
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিবৃতিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ বেলুচিস্তান নিজেদের ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং অঞ্চলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতির সত্যতা নিশ্চিত না করা হলেও, আফগান সীমান্তের উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকটের মাঝে এই ঘটনা শেহবাজ শরীফ প্রশাসন ও পাক সেনাবাহিনীকে এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি এক বিবৃতি নিয়ে তোলপাড় পাকিস্তানের গণমাধ্যম। ‘বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র’ নামে প্রকাশ করা এ বিবৃতিতে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় এ প্রদেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে আর তারা তাদের অঞ্চলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হচ্ছে, একটি জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, নতুন মুদ্রা ও স্বাধীন প্রশাসনিক পদ্ধতিও চালু করেছে বেলুচিস্তান। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের সোনা, তামার খানি, গ্যাসক্ষেত্র ও কয়লা খনিরও নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়েছে।
তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ বিবৃতির সত্যতা এখনো কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা পাকিস্তান সরকার নিশ্চিত করেনি।
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বেলুচিস্তান প্রদেশটি দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৪৪ শতাংশ। যদিও দেশের মাত্র ৬ শতাংশ মানুষের বাস এখানে। ১৯৪৮ সালে কালাত রাজ্যকে মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বেলুচিস্তানকে নিজেদের অংশ করে নেয় পাকিস্তান। এরপর থেকেই অঞ্চলটি বিদ্রোহে জর্জরিত। বালুচদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক নিপীড়নের শিকার। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এর লভ্যাংশ চলে যায় প্রদেশের বাইরে।
এখন প্রশ্ন থেকে ওঠে, পাকিস্তান থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা আদায় কতটা বাস্তবসম্মত। বিবৃতিটি সামনে আসার পর কোনো পরাশক্তি বা প্রতিবেশী দেশ এখন পর্যন্ত বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবির প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন বা স্বীকৃতি দেয়নি। যেটি একটি ভূখণ্ডের স্বাধীনতার লড়াইকে আরও বেশি বেগবান করে। পাশাপাশি, বেলুচিস্তানে বেলুচ ছাড়াও, পশতুন ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষও বসবাস করে। যাদের একটি বড় অংশ পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে নয়। এ পুরো বিষয়টিকে ভারতের জন্য বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। কারণ বেলুচদের সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে গেলে চটে যাবে আরেক পরাশক্তি চীন।
তবে, বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবি শেহবাজ শরীফ প্রশাসনের জন্য দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিশাল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের বার্তা দেয়। বেলুচের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি চাওয়ার বিষয়টিও ইসলামাবাদকে কূটনৈতিক চাপে ফেলেছে।
অর্থাৎ, এ বিবৃতির পর প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও আসিম মুনিরের সেনাবাহিনীর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত আর আরব সাগরের বিশাল উপকূলরেখার কারণে বেলুচিস্তানের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। সঙ্গে যোগ হয়েছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো সংগঠনের সঙ্গে আফগান সীমান্তে পাক সেনাদের প্রতিনিয়ত বিরোধ। ফলে বেলুচদের স্বাধীনতার আন্দোলন তীব্রতর হলে বিপদেই পড়বেন শেহবাজ শরীফ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিবৃতিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ বেলুচিস্তান নিজেদের ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং অঞ্চলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতির সত্যতা নিশ্চিত না করা হলেও, আফগান সীমান্তের উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকটের মাঝে এই ঘটনা শেহবাজ শরীফ প্রশাসন ও পাক সেনাবাহিনীকে এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি এক বিবৃতি নিয়ে তোলপাড় পাকিস্তানের গণমাধ্যম। ‘বেলুচিস্তান প্রজাতন্ত্র’ নামে প্রকাশ করা এ বিবৃতিতে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় এ প্রদেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে আর তারা তাদের অঞ্চলের ৮৫ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হচ্ছে, একটি জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত, নতুন মুদ্রা ও স্বাধীন প্রশাসনিক পদ্ধতিও চালু করেছে বেলুচিস্তান। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের সোনা, তামার খানি, গ্যাসক্ষেত্র ও কয়লা খনিরও নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়েছে।
তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ বিবৃতির সত্যতা এখনো কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা বা পাকিস্তান সরকার নিশ্চিত করেনি।
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত বেলুচিস্তান প্রদেশটি দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৪৪ শতাংশ। যদিও দেশের মাত্র ৬ শতাংশ মানুষের বাস এখানে। ১৯৪৮ সালে কালাত রাজ্যকে মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বেলুচিস্তানকে নিজেদের অংশ করে নেয় পাকিস্তান। এরপর থেকেই অঞ্চলটি বিদ্রোহে জর্জরিত। বালুচদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে তারা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক নিপীড়নের শিকার। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এর লভ্যাংশ চলে যায় প্রদেশের বাইরে।
এখন প্রশ্ন থেকে ওঠে, পাকিস্তান থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা আদায় কতটা বাস্তবসম্মত। বিবৃতিটি সামনে আসার পর কোনো পরাশক্তি বা প্রতিবেশী দেশ এখন পর্যন্ত বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবির প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন বা স্বীকৃতি দেয়নি। যেটি একটি ভূখণ্ডের স্বাধীনতার লড়াইকে আরও বেশি বেগবান করে। পাশাপাশি, বেলুচিস্তানে বেলুচ ছাড়াও, পশতুন ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষও বসবাস করে। যাদের একটি বড় অংশ পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে নয়। এ পুরো বিষয়টিকে ভারতের জন্য বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। কারণ বেলুচদের সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে গেলে চটে যাবে আরেক পরাশক্তি চীন।
তবে, বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার দাবি শেহবাজ শরীফ প্রশাসনের জন্য দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিশাল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের বার্তা দেয়। বেলুচের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি চাওয়ার বিষয়টিও ইসলামাবাদকে কূটনৈতিক চাপে ফেলেছে।
অর্থাৎ, এ বিবৃতির পর প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও আসিম মুনিরের সেনাবাহিনীর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত আর আরব সাগরের বিশাল উপকূলরেখার কারণে বেলুচিস্তানের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। সঙ্গে যোগ হয়েছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের মতো সংগঠনের সঙ্গে আফগান সীমান্তে পাক সেনাদের প্রতিনিয়ত বিরোধ। ফলে বেলুচদের স্বাধীনতার আন্দোলন তীব্রতর হলে বিপদেই পড়বেন শেহবাজ শরীফ।

ট্রাম্প মঙ্গলবার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা কথাবার্তা হচ্ছে না কিংবা নির্ধারিতও নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। হরমুজ প্রণালি খোলা ও চালু আছে। সব নৌমাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে অথবা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন ৫০ শতাংশ শুল্ক তিন দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে এর প্রায় এক ঘণ্টা পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও ‘গুরুত্
১৪ ঘণ্টা আগে
কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট) ওই বহুতলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন সামনে আসছে একের পর এক
১৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত প্রস্তাব নিয়ে এখনো আপোসহীন অবস্থানে রয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর স্পষ্ট দাবি, হামাস সম্পূর্ণ অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে