
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের এক বিরল সিদ্ধান্তে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোক। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে লাল কার্ড পাওয়ার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি, মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তারকা।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে, যখন দুই দল ১-১ সমতায় ছিল। বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এমবোলো। এ সময় তাকে আটকাতে চ্যালেঞ্জ করেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস।
মাঠের রেফারি জোয়াও পিনহেইরো প্রথমে মনে করেন পারেদেস ফাউল করেছেন। এ কারণে আর্জেন্টিনার এই খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান তিনি। তবে ভিএআর কর্মকর্তা গিয়ের্মো পাচেকো বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রেফারিকে মনিটরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
রিপ্লে দেখে ম্যাচ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছান, পারেদেসের সঙ্গে এমবোলোর কোনো ফাউল হওয়ার মতো সংস্পর্শ হয়নি। বরং ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে এমবোলো ডাইভ দিয়েছেন বলে বিবেচনা করা হয়।
এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়ম প্রয়োগ করে পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয়। একই ঘটনায় এমবোলোকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ম্যাচের শুরুতে তিনি এর আগে একটি হলুদ কার্ড দেখায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়।
ভিএআরের সিদ্ধান্তে ম্যাচের গতিপথও বদলে যায়। লাল কার্ড দেখার পর এমবোলো দুই হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাঠ ছাড়েন তিনি।
এর আগে ম্যাচের ১০তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সুইজারল্যান্ড। ৬৭তম মিনিটে দান এনদয়ের গোলে সমতায় ফেরে তারা।
কিন্তু এমবোলোর বিদায়ের পর ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের আক্রমণের ধার কমে যায়। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
সাবেক মার্কিন গোলরক্ষক ব্র্যাড ফ্রিডেল বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হতে পারে। তবে সাবেক ফুটবলার ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপস মনে করেন, এমবোলোর ভুলে তার দল সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ হারাতে পারে।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ভিএআরের এক বিরল সিদ্ধান্তে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোক। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে লাল কার্ড পাওয়ার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি, মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তারকা।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে, যখন দুই দল ১-১ সমতায় ছিল। বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এমবোলো। এ সময় তাকে আটকাতে চ্যালেঞ্জ করেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস।
মাঠের রেফারি জোয়াও পিনহেইরো প্রথমে মনে করেন পারেদেস ফাউল করেছেন। এ কারণে আর্জেন্টিনার এই খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান তিনি। তবে ভিএআর কর্মকর্তা গিয়ের্মো পাচেকো বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রেফারিকে মনিটরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
রিপ্লে দেখে ম্যাচ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছান, পারেদেসের সঙ্গে এমবোলোর কোনো ফাউল হওয়ার মতো সংস্পর্শ হয়নি। বরং ফাউল আদায়ের উদ্দেশ্যে এমবোলো ডাইভ দিয়েছেন বলে বিবেচনা করা হয়।
এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়ম প্রয়োগ করে পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয়। একই ঘটনায় এমবোলোকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ম্যাচের শুরুতে তিনি এর আগে একটি হলুদ কার্ড দেখায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে পরিণত হয়।
ভিএআরের সিদ্ধান্তে ম্যাচের গতিপথও বদলে যায়। লাল কার্ড দেখার পর এমবোলো দুই হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মাঠ ছাড়েন তিনি।
এর আগে ম্যাচের ১০তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সুইজারল্যান্ড। ৬৭তম মিনিটে দান এনদয়ের গোলে সমতায় ফেরে তারা।
কিন্তু এমবোলোর বিদায়ের পর ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের আক্রমণের ধার কমে যায়। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
সাবেক মার্কিন গোলরক্ষক ব্র্যাড ফ্রিডেল বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হতে পারে। তবে সাবেক ফুটবলার ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপস মনে করেন, এমবোলোর ভুলে তার দল সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ হারাতে পারে।

প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। হারারেতে শনিবার ৭ উইকেটের জয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে টাইগাররা। তবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
১ দিন আগে
আর্জেন্টিনা যেখানে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেখানে সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে। বিশ্বকাপের শিরোপা তো দূরের কথা, এর আগে কখনো সেমি-ফাইনালেও খেলতে পারেনি দলটি। তবে এবারের আসরে তাদের চোখ এখন আরও বড় সাফল্যের দিকে।
১ দিন আগে
জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও ব্যর্থ বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যেই সিরিজ খুইয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তাই আজ শনিবার হারারেতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে তাদের লক্ষ্য শুধু জয় নয়, হোয়াইটওয়াশ এড়ানোও। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এ
১ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। যার ফলশ্রুতিতে ম্যাচের ৩০ মিনিটেই লিড নেয় তারা। দানি ওলমোর একটি দুর্দান্ত আক্রমণ বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ফাবিয়ান রুইজ।
২ দিন আগে