
ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কার্লো আনচেলত্তির দলের হয়ে জোড়া গোল করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এর মাধ্যমে চলতি আসরে তিন ম্যাচে চার গোল করে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মের জানান দিলেন এই তারকা। ম্যাচের অন্য গোলটি করেন মাতেউস কুনিয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে সেলেসাওরা। সপ্তম মিনিটে স্কটিশ ডিফেন্ডার স্কট ম্যাকেনার ভুল থেকে বল কেড়ে নিয়ে রায়ান পাস দেন ভিনিসিয়ুসকে, যা থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। অবশ্য বল দখলের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে সামান্য স্পর্শ করার অজুহাতে ভিনির আরও একটি গোল বাতিল না হলে এবং দ্বিতীয়ার্ধে স্কটিশ গোলরক্ষক গান দারুণ কিছু সেভ না করলে হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন তিনি।
ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের অ্যাসিস্ট থেকে ব্রাজিলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন কুনিয়া। পুরো ম্যাচে স্কটল্যান্ড তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি; ম্যাকটমিনের দুটি হেডার ও ফার্গুসনের শট ছাড়া বড় কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা। এই জয়ে ব্রাজিল ‘শেষ বত্রিশে’ পা রাখলেও, গোল ব্যবধানে মাইনাস তিনে থাকা স্কটল্যান্ডের পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা এখন সুতোয় ঝুলছে।
তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে শেষ দিকে, যখন দীর্ঘ ৯৮২ দিন পর চোট ও পুনর্বাসনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামেন নেইমার। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর প্রথমবার মাঠে নেমে নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের রেকর্ড গড়লেন এই সান্তোস তারকা। আনচেলত্তির অধীনে আরও স্বাধীন ও কেন্দ্রীয় ভূমিকায় ভিনির এই বিধ্বংসী রূপ এবং নেইমারের প্রত্যাবর্তন নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিলকে আরও শক্তিশালী করে তুললো।
রাজনীতি/এসআর

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কার্লো আনচেলত্তির দলের হয়ে জোড়া গোল করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এর মাধ্যমে চলতি আসরে তিন ম্যাচে চার গোল করে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মের জানান দিলেন এই তারকা। ম্যাচের অন্য গোলটি করেন মাতেউস কুনিয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে সেলেসাওরা। সপ্তম মিনিটে স্কটিশ ডিফেন্ডার স্কট ম্যাকেনার ভুল থেকে বল কেড়ে নিয়ে রায়ান পাস দেন ভিনিসিয়ুসকে, যা থেকে নিখুঁত শটে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। অবশ্য বল দখলের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে সামান্য স্পর্শ করার অজুহাতে ভিনির আরও একটি গোল বাতিল না হলে এবং দ্বিতীয়ার্ধে স্কটিশ গোলরক্ষক গান দারুণ কিছু সেভ না করলে হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন তিনি।
ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের অ্যাসিস্ট থেকে ব্রাজিলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন কুনিয়া। পুরো ম্যাচে স্কটল্যান্ড তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি; ম্যাকটমিনের দুটি হেডার ও ফার্গুসনের শট ছাড়া বড় কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা। এই জয়ে ব্রাজিল ‘শেষ বত্রিশে’ পা রাখলেও, গোল ব্যবধানে মাইনাস তিনে থাকা স্কটল্যান্ডের পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা এখন সুতোয় ঝুলছে।
তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে শেষ দিকে, যখন দীর্ঘ ৯৮২ দিন পর চোট ও পুনর্বাসনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামেন নেইমার। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর প্রথমবার মাঠে নেমে নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের রেকর্ড গড়লেন এই সান্তোস তারকা। আনচেলত্তির অধীনে আরও স্বাধীন ও কেন্দ্রীয় ভূমিকায় ভিনির এই বিধ্বংসী রূপ এবং নেইমারের প্রত্যাবর্তন নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিলকে আরও শক্তিশালী করে তুললো।
রাজনীতি/এসআর

ম্যাচের শুরু থেকেই চলে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। তবে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির দারুণ কিছু সেভে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ ও ড্যানিয়েল মুনোজের দুটি প্রচেষ্টা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
৪০ বছর বয়সী মদ্রিচ এই ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিরল এক মাইলফলক স্পর্শ করেন। তিনি এখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে জাতীয় দলের হয়ে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন। ম্যাচ শেষে সতীর্থরা বিশেষ টি-শার্ট পরে এই অর্জন উদ্যাপন করেন।
১ দিন আগে
ম্যাচের আগে অধিনায়ক হ্যারি কেন সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, আগের তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর ইতিহাস রয়েছে ইংল্যান্ডের। এবার সেই ভুল না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যপট বদলাতে পারেনি।
১ দিন আগে
জাতীয় দলের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচে কোনো গোল পাননি সিআর৭-খ্যাত রোনালদো। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে আর ভক্ত-সমর্থকদের উল্লাসে ভাসাতে সময় নেননি তিনি। ষষ্ঠ মিনিটেই গোলের দেখা পান তিনি। এর মধ্য দিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে প্রতিটিতেই গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েন তিনি। এমন রেকর্ড আর কারও নেই।
১ দিন আগে