
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক ‘এনকাউন্টারে’ পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের এক ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সন্ত্রাসীসহ তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। মোস্ট ওয়ান্টেড ওই সন্ত্রাসীর নাম সাইফুল্লাহ।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ অন্তত ২০ বার অভিযানের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা। এবার নিরাপত্তা বাহিনীর ২১ বারের চেষ্টায় তিনি এনকাউন্টারে নিহত হলেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সন্ত্রাসীদের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে অভিযান শুরু হয়। কিশতওয়ারের একটি পাহাড়ি ঢালের মাটির ঘরে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। নিরাপত্তা বাহিনী ঘিরে ফেললে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে।
পালটা জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে তিন জঙ্গিই নিহত হয়। রোববার সকালে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রথমে একজন জঙ্গি নিহত হওয়ার তথ্য জানানো হলেও পরে নিশ্চিত করা হয়, নিহতের সংখ্যা তিনজন। তাদের মধ্যে জইশের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি সাইফুল্লাহও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
অভিযানে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং বিশেষ বাহিনী যৌথভাবে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অ্যাসল্ট রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ রসদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সাইফুল্লাহকে হত্যা করাই এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আদিল নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।
গত এক মাসে চাত্রু বনাঞ্চলে অন্তত ছয়বার এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন ত্রাশি-১’-এর আওতায় কিশতওয়ারের চাত্রু, সোনার, দোলগাম ও দিচ্ছারসহ দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী তল্লাশি ও অভিযান জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক ‘এনকাউন্টারে’ পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের এক ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সন্ত্রাসীসহ তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। মোস্ট ওয়ান্টেড ওই সন্ত্রাসীর নাম সাইফুল্লাহ।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ অন্তত ২০ বার অভিযানের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা। এবার নিরাপত্তা বাহিনীর ২১ বারের চেষ্টায় তিনি এনকাউন্টারে নিহত হলেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সন্ত্রাসীদের অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে অভিযান শুরু হয়। কিশতওয়ারের একটি পাহাড়ি ঢালের মাটির ঘরে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। নিরাপত্তা বাহিনী ঘিরে ফেললে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে।
পালটা জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে তিন জঙ্গিই নিহত হয়। রোববার সকালে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রথমে একজন জঙ্গি নিহত হওয়ার তথ্য জানানো হলেও পরে নিশ্চিত করা হয়, নিহতের সংখ্যা তিনজন। তাদের মধ্যে জইশের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি সাইফুল্লাহও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
অভিযানে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং বিশেষ বাহিনী যৌথভাবে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অ্যাসল্ট রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ রসদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সাইফুল্লাহকে হত্যা করাই এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আদিল নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।
গত এক মাসে চাত্রু বনাঞ্চলে অন্তত ছয়বার এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন ত্রাশি-১’-এর আওতায় কিশতওয়ারের চাত্রু, সোনার, দোলগাম ও দিচ্ছারসহ দুর্গম পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী তল্লাশি ও অভিযান জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পৃথক দুটি বোমা হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাগুলিতে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও তিনজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
৬ দিন আগে
ইরানের হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথগুলোর মধ্যে একটি। জলপথে প্রতিবছর যে পরিমাণ তেল ও তরল গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হয়, তার এক চতুর্থাংশ তেল এবং এক পঞ্চমাংশ তরল গ্যাসের পরিবহনের রুট এই হরমুজ প্রাণালী।
৬ দিন আগে
ফিলিস্তিনের গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ পরিষদ আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম বৈঠকে বসবে।
৭ দিন আগে