক্রিট মেশানোর ট্রাকও দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ট্রাকের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয়, ইরান গর্তগুলো কংক্রিট দিয়ে বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের ভেতরে কী ঘটছে, সে সম্পর্কে বাইরের বিশ্বের হাতে খুবই সীমিত তথ্য ছিল। কারণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুরোধে বিভিন্ন স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলের ছবি প্রকাশ সীমিত রেখেছিল।
সম্প্রতি সেই বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হওয়ায় সিএনএন নতুন স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইরান কোন কোন স্থাপনায় আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মেরামতের কাজ শুরু করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে তেহরান কোন স্থাপনাগুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এমনই আরেকটি স্থান পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন। ধারণা করা হয়, ভূগর্ভে অবস্থিত এই এলাকাতেই ইরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর স্যাটেলাইট ছবিতে সেখানে টানেলের ভেতরে ও বাইরে যানবাহনের চলাচল স্পষ্ট দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা সিএনএনকে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে। কারণ ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিদ্যমান অবস্থা বজায় রাখতে হতো।

তবে ইসফাহান, ফোর্দো এবং নাতাঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো মেরামত বা পুনর্গঠনের লক্ষণ দেখা যায়নি।
অন্যদিকে, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে নতুন কার্যক্রমেরও প্রমাণ মিলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। সর্বশেষ স্যাটেলাইট ছবিগুলোর ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান ইতোমধ্যে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার মেরামতের কাজ শুরু করেছে।
সিএনএন বলছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে তাবরিজের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে নতুন করে রাস্তা পাকা করার কাজ হয়েছে। একইভাবে কেরমানশাহর আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে খননযন্ত্র দিয়ে টানেলের প্রবেশপথ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বিমানঘাঁটিতেও মেরামতের কাজের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে তাবরিজ বিমানঘাঁটিতে বোমার আঘাতে তৈরি একটি বড় গর্ত ভরাট করতে দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের কাজ শুরু করে থাকতে পারে ইরান। নতুন স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে এমন আভাস মিলেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। ইরানের এই তৎপরতা জুনের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) লঙ্ঘন করেছে কি না, সে প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি–এর সঙ্গে যৌথভাবে স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের বিভিন্ন পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় সাম্প্রতিক সময়ে নতুন কার্যক্রমের আলামত মিলেছে। এর মধ্যে অন্যতম পারচিনের একটি স্থাপনা, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক উপাদান সংরক্ষণ করা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে ওই স্থাপনার চারপাশে ইরান একটি কংক্রিটের সুরক্ষাবেষ্টনী নির্মাণ করেছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্থাপনাটির কৌশলগত গুরুত্বেরই ইঙ্গিত বহন করে।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলায় ওই স্থাপনায় একাধিকবার আঘাত হানা হয়। হামলাগুলো ছিল অত্যন্ত নির্ভুল। স্যাটেলাইট ছবিতে বাঙ্কার-বাস্টার বোমার আঘাতে সৃষ্ট বড় বড় গর্ত স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
তবে জুন ও জুলাই মাসে ধারণ করা নতুন স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওই ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাটি মেরামত ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। প্রথমে বোমার আঘাতে তৈরি গর্তগুলোর ওপর অস্থায়ী আবরণ বসানো হয়।
এর কয়েক সপ্তাহ পর, যখন সমঝোতা স্মারক এখনো কার্যকর, তখন সেই অস্থায়ী আবরণ সরিয়ে সেখানে জালের মতো একটি কাঠামো বসানো হয়। একই সময় আশপাশে কংক্রিট মেশানোর ট্রাকও দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ট্রাকের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয়, ইরান গর্তগুলো কংক্রিট দিয়ে বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের ভেতরে কী ঘটছে, সে সম্পর্কে বাইরের বিশ্বের হাতে খুবই সীমিত তথ্য ছিল। কারণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুরোধে বিভিন্ন স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলের ছবি প্রকাশ সীমিত রেখেছিল।
সম্প্রতি সেই বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হওয়ায় সিএনএন নতুন স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইরান কোন কোন স্থাপনায় আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মেরামতের কাজ শুরু করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে তেহরান কোন স্থাপনাগুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এমনই আরেকটি স্থান পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন। ধারণা করা হয়, ভূগর্ভে অবস্থিত এই এলাকাতেই ইরান তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর স্যাটেলাইট ছবিতে সেখানে টানেলের ভেতরে ও বাইরে যানবাহনের চলাচল স্পষ্ট দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা সিএনএনকে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে। কারণ ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিদ্যমান অবস্থা বজায় রাখতে হতো।

তবে ইসফাহান, ফোর্দো এবং নাতাঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো মেরামত বা পুনর্গঠনের লক্ষণ দেখা যায়নি।
অন্যদিকে, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে নতুন কার্যক্রমেরও প্রমাণ মিলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। সর্বশেষ স্যাটেলাইট ছবিগুলোর ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান ইতোমধ্যে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার মেরামতের কাজ শুরু করেছে।
সিএনএন বলছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে তাবরিজের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে নতুন করে রাস্তা পাকা করার কাজ হয়েছে। একইভাবে কেরমানশাহর আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে খননযন্ত্র দিয়ে টানেলের প্রবেশপথ পরিষ্কার করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বিমানঘাঁটিতেও মেরামতের কাজের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে তাবরিজ বিমানঘাঁটিতে বোমার আঘাতে তৈরি একটি বড় গর্ত ভরাট করতে দেখা গেছে।

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানকে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য চাপ দিচ্ছে, ঠিক তখনই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলের জন্য ফি আরোপের আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপ। একই সময়ে ওমানও মালাক্কা প্রণালির নীতিমালা অনুসরণ করে হরমুজের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা ব্যাখ্যা করতে তেহরানে আইন ব
১০ ঘণ্টা আগে
ইতিমধ্যেই মার্কিন সামরিক বাহিনীকে এক বছরের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। ইরানের সব এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন ও ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম বলেও দাবি করেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কট্টরপন্থিদের একটি 'পথভ্রষ্ট' গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে তেহরান জানিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
কিউবার রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়া হলেও বছরের শুরু থেকে এ নিয়ে দেশটিতে চারবার সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটল। ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যবর্ত
১৪ ঘণ্টা আগে