
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারত যদি সিন্ধু নদের ওপর বাঁধ বা এ জাতীয় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে ইসলামাবাদ হামলা চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। শুক্রবার (২ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
খাজা আসিফ বলেন, ‘শুধু বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলা ছুড়লেই আগ্রাসন হয় না। বহুভাবে আগ্রাসন চালানো যায়। যেমন সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া বা পানিপ্রবাহকে ভিন্নপথে চালিত করাও একপ্রকার আগ্রাসন। এর ফলে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণে মৃত্যু হবে লাখ লাখ মানুষের। ’
খাজা আসিফ বলেন, ‘সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ আটকাতে যদি তারা (নয়াদিল্লি) বাঁধ বা এই জাতীয় স্থাপনা নির্মাণ করে তাহলে পাকিস্তান সেই স্থাপনা ধ্বংস করবে। তবে আপাতত আমরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি (সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি) নিয়ে আলোচনা করছি এবং নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারত সরকার কর্তৃক সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে ইসলামাবাদ সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসন্ন নির্বাচনের পটভূমিতে রাজনৈতিক লাভের জন্য ‘নাটক’র জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের ওপর বিশ্বব্যাপী চাপ আগের চেয়েও বেড়েছে। তবে এটি বলব না যে, হুমকি এড়ানো গেছে।’
খাজা আসিফ আরও বলেন, ‘নয়াদিল্লি যে আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রত্যাশা করেছিল তা পেতে ব্যর্থ হয়েছে। মোদি সরকার তাদের মিথ্যা দাবির সমর্থনে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মোদির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।’
কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহতের ঘটনার পর থেকে দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার জন্য ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানকে দায়ী না করলেও তাৎক্ষণিকভাবে পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিল, কূটনীতিক বহিষ্কার ও সিন্ধু নদের পানি বণ্টন চুক্তি স্থগিতের মতো বেশ কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারত যদি সিন্ধু নদের ওপর বাঁধ বা এ জাতীয় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে, তাহলে ইসলামাবাদ হামলা চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। শুক্রবার (২ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
খাজা আসিফ বলেন, ‘শুধু বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলা ছুড়লেই আগ্রাসন হয় না। বহুভাবে আগ্রাসন চালানো যায়। যেমন সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া বা পানিপ্রবাহকে ভিন্নপথে চালিত করাও একপ্রকার আগ্রাসন। এর ফলে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণে মৃত্যু হবে লাখ লাখ মানুষের। ’
খাজা আসিফ বলেন, ‘সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ আটকাতে যদি তারা (নয়াদিল্লি) বাঁধ বা এই জাতীয় স্থাপনা নির্মাণ করে তাহলে পাকিস্তান সেই স্থাপনা ধ্বংস করবে। তবে আপাতত আমরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি (সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি) নিয়ে আলোচনা করছি এবং নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারত সরকার কর্তৃক সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার বিষয়ে ইসলামাবাদ সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসন্ন নির্বাচনের পটভূমিতে রাজনৈতিক লাভের জন্য ‘নাটক’র জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের ওপর বিশ্বব্যাপী চাপ আগের চেয়েও বেড়েছে। তবে এটি বলব না যে, হুমকি এড়ানো গেছে।’
খাজা আসিফ আরও বলেন, ‘নয়াদিল্লি যে আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রত্যাশা করেছিল তা পেতে ব্যর্থ হয়েছে। মোদি সরকার তাদের মিথ্যা দাবির সমর্থনে প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মোদির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।’
কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহতের ঘটনার পর থেকে দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার জন্য ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানকে দায়ী না করলেও তাৎক্ষণিকভাবে পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিল, কূটনীতিক বহিষ্কার ও সিন্ধু নদের পানি বণ্টন চুক্তি স্থগিতের মতো বেশ কয়েকটি কঠোর পদক্ষেপ নেয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
১ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২ দিন আগে