
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শত্রুদের ওপর ‘আগাম হামলা’ চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এ হুমকির ক্ষেত্রে ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রতি ইঙ্গিত করেই এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে।
মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের নবগঠিত ‘ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল’ গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা দেয়।
কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের অভ্যন্তরে যেকোনো আগ্রাসন বা অব্যাহত শত্রুতামূলক আচরণের জবাব দেওয়া হবে উপযুক্ত, কঠোর ও দৃঢ়ভাবে।’
এ ছাড়া কাউন্সিল জোর দিয়ে বলেছে, আক্রান্ত হওয়ার পর শুধু পালটা জবাব দেওয়ার মধ্যেই তারা নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখবে না, বরং নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ‘দৃশ্যমান হুমকির লক্ষণ’ বিবেচনায় নিয়ে তারা পদক্ষেপ নেবে।
২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের পর গঠিত হয় এই ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল। কাউন্সিল বলেছে, ইরানের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয় তাদের কাছে ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
এই হুঁশিয়ারির দুই দিন আগেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের সমন্বয়ে সামরিক মহড়া চালিয়েছে। এসব মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর প্রস্তুতি যাচাই করা।
ইরানের অভ্যন্তরে মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রার মানের চরম পতনের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সেই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে যখন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখন এ বিবৃতি জারি করা হলো।
ইরানের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা তেহরান টাইমসও আগাম আত্মরক্ষামূলক হামলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। এর মাধ্যমে কাউন্সিলের দেওয়া বার্তাই আবার নিশ্চিত করা হলো।

শত্রুদের ওপর ‘আগাম হামলা’ চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এ হুমকির ক্ষেত্রে ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রতি ইঙ্গিত করেই এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে।
মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের নবগঠিত ‘ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল’ গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা দেয়।
কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের অভ্যন্তরে যেকোনো আগ্রাসন বা অব্যাহত শত্রুতামূলক আচরণের জবাব দেওয়া হবে উপযুক্ত, কঠোর ও দৃঢ়ভাবে।’
এ ছাড়া কাউন্সিল জোর দিয়ে বলেছে, আক্রান্ত হওয়ার পর শুধু পালটা জবাব দেওয়ার মধ্যেই তারা নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখবে না, বরং নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ‘দৃশ্যমান হুমকির লক্ষণ’ বিবেচনায় নিয়ে তারা পদক্ষেপ নেবে।
২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের পর গঠিত হয় এই ইরানিয়ান ডিফেন্স কাউন্সিল। কাউন্সিল বলেছে, ইরানের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয় তাদের কাছে ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
এই হুঁশিয়ারির দুই দিন আগেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের সমন্বয়ে সামরিক মহড়া চালিয়েছে। এসব মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর প্রস্তুতি যাচাই করা।
ইরানের অভ্যন্তরে মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রার মানের চরম পতনের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সেই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে যখন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখন এ বিবৃতি জারি করা হলো।
ইরানের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা তেহরান টাইমসও আগাম আত্মরক্ষামূলক হামলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। এর মাধ্যমে কাউন্সিলের দেওয়া বার্তাই আবার নিশ্চিত করা হলো।

যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালায়, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’— এমন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, এটি ১৯৫২ সালে প্রণীত ডেনিশ সেনাবাহিনীর একটি নিয়মের প্রতিফলন, যা এখনো কার্যকর রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এদিকে বৃহস্পতিবার রাজধানী তেহরান ছাড়াও কোম, ইসফাহান, বন্দর আব্বাস ও বোজনুর্দ শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাতে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, দেশ জুড়ে চলা এ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের দরকার নেই। আমি মানুষকে আঘাত করতে চাই না’— এমনটি উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা কীভাবে দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে তিনি সিদ্ধান্ত নেন সে আইন তিনি মানবেন কি না।
৫ ঘণ্টা আগে