
ক্রীড়া ডেস্ক

২০০৬ সালের ১৬ জুন। জার্মানি বিশ্বকাপে সার্বিয়া ও মন্টিনেগ্রোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে গোল করেন ১৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সী এক আর্জেন্টাইন। সেই গোলের মাধ্যমে তিনি পরিণত হন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতায়।
২০২৬ সালের ১৬ জুন। ঠিক ঠিক ২০ বছর পরের দিন। আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথন ম্যাচে মুখোমুখি আলজেরিয়ার। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা প্রথম যে গোলটি পেল, তা করলেন ৩৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সী এক ফুটবলার। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশি বয়সে আর কেউ গোল করেনি।
বিস্ময়কর হলো— ঠিক ঠিক ২০ বছরের ব্যবধানে এই দুই গোল করা ফুটবলার একজনই— লিওনেল মেসি!
হ্যাঁ, আরও বহু রেকর্ডের মতো ফুটবলের বরপুত্র মেসির পায়ে ধরা দিলো এমনই আরেক রেকর্ড। ২০ বছরের ব্যবধানে ইতিহাসের বৃত্ত পূরণ করলেন মেসি। যে রেকর্ডের শুরুটা হয়েছিল তার হাত ধরে, শেষটাও যেন তার হাতেই। আরও একবার কোটি ভক্তকে ভাসালেন আনন্দের উচ্ছ্বাসে।
এ যেন সময়ের এক অপূর্ব বৃত্ত। যেখানে শুরুতে ছিলেন এক কিশোর, আর শেষে এক কিংবদন্তি। মাঝখানে কেটে গেছে ২০ বছর, বদলে গেছে প্রজন্ম, এসেছে-গেছে অসংখ্য তারকা। কিন্তু মেসি রয়ে গেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে। এখনো সমান গোলক্ষুধা নিয়ে ম্যাচের পর ম্যাচে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন দলকে।
২০০৬ সালে যখন মেসি প্রথম গোলটি করেছিলেন, তখবো নিজেকে প্রমাণ করার লড়াইয়ে ছিলেন। আর ২০২৬ সালে এসে তিনি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক, আটটি ব্যালন ডি'অরের মালিক এবং ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছেন। তবু গোল করার পর তার উদযাপনের আবেগে যেন সেই তরুণ মেসিরই ছাপ দেখা যায়।
বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির ১৪তম গোল। সংখ্যাটি শুধু তার গোল করার সামর্থ্যের প্রমাণ নয়, বরং দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে টিকে থাকার এক অনন্য সাক্ষ্য। বিশ্ব ফুটবলে অনেকেই দ্রুত উজ্জ্বল হয়েছেন, আবার দ্রুতই হারিয়েও গেছেন। কিন্তু মেসি সময়কে হারিয়েছেন ধারাবাহিকতা, নিষ্ঠা এবং অসাধারণ প্রতিভা দিয়ে।
১৬ জুন তাই এখন শুধু একটি তারিখ নয়। এটি মেসির ক্যারিয়ারের দুই প্রান্তকে যুক্ত করা এক প্রতীক। একদিকে ১৮ বছর বয়সী স্বপ্নবাজ কিশোর, অন্যদিকে ৩৮ বছর বয়সী বিশ্বজয়ী কিংবদন্তি।
মাঝখানে কেবল ২০ বছরের পথচলা নয়— অসংখ্য গোল, ট্রফি, রেকর্ড, অশ্রু, হতাশা, আনন্দ আর অবশেষে বিশ্বকাপ জয়ের পরিপূর্ণতা।
কিছু রেকর্ড ভাঙার জন্য তৈরি হয়, কিছু রেকর্ড সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায়। কিন্তু এমন কিছু রেকর্ড থাকে, যা একজন খেলোয়াড় নিজেই শুরু করেন, আবার নিজেই পূর্ণতা দেন।
লিওনেল মেসির এই গল্প ঠিক তেমনই— সবচেয়ে তরুণও তিনি, সবচেয়ে প্রবীণও তিনিই। আর এ কারণেই হয়তো তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন, একটি যুগের নাম।

২০০৬ সালের ১৬ জুন। জার্মানি বিশ্বকাপে সার্বিয়া ও মন্টিনেগ্রোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে গোল করেন ১৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সী এক আর্জেন্টাইন। সেই গোলের মাধ্যমে তিনি পরিণত হন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতায়।
২০২৬ সালের ১৬ জুন। ঠিক ঠিক ২০ বছর পরের দিন। আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথন ম্যাচে মুখোমুখি আলজেরিয়ার। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা প্রথম যে গোলটি পেল, তা করলেন ৩৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সী এক ফুটবলার। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশি বয়সে আর কেউ গোল করেনি।
বিস্ময়কর হলো— ঠিক ঠিক ২০ বছরের ব্যবধানে এই দুই গোল করা ফুটবলার একজনই— লিওনেল মেসি!
হ্যাঁ, আরও বহু রেকর্ডের মতো ফুটবলের বরপুত্র মেসির পায়ে ধরা দিলো এমনই আরেক রেকর্ড। ২০ বছরের ব্যবধানে ইতিহাসের বৃত্ত পূরণ করলেন মেসি। যে রেকর্ডের শুরুটা হয়েছিল তার হাত ধরে, শেষটাও যেন তার হাতেই। আরও একবার কোটি ভক্তকে ভাসালেন আনন্দের উচ্ছ্বাসে।
এ যেন সময়ের এক অপূর্ব বৃত্ত। যেখানে শুরুতে ছিলেন এক কিশোর, আর শেষে এক কিংবদন্তি। মাঝখানে কেটে গেছে ২০ বছর, বদলে গেছে প্রজন্ম, এসেছে-গেছে অসংখ্য তারকা। কিন্তু মেসি রয়ে গেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে। এখনো সমান গোলক্ষুধা নিয়ে ম্যাচের পর ম্যাচে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন দলকে।
২০০৬ সালে যখন মেসি প্রথম গোলটি করেছিলেন, তখবো নিজেকে প্রমাণ করার লড়াইয়ে ছিলেন। আর ২০২৬ সালে এসে তিনি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক, আটটি ব্যালন ডি'অরের মালিক এবং ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছেন। তবু গোল করার পর তার উদযাপনের আবেগে যেন সেই তরুণ মেসিরই ছাপ দেখা যায়।
বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির ১৪তম গোল। সংখ্যাটি শুধু তার গোল করার সামর্থ্যের প্রমাণ নয়, বরং দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে টিকে থাকার এক অনন্য সাক্ষ্য। বিশ্ব ফুটবলে অনেকেই দ্রুত উজ্জ্বল হয়েছেন, আবার দ্রুতই হারিয়েও গেছেন। কিন্তু মেসি সময়কে হারিয়েছেন ধারাবাহিকতা, নিষ্ঠা এবং অসাধারণ প্রতিভা দিয়ে।
১৬ জুন তাই এখন শুধু একটি তারিখ নয়। এটি মেসির ক্যারিয়ারের দুই প্রান্তকে যুক্ত করা এক প্রতীক। একদিকে ১৮ বছর বয়সী স্বপ্নবাজ কিশোর, অন্যদিকে ৩৮ বছর বয়সী বিশ্বজয়ী কিংবদন্তি।
মাঝখানে কেবল ২০ বছরের পথচলা নয়— অসংখ্য গোল, ট্রফি, রেকর্ড, অশ্রু, হতাশা, আনন্দ আর অবশেষে বিশ্বকাপ জয়ের পরিপূর্ণতা।
কিছু রেকর্ড ভাঙার জন্য তৈরি হয়, কিছু রেকর্ড সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায়। কিন্তু এমন কিছু রেকর্ড থাকে, যা একজন খেলোয়াড় নিজেই শুরু করেন, আবার নিজেই পূর্ণতা দেন।
লিওনেল মেসির এই গল্প ঠিক তেমনই— সবচেয়ে তরুণও তিনি, সবচেয়ে প্রবীণও তিনিই। আর এ কারণেই হয়তো তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন, একটি যুগের নাম।

এই জয়কে আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে তিনি একদিকে যেমন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, তেমনি বিশ্বকাপেও উঠে এসেছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে।
৫ ঘণ্টা আগে
শুরুটা শঙ্কায়। শেষটা স্বস্তিতে। মাঝের সময়টা আর্জেন্টিনা পার করেছে লিওনেল মেসিতে ভর করে। একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। পেয়েছেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক। সেইসঙ্গে ১৬ গোল করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিকও এখন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
এক ম্যাচেই যেন সময়কে আবারও হারিয়ে দিলেন মেসি। এর বাইরেও আরও এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি জাতীয় দলের হয়ে। ২০ বছর আগে ঠিক ১৬ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে গোলস্কোরার হয়েছিলেন তিনি। আলজেরিয়ার এ ম্যাচে গোল করে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডও নিজের করে নিয়ে
৭ ঘণ্টা আগে
একপর্যায়ে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের একটি অংশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা থেকে ধাক্কাধাক্কি ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে চারপাশে ব্যাপক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে