
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ফ্রান্স শুরুতেই শক্ত প্রতিপক্ষ সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে। তবে এই জয়কে আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে তিনি একদিকে যেমন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, তেমনি বিশ্বকাপেও উঠে এসেছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে বেশ ভুগিয়েছে সেনেগাল। আফ্রিকার দলটি আক্রমণে ছিল বেশি তৎপর। ২৫তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে এগিয়েও যেতে পারত তারা। প্রথমার্ধে মাত্র একটি শট নিতে পারে ফ্রান্স, আর এমবাপ্পের বলের স্পর্শও ছিল খুবই সীমিত।
তবে বিরতির পর পালটে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬২তম মিনিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত পাস ধরে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এরপর বদলি খেলোয়াড় ব্র্যাডলি বারকোলা ৭৯তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
কয়েক মিনিট পরেই ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ দেন সেনেগালের হয়ে। কিন্তু শেষ কথা বলেন এমবাপ্পেই। যোগ করা সময়ে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। অসাধারণ সেই গোলটি এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের দাবিদার হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
এই জোড়া গোলে ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮-তে। এতে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অলিভিয়ের জিরুকে এবং হয়েছেন ফরাসি জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বকাপেও এমবাপ্পের গোল এখন ১৪টি। ফলে তিনি জার্মান কিংবদন্তি জার্ড মুলারের সমান গোল করে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তার সামনে এখন শুধু আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, যাদের দুজনেরই গোল ১৬টি।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে বলেন, ‘নিজ দেশের ইতিহাসে নিজের নাম আরও একটু লিখতে পারায় আমি আনন্দিত। তবে আমরা জানি, আমাদের লক্ষ্য কী। রেকর্ড নিয়ে ভাবার সময় পরে আসবে। এখন লক্ষ্য দলকে আরও এগিয়ে নেওয়া।’
প্রথমার্ধে চাপে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের চেনা ছন্দে ফিরে এসে ফ্রান্স বুঝিয়ে দিয়েছে, কেন তাদের আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার ধরা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ফ্রান্স শুরুতেই শক্ত প্রতিপক্ষ সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে। তবে এই জয়কে আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। জোড়া গোল করে তিনি একদিকে যেমন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, তেমনি বিশ্বকাপেও উঠে এসেছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে বেশ ভুগিয়েছে সেনেগাল। আফ্রিকার দলটি আক্রমণে ছিল বেশি তৎপর। ২৫তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে এগিয়েও যেতে পারত তারা। প্রথমার্ধে মাত্র একটি শট নিতে পারে ফ্রান্স, আর এমবাপ্পের বলের স্পর্শও ছিল খুবই সীমিত।
তবে বিরতির পর পালটে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬২তম মিনিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত পাস ধরে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এরপর বদলি খেলোয়াড় ব্র্যাডলি বারকোলা ৭৯তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
কয়েক মিনিট পরেই ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ দেন সেনেগালের হয়ে। কিন্তু শেষ কথা বলেন এমবাপ্পেই। যোগ করা সময়ে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। অসাধারণ সেই গোলটি এরই মধ্যে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের দাবিদার হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
এই জোড়া গোলে ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮-তে। এতে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অলিভিয়ের জিরুকে এবং হয়েছেন ফরাসি জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
বিশ্বকাপেও এমবাপ্পের গোল এখন ১৪টি। ফলে তিনি জার্মান কিংবদন্তি জার্ড মুলারের সমান গোল করে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তার সামনে এখন শুধু আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, যাদের দুজনেরই গোল ১৬টি।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে বলেন, ‘নিজ দেশের ইতিহাসে নিজের নাম আরও একটু লিখতে পারায় আমি আনন্দিত। তবে আমরা জানি, আমাদের লক্ষ্য কী। রেকর্ড নিয়ে ভাবার সময় পরে আসবে। এখন লক্ষ্য দলকে আরও এগিয়ে নেওয়া।’
প্রথমার্ধে চাপে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের চেনা ছন্দে ফিরে এসে ফ্রান্স বুঝিয়ে দিয়েছে, কেন তাদের আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার ধরা হচ্ছে।

প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৭ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৭ দিন আগে
উয়েফা জানিয়েছে, সদস্যদেশগুলো চলতি সপ্তাহেই ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অবস্থান জানাবে। এর ফলে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা এখন বড় বাধার মুখে পড়েছে।
৭ দিন আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের পর মাঠে সংঘর্ষে জড়িত কয়েকজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
৮ দিন আগে