
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের ৪৩টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে আগমন ও ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। সূত্র ও এ সংক্রান্ত সরকারি নথির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞাকে তিনটি ধাপ বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী এই ৪১টি দেশকেও ভাগ করা হয়েছে তিনটি গ্রুপে। প্রথম গ্রুপে রয়েছে ১০টি দেশ—আফগানিস্তান, ইরান, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন। এই দেশগুলোর নাগরিকদের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর হলে এসব দেশের নাগরিকরা কোনো প্রকার মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
দ্বিতীয় গ্রুপে রয়েছে ৫টি দেশ— ইরিত্রিয়া, হাইতি, লাওস, মিয়ানমার এবং দক্ষিণ সুদান। নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর হলে এসব দেশের নাগরিকরা শিক্ষার্থী ও ভ্রমণ ব্যতীত অন্যান্য ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বাদবাকি ২৬টি দেশ রয়েছে তৃতীয় গ্রুপে। এই দেশগুলো হলো অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবোডা, বেনিন, ভুটান, বুরকিনা ফাসো, বেলারুশ, পাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কেপ ভার্দে, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চাদ, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব (ডি আর) কঙ্গো, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ডমিনিকা, গাম্বিয়া, লাইবেরিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, মালাউই, মৌরিতানিয়া, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেইন্ট লুসিয়া, সাও তোম অ্যান্ড প্রিনসিপি, সিয়েরা লিওন, পূর্ব তিমুর এবং ভানুয়াতু।
সরকারি নথি অনুসারে, ২৬টি দেশকে কিছু শর্ত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন এবং সেসব শর্তপূরণের জন্য এসব দেশের সরকারকে ৬০ দিন সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। যদি এই সময়সীমার মধ্যে সেসব শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে এই ২৬টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর ওপর সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের সময়ে বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন ট্রাম্প। সেসব আদেশের মধ্যে যেসব বিদেশি প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছেন, তাদেরকে সার্বিক রেকর্ড ভালোভাবে যাচাইয়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এর আগে ২০১৮ সালে যখন প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছিলেন ট্রাম্প, সে সময় সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এসব দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম হওয়ায় এ নিয়ে সে সময় বেশ আলোচনা-সমালোচনাও শুরু হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়।
সাম্প্রতিক এই সম্ভাব্য নিষেধজ্ঞার ব্যাপারে আরও তথ্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সূত্র : রয়টার্স

বিশ্বের ৪৩টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে আগমন ও ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। সূত্র ও এ সংক্রান্ত সরকারি নথির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞাকে তিনটি ধাপ বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী এই ৪১টি দেশকেও ভাগ করা হয়েছে তিনটি গ্রুপে। প্রথম গ্রুপে রয়েছে ১০টি দেশ—আফগানিস্তান, ইরান, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন। এই দেশগুলোর নাগরিকদের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর হলে এসব দেশের নাগরিকরা কোনো প্রকার মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
দ্বিতীয় গ্রুপে রয়েছে ৫টি দেশ— ইরিত্রিয়া, হাইতি, লাওস, মিয়ানমার এবং দক্ষিণ সুদান। নিষেধাজ্ঞার আদেশ কার্যকর হলে এসব দেশের নাগরিকরা শিক্ষার্থী ও ভ্রমণ ব্যতীত অন্যান্য ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বাদবাকি ২৬টি দেশ রয়েছে তৃতীয় গ্রুপে। এই দেশগুলো হলো অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবোডা, বেনিন, ভুটান, বুরকিনা ফাসো, বেলারুশ, পাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কেপ ভার্দে, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, চাদ, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব (ডি আর) কঙ্গো, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ডমিনিকা, গাম্বিয়া, লাইবেরিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, মালাউই, মৌরিতানিয়া, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেইন্ট লুসিয়া, সাও তোম অ্যান্ড প্রিনসিপি, সিয়েরা লিওন, পূর্ব তিমুর এবং ভানুয়াতু।
সরকারি নথি অনুসারে, ২৬টি দেশকে কিছু শর্ত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন এবং সেসব শর্তপূরণের জন্য এসব দেশের সরকারকে ৬০ দিন সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। যদি এই সময়সীমার মধ্যে সেসব শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে এই ২৬টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর ওপর সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের সময়ে বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন ট্রাম্প। সেসব আদেশের মধ্যে যেসব বিদেশি প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছেন, তাদেরকে সার্বিক রেকর্ড ভালোভাবে যাচাইয়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এর আগে ২০১৮ সালে যখন প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছিলেন ট্রাম্প, সে সময় সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এসব দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম হওয়ায় এ নিয়ে সে সময় বেশ আলোচনা-সমালোচনাও শুরু হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়।
সাম্প্রতিক এই সম্ভাব্য নিষেধজ্ঞার ব্যাপারে আরও তথ্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সূত্র : রয়টার্স

ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
৩৯ দিন ধরে চলমান যুদ্ধে দুই সপ্তাহের জন্য বিরতি ঘোষণা করে ট্রাম্প বলেন, ইরান একটি ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, যা আলোচনার জন্য “কার্যকর ভিত্তি” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমরা দুই সপ্তাহের জন্য থামছি। আশা করি, এই দুই সপ্তাহের মধ্যেই একটি চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
দুপক্ষের অনড় অবস্থানে বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে— তা জানতে ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের আর মাত্র ঘণ্টা ছয়েক আগে বিশ্বের সব এলাকা থেকেই নজরে রাখা হচ্ছে ইরানের দিকে।
৯ ঘণ্টা আগে
মূল প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে। পরে সংশোধনীতে সদস্য দেশগুলোকে সরাসরি সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে ‘সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে