
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে ওই অঞ্চল ছাড়ার জন্য নিজ নাগরিকদের জরুরি নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার এক ঘোষণায় সৌদি আরব, কাতার ও ইসরায়েলসহ এক ডজনেরও বেশি দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরে যেতে বলা হয়েছে। আকাশপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক নির্দেশনা ওই অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের পদধ্বনি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই নির্দেশনায় সৌদি আরব ও কাতারসহ একাধিক দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দিনে অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ সতর্কতার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো-বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
পররাষ্ট্র দফতরের কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরে নামদার সামাজিক মাধ্যম এক্সে (আগের টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় বলেন, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তালিকাভুক্ত দেশগুলো থেকে বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবহার করে এখনই দেশ ত্যাগ করতে হবে।’
এদিকে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, নিরাপত্তা হুমকির কারণে তাদের কর্মীরা কূটনৈতিক স্থাপনা ত্যাগ করেছেন।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক প্যাটি কালহেন জানান, সামাজিক মাধ্যমে একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার এমন ঘোষণা অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন। তার মতে, সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র সরকার নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
তিনি আরও বলেন, আকাশপথে চলাচল ব্যাহত থাকায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন নাগরিকদের কীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে-তা স্পষ্ট নয়।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা নিহত হন। এর জবাবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা শুরু করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, এই সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে ওই অঞ্চল ছাড়ার জন্য নিজ নাগরিকদের জরুরি নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার এক ঘোষণায় সৌদি আরব, কাতার ও ইসরায়েলসহ এক ডজনেরও বেশি দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরে যেতে বলা হয়েছে। আকাশপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক নির্দেশনা ওই অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের পদধ্বনি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই নির্দেশনায় সৌদি আরব ও কাতারসহ একাধিক দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দিনে অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ সতর্কতার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো-বাহরাইন, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
পররাষ্ট্র দফতরের কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরে নামদার সামাজিক মাধ্যম এক্সে (আগের টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় বলেন, গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তালিকাভুক্ত দেশগুলো থেকে বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবহার করে এখনই দেশ ত্যাগ করতে হবে।’
এদিকে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, নিরাপত্তা হুমকির কারণে তাদের কর্মীরা কূটনৈতিক স্থাপনা ত্যাগ করেছেন।
ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক প্যাটি কালহেন জানান, সামাজিক মাধ্যমে একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার এমন ঘোষণা অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন। তার মতে, সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র সরকার নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
তিনি আরও বলেন, আকাশপথে চলাচল ব্যাহত থাকায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে মার্কিন নাগরিকদের কীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে-তা স্পষ্ট নয়।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা নিহত হন। এর জবাবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা শুরু করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেন, এই সংঘাত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

ভূ-কম্পনের ৪০ ঘণ্টা পেরিয়ে পেলেও এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে অসংখ্য মানুষ। তাদের উদ্ধারে দিন-রাত এক করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন বাহিনী। ভেনেজুয়েলা ছাড়াও, উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কর্মীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে শুক্রবার মধ্যরাতে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে জাহাজে ইরানের হামলাকে 'অযৌক্তিক আগ্রাসন' বলে উল্লেখ করেছে তারা। নতুন করে এ হামলার ঘটনায় সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের তথ্য সংগ্রহে চালু করা একটি ওয়েবসাইটে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি মানুষের নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। ফলে চলমান বিপর্যয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে