
বিবিসি বাংলা

মিসরের কোচ হোসাম হাসান পোস্ট ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করার সময় বারবার একটি বিষয়ের ওপরই জোর দিচ্ছিলেন - যে তার দলের সাথে অন্যায় করা হয়েছে।
"আমরা আজ সবকিছুতে সেরা ছিলাম। কিন্তু ফলাফল…কিছু বিষয় খেলার ফলকে প্রভাবিত করেছে, মাঠের বাইরে এবং মাঠের ভেতরে।"
মিসরের কোচের অভিযোগ, খেলার আগে আর্জেন্টিনা দল রেফারির ওপর চাপ প্রয়োগ করার ফলে ম্যাচে রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গিয়েছে।
হোসাম হাসান ছাড়াও মিসরের খেলোয়াড়দের অনেকে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় একই অভিযোগ তোলেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মাঠে মিসরের গোলস্কোরার মোস্তফা জিকো আরবি ভাষায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। সে সময় তিনি দাবি করেন যে বিশ্বকাপ 'আর্জেন্টিনাকে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।'
মিসরের খেলোয়াড়দের এই অভিযোগের কারণ, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মিসরের একটি গোল ভিএআর রিভিউতে বাতিল হওয়া এবং আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের সময় মোহাম্মদ সালাহর একটি ফাউলের আপিল প্রত্যাখ্যাত হওয়া।
ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোল বাতিল
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে আর্জেন্টিনা ১-০ তে পিছিয়ে থাকার সময় মিসরের হাফের বাম প্রান্ত থেকে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজের কাছ থেকে বল নিয়ে ঐ প্রান্ত দিয়ে অ্যাটাক করে মিশর। মারমুশের রান থেকে বল যায় সালাহর কাছে, সালাহর পাস থেকে গোল করেন মোস্তফা জিকো।
জিকোসহ পুরো মিসর দল যখন উদযাপনে, তখন রেফারি খেলায় বিরতি ডাকেন ভিএআর রিভিউর জন্য। রিভিউ শেষে রেফারি সিদ্ধান্ত দেন যে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের কাছ থেকে বল নেওয়ার সময় মিসরের মারওয়ান আত্তিয়া তার পায়ে বুট দিয়ে পাড়া দিয়েছিলেন। কাজেই সেখানে ফাউল হয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় বাতিল হয় গোল।
লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে যে ফাউল করা হয়েছে, ভিএআরের রিভিউর পর তা নিয়ে সন্দেহ ছিল না। কিন্তু আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয় ফাউল হওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে মিসরের গোলের পর সেই ফাউলের সিদ্ধান্ত দেওয়া নিয়ে।
এই বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই অবশ্য রেফারি এবং অ্যাসিস্টান্ট রেফারিরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।
এমনকি পরিষ্কার অফসাইডের বেলায়ও সব ম্যাচেই বেশ কয়েক সেকেন্ড পর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সাইড লাইনে থাকা রেফারিরা।
এই সময়ের মধ্যে রেফারিরা ভিডিও টিমের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এবারের আসরের প্রায় সব ম্যাচেই রেফারিদের মধ্যে এমন প্র্যাকটিস দেখা গেছে।
তবে এমন সব যুক্তি স্বত্ত্বেও সাবেক ফুটবলার সহ ফুটবল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মিসরের গোল বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
সাবেক ফরাসি ফরোয়ার্ড থিয়েরি অঁরি ফক্স স্পোর্টসে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বলেন, "এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। মিসর, আফ্রিকা এবং সারা ফুটবল বিশ্বের সাথে অন্যায় হয়েছে।"
ফক্স স্পোর্টসে কমেন্ট্রি করা মেক্সিকো আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলা সাবেক ফুটবলার হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজের মতে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে করা ওই ফাউলটি যথেষ্ট 'সফট' ফাউল ছিল এবং তার মতে ঐ গোলটি বাতিল হওয়া উচিৎ হয়নি।
মোহাম্মদ সালাহর ফাউলের আবেদন নাকচ
আরেকটি বড় বিতর্ক তৈরি হয় আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের বিল্ড আপ নিয়ে। ম্যাচের ৯২ মিনিটে আর্জেন্টিনার ডি বক্সে সালাহর কাছ থেকে বল নেন হুলিয়ান আলভারেজ। সেখান থেকে বাড়ানো বল মাঠের অপর প্রান্তে লাউতারো মার্টিনেজের কাছে যায়। তার ক্রস থেকে গোল করে এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনাকে ৩-২ এ এগিয়ে নেন।
এই দফায়ও গোল নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না, কিন্তু আলভারেজ যখন সালাহর কাছ থেকে বল নেন তখন তাকে ফাউল করা হয় বলে আবেদন করেন মিসরের খেলোয়াড়রা। রেফারি অবশ্য সেই আবেদন আমলে নেননি, ভিএআরের কাছে রিভিউর জন্য যাননি।
এরপরই অভিযোগ ওঠে যে রেফারি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যাওয়া গোলের বিল্ড আপের সময় রিভিউ নিলে এই দফায় কেন রিভিউ নেননি।
ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলার ইয়ান রাইট যুক্তরাজ্যের আইটিভি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে ঠিক এই প্রশ্নই তোলেন। সাথে তিনি দাবি করেন যে সালাহকে ফাউল করার জন্য আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল বাতিল হওয়া উচিৎ।
তবে ঐ একই অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক অধিনায়ক রয় কিন ইয়ান রাইটের দাবির বিপরীতে মন্তব্য করেন যে সালাহ অতি অল্পেই পায়ের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।
আবার রয় কিন রেফারির সিদ্ধান্তের বিষয়ে এই মন্তব্যও করেন যে, "আপনি যদি ফুটবলে (অতীতে) দেখেন, তাহলে দেখবেন বড় দলগুলো সাধারণত এসব (বিতর্কিত) সিদ্ধান্তের সুবিধা পায়। কিন্তু এমন সিদ্ধান্তের পরও আর্জেন্টিনার অর্জনকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ২-০ তে পিছিয়ে থেকে ১০-১১ মিনিট বাকি থাকার সময় তারা ম্যাচে ফিরে এসেছে।"
মিসরের খেলোয়াড়রা, কোচ এবং কোচিং স্টাফ নিশ্চিতভাবেই রয় কিনের এই মন্তব্যের সাথে একমত হবেন না। ম্যাচ শেষে মাঠে কান্নায় ভেঙে পড়া মিসরের গোলস্কোরার মোস্তফা জিকো লাইভ টিভিতেই বারবার বলতে থাকেন যে তাদের সাথে যা হয়েছে তা অন্যায়।
আর্জেন্টিনা দল অবশ্য তেমনটা মনে করে না। তাদের কাছে এই জয় তাদের দলের হার না মানা মনোভাবের ফল। ম্যাচ শেষে প্রেস কনফারেন্সে মেসির কণ্ঠে সেটিই শোনা গেলো।
"আজ দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ়তা, আত্মসম্মান আর চেষ্টার একটি প্রদর্শনী হয়েছে।"
"আমি এই দল নিয়ে গর্বিত। আজ আবারো প্রমাণ হয়েছে যে তারা কখনো হাল ছাড়ে না।"

মিসরের কোচ হোসাম হাসান পোস্ট ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করার সময় বারবার একটি বিষয়ের ওপরই জোর দিচ্ছিলেন - যে তার দলের সাথে অন্যায় করা হয়েছে।
"আমরা আজ সবকিছুতে সেরা ছিলাম। কিন্তু ফলাফল…কিছু বিষয় খেলার ফলকে প্রভাবিত করেছে, মাঠের বাইরে এবং মাঠের ভেতরে।"
মিসরের কোচের অভিযোগ, খেলার আগে আর্জেন্টিনা দল রেফারির ওপর চাপ প্রয়োগ করার ফলে ম্যাচে রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গিয়েছে।
হোসাম হাসান ছাড়াও মিসরের খেলোয়াড়দের অনেকে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় একই অভিযোগ তোলেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর মাঠে মিসরের গোলস্কোরার মোস্তফা জিকো আরবি ভাষায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। সে সময় তিনি দাবি করেন যে বিশ্বকাপ 'আর্জেন্টিনাকে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।'
মিসরের খেলোয়াড়দের এই অভিযোগের কারণ, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মিসরের একটি গোল ভিএআর রিভিউতে বাতিল হওয়া এবং আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের সময় মোহাম্মদ সালাহর একটি ফাউলের আপিল প্রত্যাখ্যাত হওয়া।
ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোল বাতিল
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে আর্জেন্টিনা ১-০ তে পিছিয়ে থাকার সময় মিসরের হাফের বাম প্রান্ত থেকে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজের কাছ থেকে বল নিয়ে ঐ প্রান্ত দিয়ে অ্যাটাক করে মিশর। মারমুশের রান থেকে বল যায় সালাহর কাছে, সালাহর পাস থেকে গোল করেন মোস্তফা জিকো।
জিকোসহ পুরো মিসর দল যখন উদযাপনে, তখন রেফারি খেলায় বিরতি ডাকেন ভিএআর রিভিউর জন্য। রিভিউ শেষে রেফারি সিদ্ধান্ত দেন যে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের কাছ থেকে বল নেওয়ার সময় মিসরের মারওয়ান আত্তিয়া তার পায়ে বুট দিয়ে পাড়া দিয়েছিলেন। কাজেই সেখানে ফাউল হয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় বাতিল হয় গোল।
লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে যে ফাউল করা হয়েছে, ভিএআরের রিভিউর পর তা নিয়ে সন্দেহ ছিল না। কিন্তু আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয় ফাউল হওয়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে মিসরের গোলের পর সেই ফাউলের সিদ্ধান্ত দেওয়া নিয়ে।
এই বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই অবশ্য রেফারি এবং অ্যাসিস্টান্ট রেফারিরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।
এমনকি পরিষ্কার অফসাইডের বেলায়ও সব ম্যাচেই বেশ কয়েক সেকেন্ড পর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সাইড লাইনে থাকা রেফারিরা।
এই সময়ের মধ্যে রেফারিরা ভিডিও টিমের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এবারের আসরের প্রায় সব ম্যাচেই রেফারিদের মধ্যে এমন প্র্যাকটিস দেখা গেছে।
তবে এমন সব যুক্তি স্বত্ত্বেও সাবেক ফুটবলার সহ ফুটবল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মিসরের গোল বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
সাবেক ফরাসি ফরোয়ার্ড থিয়েরি অঁরি ফক্স স্পোর্টসে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বলেন, "এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। মিসর, আফ্রিকা এবং সারা ফুটবল বিশ্বের সাথে অন্যায় হয়েছে।"
ফক্স স্পোর্টসে কমেন্ট্রি করা মেক্সিকো আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলা সাবেক ফুটবলার হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজের মতে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে করা ওই ফাউলটি যথেষ্ট 'সফট' ফাউল ছিল এবং তার মতে ঐ গোলটি বাতিল হওয়া উচিৎ হয়নি।
মোহাম্মদ সালাহর ফাউলের আবেদন নাকচ
আরেকটি বড় বিতর্ক তৈরি হয় আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের বিল্ড আপ নিয়ে। ম্যাচের ৯২ মিনিটে আর্জেন্টিনার ডি বক্সে সালাহর কাছ থেকে বল নেন হুলিয়ান আলভারেজ। সেখান থেকে বাড়ানো বল মাঠের অপর প্রান্তে লাউতারো মার্টিনেজের কাছে যায়। তার ক্রস থেকে গোল করে এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনাকে ৩-২ এ এগিয়ে নেন।
এই দফায়ও গোল নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না, কিন্তু আলভারেজ যখন সালাহর কাছ থেকে বল নেন তখন তাকে ফাউল করা হয় বলে আবেদন করেন মিসরের খেলোয়াড়রা। রেফারি অবশ্য সেই আবেদন আমলে নেননি, ভিএআরের কাছে রিভিউর জন্য যাননি।
এরপরই অভিযোগ ওঠে যে রেফারি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যাওয়া গোলের বিল্ড আপের সময় রিভিউ নিলে এই দফায় কেন রিভিউ নেননি।
ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলার ইয়ান রাইট যুক্তরাজ্যের আইটিভি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে ঠিক এই প্রশ্নই তোলেন। সাথে তিনি দাবি করেন যে সালাহকে ফাউল করার জন্য আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল বাতিল হওয়া উচিৎ।
তবে ঐ একই অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক অধিনায়ক রয় কিন ইয়ান রাইটের দাবির বিপরীতে মন্তব্য করেন যে সালাহ অতি অল্পেই পায়ের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন।
আবার রয় কিন রেফারির সিদ্ধান্তের বিষয়ে এই মন্তব্যও করেন যে, "আপনি যদি ফুটবলে (অতীতে) দেখেন, তাহলে দেখবেন বড় দলগুলো সাধারণত এসব (বিতর্কিত) সিদ্ধান্তের সুবিধা পায়। কিন্তু এমন সিদ্ধান্তের পরও আর্জেন্টিনার অর্জনকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ২-০ তে পিছিয়ে থেকে ১০-১১ মিনিট বাকি থাকার সময় তারা ম্যাচে ফিরে এসেছে।"
মিসরের খেলোয়াড়রা, কোচ এবং কোচিং স্টাফ নিশ্চিতভাবেই রয় কিনের এই মন্তব্যের সাথে একমত হবেন না। ম্যাচ শেষে মাঠে কান্নায় ভেঙে পড়া মিসরের গোলস্কোরার মোস্তফা জিকো লাইভ টিভিতেই বারবার বলতে থাকেন যে তাদের সাথে যা হয়েছে তা অন্যায়।
আর্জেন্টিনা দল অবশ্য তেমনটা মনে করে না। তাদের কাছে এই জয় তাদের দলের হার না মানা মনোভাবের ফল। ম্যাচ শেষে প্রেস কনফারেন্সে মেসির কণ্ঠে সেটিই শোনা গেলো।
"আজ দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ়তা, আত্মসম্মান আর চেষ্টার একটি প্রদর্শনী হয়েছে।"
"আমি এই দল নিয়ে গর্বিত। আজ আবারো প্রমাণ হয়েছে যে তারা কখনো হাল ছাড়ে না।"

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা পিছিয়ে পড়েছিল ১৫ মিনিটেই। ৫৮ মিনিটে এক গোল ভিএআর যাচাইয়ে বাতিল। ৬৭ মিনিটে আরও এক গোল। মোহাম্মদ সালাহর মিসরের কাছে ২-০ গোলে পিছিয়ে তখন আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে তিন তিনটি গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করলেন লিওনেল মেসিরা। ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মিসর ফাঁড়া কা
১৬ ঘণ্টা আগে
মাত্র ৪ মিনিটের ব্যবধান। এর মধ্যে লিওনেল মেসি একটি গোল করালেন, নিজে করলেন একটি। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর সমতায় ফিরল আর্জেন্টিনা।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের সন্ধানে থাকা দলটি উলটো গোল খেয়ে এখন ২ গোলে পিছিয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেকের পর ম্যাচের আর বাকি রয়েছে মাত্র ২২ থেকে ২৩ মিনিট। এর মধ্যে অন্তত দুটি গোল পরিশোধ করতে হবে তাদের।
১৭ ঘণ্টা আগে