
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘস্থায়ী খরার কবলে পড়ে উগান্ডায় তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আধা-শুষ্ক কারামোজা অঞ্চলে অনাহারে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। খরার কারণে অঞ্চলটির হাজার হাজার পরিবার চরম খাদ্যসংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে প্রশাসন।
উগান্ডার প্রধানমন্ত্রী রবিনাহ নাব্বানজা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে তার কার্যালয় আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বিশেষ অনুমোদন চাইবে। অনুমোদন পাওয়া মাত্রই আরও খাদ্যশস্য কিনে দুর্গত এলাকাগুলোতে দ্রুত বিতরণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যমতে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে—যা সাধারণত উগান্ডার মূল বপন মৌসুম—কারামোজা অঞ্চলে খুবই সামান্য অথবা একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির তীব্র অভাবে ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। ফলে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় খাদ্যসংকট আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কারামোজা অঞ্চলে বারবার দেখা দেওয়া এই খাদ্যসংকটের পেছনে প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। এছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নির্বিচারে বন উজাড়, অতিরিক্ত পশুচারণ এবং ফসলের রোগবালাই অন্যতম ভূমিকা রাখছে। দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধান না হওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী প্রতিবছরই দুর্ভিক্ষ ও চরম অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়ছে।
ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা এখন আবহাওয়ার আরও নির্ভুল পূর্বাভাস ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আধুনিক সেচব্যবস্থায় বিনিয়োগ এবং খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও চাষ সম্প্রসারণের ওপর জোর দিচ্ছেন।
উগান্ডার এই আধা-শুষ্ক উত্তর-পূর্বাঞ্চল অতীতেও একাধিকবার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটির সরকারি মানবাধিকার সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে এই অঞ্চলে অনাহার ও অনাহারজনিত রোগে ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
ভয়াবহ সেই দুর্ভিক্ষের সময় উগান্ডার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি ওকেলো ওরিয়েম অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের ‘বোকা’ বলে মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, উগান্ডার উর্বর জমি ও অনুকূল আবহাওয়ায় মানুষের নিজেদের খাদ্য নিজে উৎপাদন করা উচিত। তার ওই সংবেদনহীন মন্তব্য তখন দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি

দীর্ঘস্থায়ী খরার কবলে পড়ে উগান্ডায় তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আধা-শুষ্ক কারামোজা অঞ্চলে অনাহারে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। খরার কারণে অঞ্চলটির হাজার হাজার পরিবার চরম খাদ্যসংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে প্রশাসন।
উগান্ডার প্রধানমন্ত্রী রবিনাহ নাব্বানজা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে তার কার্যালয় আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বিশেষ অনুমোদন চাইবে। অনুমোদন পাওয়া মাত্রই আরও খাদ্যশস্য কিনে দুর্গত এলাকাগুলোতে দ্রুত বিতরণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্যমতে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে—যা সাধারণত উগান্ডার মূল বপন মৌসুম—কারামোজা অঞ্চলে খুবই সামান্য অথবা একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির তীব্র অভাবে ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। ফলে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় খাদ্যসংকট আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কারামোজা অঞ্চলে বারবার দেখা দেওয়া এই খাদ্যসংকটের পেছনে প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। এছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নির্বিচারে বন উজাড়, অতিরিক্ত পশুচারণ এবং ফসলের রোগবালাই অন্যতম ভূমিকা রাখছে। দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধান না হওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী প্রতিবছরই দুর্ভিক্ষ ও চরম অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়ছে।
ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা এখন আবহাওয়ার আরও নির্ভুল পূর্বাভাস ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আধুনিক সেচব্যবস্থায় বিনিয়োগ এবং খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও চাষ সম্প্রসারণের ওপর জোর দিচ্ছেন।
উগান্ডার এই আধা-শুষ্ক উত্তর-পূর্বাঞ্চল অতীতেও একাধিকবার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটির সরকারি মানবাধিকার সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে এই অঞ্চলে অনাহার ও অনাহারজনিত রোগে ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
ভয়াবহ সেই দুর্ভিক্ষের সময় উগান্ডার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি ওকেলো ওরিয়েম অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের ‘বোকা’ বলে মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, উগান্ডার উর্বর জমি ও অনুকূল আবহাওয়ায় মানুষের নিজেদের খাদ্য নিজে উৎপাদন করা উচিত। তার ওই সংবেদনহীন মন্তব্য তখন দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি

আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় বাভি দুর্বল হলেও এর আকার প্রায় ফ্রান্সের ভূখণ্ডের সমান বিশাল। এই বিশাল মেঘমালা ও ঝড়ব্যবস্থার কারণে পূর্ব ও উত্তর চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী ভারী বৃষ্টিপাত এবং বন্যার সৃষ্টি হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশটির অন্যতম সংকটময় সময়ে তার দীর্ঘ অনুপস্থিতি নেতৃত্ব, বৈধতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সময় যত গড়াচ্ছে, মোজতবা খামেনির এই অনুপস্থিতি ইরানের জন্য ততই একটি বড় ‘রাজনৈতিক দায়’ হয়ে উঠছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্গঠনের কাজ শুরু করে থাকতে পারে ইরান। নতুন স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে এমন আভাস মিলেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ সব শহিদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, এটি শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, পুরো ইরানি জাতির ন্যায্য দাবি এবং এ প্রতিশোধ অবশ্যই নেওয়া হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে