যুদ্ধবিরতি ঘিরে ইরানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, ‘অভ্যুত্থানে’র শঙ্কা কট্টরপন্থিদের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
৩ জুলাই তেহরানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও আইআরজিসির কমান্ডার জেনারেল মোহসেন রেজাই। ছবি: গেটি ইমেজেস

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কেন্দ্র করে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে তীব্র টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। দেশটির কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলো আশঙ্কা করছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো শীর্ষ নেতারা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আদর্শের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে পাশ কাটিয়ে ‘নরম অভ্যুত্থানের’ মাধ্যমে ক্ষমতা নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে এই দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে এসেছে।

গত সপ্তাহে তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির কফিনের পাশে হাঁটছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। চারপাশে কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষের ভিড়। তবে তাদের কেউ কেউ প্রয়াত নেতাকে শ্রদ্ধা জানানোর বদলে সরাসরি প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে স্লোগান দেন— ‘সমঝোতাকারীর মৃত্যু হোক।’

সেখান থেকে খুব বেশি দূরে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করাতে ভূমিকা রাখা ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাগচিকেও শেষকৃত্য অনুষ্ঠান ছাড়তে হয়। ‘বিশ্বাসঘাতক’ ও ‘দেশ বিক্রি করে দেওয়া ব্যক্তি’ বলে স্লোগান দিতে দিতে একদল মানুষ তার দিকে পাথর ছুড়ে মারেন।

শেষকৃত্যের সময় শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতি এই বৈরী আচরণ এমন একটি ধারণার প্রতিফলন, যা গত কয়েক মাস ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জোরালো হয়েছে। তাদের দাবি, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করে চুক্তিতে সই করা যুদ্ধকালীন নেতারা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আদর্শের বিরুদ্ধে নরম ধরনের অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করছেন। আর নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিজের জীবনের নিরাপত্তার আশঙ্কায় জনসমক্ষে আসছেন না— অথবা কারও কারও দাবি, তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়েছেন।

শেষকৃত্যে বিপুল সংখ্যায় অংশ নেওয়া কট্টরপন্থিদের বিশ্বাস, আলি খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার বদলে ইরানের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের অভিযোগ, এই চুক্তি প্রয়াত নেতার ছেলে ও উত্তরসূরি সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নির্দেশনারও পরিপন্থি। কিন্তু মোজতবা খামেনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। তিনি জাতির উদ্দেশে কোনো ভাষণ দেননি, এমনকি নিজের কর্তৃত্বও প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠা করেননি। অথচ তার নামেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।

কট্টরপন্থিদের অভিযোগ, মোজতবা খামেনি আত্মগোপনে থাকায় দেশের দৃশ্যমান নেতৃত্ব— যারা সরকার পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করছেন— তারা ক্ষমতা নিজেদের হাতে কেন্দ্রীভূত করার ষড়যন্ত্র করছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংসদ স্থগিত রাখা, আলোচনায় সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ অমান্য করা এবং কট্টরপন্থীদের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হওয়া রাতের বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গের চেষ্টার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

খামেনির শেষকৃত্যের কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কট্টরপন্থি আইনপ্রণেতা মাহমুদ নাবাভিয়ান লিখেছিলেন, ‘ইরানের জনগণকে সতর্ক করছি: দেশে কি অভ্যুত্থান আসছে?’

কয়েক দিন পর তিনি আরও লেখেন, ‘শহিদ ইমাম খামেনিকে বিদায় জানানোর এই সময়ে আমরা তার রক্তের প্রতিশোধের পতাকা উঁচু করছি এবং অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছি।’

মোজতবা খামেনির অনুপস্থিতিতে যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের সবচেয়ে দৃশ্যমান মুখ হয়ে উঠেছেন প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইরান বিশেষজ্ঞ ও হোয়াট ইরানিয়ানস ওয়ান্ট বইয়ের লেখক আরাশ আজিজির মতে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় তাদের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট কট্টরপন্থিরা এখন এই তিন নেতার বিরুদ্ধেই অভ্যুত্থানের অভিযোগ তুলছেন।

তার ভাষায়, ‘মোজতবার দীর্ঘ অনুপস্থিতির অর্থ হলো, তারা তার কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। একই সঙ্গে গালিবাফ ও তার ঘনিষ্ঠরাই কার্যত দেশ পরিচালনা করছেন। তাই অতিরক্ষণশীলরা গালিবাফ ও পেজেশকিয়ানের বিরুদ্ধে মোজতবার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছে।’

‘তোমার গলায় আমরাই হব ছুরি’

যুদ্ধকালীন জাতীয় ঐক্যের আহ্বান থাকলেও ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে কট্টর সমর্থকদের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত হয়। তারা সেখানে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ শুরু করে নেতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি তোলে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতা প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেয়।

এখন মনে হচ্ছে তাদের সেই ইচ্ছাই বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে হামলা চালিয়ে ওই জলপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বার্তা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ে। এর জবাবে ওয়াশিংটন পালটা হামলা চালায়। এরপর কট্টরপন্থিরা যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি বাতিলের দাবি আরও জোরালো করে।

এর আগের কয়েক সপ্তাহ ধরেই কট্টরপন্থিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে সই করা নেতাদের বিরুদ্ধে তীব্র অবস্থান নিয়েছিল।

একটি অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সরকারপন্থি ধর্মীয় সংগীতশিল্পী (মাদ্দাহ) মোহাম্মদ আলি বাখশি প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘জনাব প্রেসিডেন্ট, যদি নেতার শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে তোমার গলায় আমরাই হব ছুরি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তোমার জন্য নরক নামিয়ে আনব।’

প্রেসিডেন্টকে হত্যার এই প্রকাশ্য হুমকির ব্যাপক সমালোচনা হলেও বাখশির বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি।

কট্টরপন্থিদের সমালোচনার মুখে থাকা আরেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রধান প্রতিনিধি গালিবাফ। বিপ্লবী গার্ডের সাবেক এই কমান্ডারের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা যুদ্ধের সময় তাকে নেতৃত্বের কেন্দ্রে নিয়ে আসে। ফলে তিনি কার্যত সরকারের প্রধান পরিচালনাকারী হিসেবে আবির্ভূত হন এবং শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন অংশের গ্রহণযোগ্যতাও অর্জন করেন।

জুলাইয়ের শুরুতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কট্টরপন্থি সংসদ সদস্য কামরান গাজানফারি বলেন, ‘তারা জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা বাড়াতে চাইছে, আর সর্বোচ্চ নেতা ও সংসদের ভূমিকা কমিয়ে দিচ্ছে।’ বর্তমানে যুদ্ধ-সংক্রান্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এই পরিষদ। গাজানফারির ভাষায়, ‘এটাই সেই রাজনৈতিক অভ্যুত্থান, যা তারা পরিকল্পনা করেছে এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।’

কট্টরপন্থিদের কোণঠাসা করার চেষ্টা

মঙ্গলবার ‘অভ্যুত্থান’ নিয়ে সবচেয়ে সোচ্চার কট্টরপন্থি আইনপ্রণেতা মাহমুদ নাবাভিয়ানকে সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চুক্তিবিরোধী আরেক সংসদ সদস্যকেও ওই কমিশন থেকে অপসারণ করা হয়।

নাবাভিয়ান একসময় ইরানের আলোচক দলের সদস্য ছিলেন। পরে তিনি আলোচনার বিরোধিতায় নামেন এবং গত মাসে চুক্তি সইয়ের আগেই এর খসড়া গণমাধ্যমে ফাঁস করে আলোচনাটি ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার অভিযোগ ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিরা সর্বোচ্চ নেতার নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ (সীমারেখা) অতিক্রম করছেন। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

নাবাভিয়ানসহ তার মতো অনেকেই ‘জেবহে-ই পায়দারি’ বা ‘এনডিউরেন্স ফ্রন্টে’র চিন্তাধারার অনুসারী। পর্যবেক্ষকদের ভাষায়, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা নিজেদের ‘সুপার রেভল্যুশনারি’ মনে করেন। তাদের দাবি, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আদর্শ রক্ষার দায়িত্ব তাদের কাঁধেই রয়েছে— যে বিপ্লব পশ্চিমাপন্থি রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে ইসলামি শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল।

জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের ভিজিটিং ফেলো হামিদরেজা আজিজি বলেন, ‘আমরা দেখছি, গালিবাফ কট্টরপন্থি এই অংশটিকে কোণঠাসা করতে নিজের প্রভাব ব্যবহার করছেন। শাসনব্যবস্থার জন্য তারা এখন অতিরিক্ত বোঝা হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরানের পরিস্থিতি যত অস্থিতিশীল হচ্ছে, তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও তত প্রকাশ্যে নিয়ে আসছে।’

সংখ্যায় তারা খুব বেশি না হলেও সংসদ ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের প্রভাব রয়েছে। এমনকি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও আলাদা প্রচারণা চালিয়েছে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটি।

এই গোষ্ঠীর প্রকৃত জনসমর্থন কতটা, তা স্পষ্ট নয়। তবে তাদের অন্যতম পরিচিত নেতা ও সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান সাঈদ জালিলি ২০২৪ সালের নির্বাচনে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি ভোট পেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় হয়েছিলেন। ইরানের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ।

ইরানকে ঘিরে কয়েক মাসের যুদ্ধ ও কূটনৈতিক তৎপরতার সময় ট্রাম্প বারবার ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ‘গভীরভাবে বিভক্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণেই কোনো চুক্তি এগোতে পারেনি। তবে নতুন নেতৃত্ব ও কট্টরপন্থিদের মধ্যে দৃশ্যমান মতপার্থক্য থাকলেও পর্যবেক্ষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ খুলে দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর মূল লক্ষ্য নিয়ে শাসনব্যবস্থা এখনো ঐক্যবদ্ধ।

তবু মোজতবা খামেনির দীর্ঘ অনুপস্থিতি, যুদ্ধবিরতিতে তার শর্তসাপেক্ষ সমর্থন, বিপ্লবী গার্ডের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং তার বাবার শেষকৃত্যে বিপুল জনসমাগম কট্টরপন্থিদের আরও সাহসী করে তুলেছে। তারা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নিজেদের কঠোর কর্মসূচি আরও জোরালোভাবে সামনে আনছে।

বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কট্টরপন্থি নেতা মানুচেহর মোত্তাকি বলেন, ‘আমার পরামর্শ হলো, আমরা অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো একটি ঘাঁটিতে যাই, যেখানে শত শত, হয়তো হাজার হাজার মার্কিন সন্ত্রাসী রয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র ১০০ জন সেনাকে ধরে ইরানে নিয়ে আসাই যথেষ্ট হবে।’

[মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অনুবাদ। মূল প্রতিবেদনটি লিখেছেন সিএনএনের আবুধাবি ব্যুরোভিত্তিক জ্যেষ্ঠ সংবাদদাতা মোস্তফা সালেম। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে তিনি নিয়মিত প্রতিবেদন লিখে থাকেন]

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরানকে হুমকি দিতে দিতে শেষ পর্যন্ত ‘অন্তহীন যুদ্ধে’ জড়িয়ে গেলেন ট্রাম্প?

ইরানকে দ্রুত নতি স্বীকার করানো যাবে— ট্রাম্প প্রশাসনের এই ধারণাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নের মুখে। যে সংঘাতের দ্রুত সমাপ্তি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেটিই ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। আর সেই পথই যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেলে দিতে পারে আরেকটি নতুন ‘ফরএভার ওয়ার’— অর্থাৎ ‘অন্তহীন যুদ্ধে’র দিকে।

১০ ঘণ্টা আগে

'দূষিত' ধোঁয়া ছড়ানোর অভিযোগে কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র অপ্রয়োজনীয়ভাবে নোংরা, দূষিত এবং অস্বাস্থ্যকর বাতাসের আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে।" তিনি কানাডার বিরুদ্ধে 'ইচ্ছাকৃত অবহেলার' অভিযোগ তুলে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দেন।

১১ ঘণ্টা আগে

ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন হামলা

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ইরানকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেই এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে। বিমান হামলার পাশাপাশি ইরানের কৌশলগত বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ কার্যকর করা শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

১২ ঘণ্টা আগে

হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মাইন বিস্ফোরণ, ভয়াবহ আগুন

আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, মাইনক্ষেত্রে প্রবেশের আগেই ট্যাঙ্কার দুটিকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করে। একই সাথে তারা নাবিকদের নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ছড়ানো ‘বিভ্রান্তি’ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

১২ ঘণ্টা আগে