
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এ সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের প্রতি অবিচার হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। তবে ভারতের সাবেক পেসার চেতন শর্মার দাবি, বাংলাদেশের নির্বাচনের পর এ অবস্থান থেকে ‘ইউটার্ন’ নিতে পারে পাকিস্তান।
সম্প্রতি সালাম ক্রিকেট ২০২৬ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে চেতন শর্মা এ মন্তব্য করেন।
চেতন শর্মার মতে, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থান মূলত ওই নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ। ১২ ফেব্রুয়ারির পর পাকিস্তান সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে বলতে পারে—জনগণের আবেগের কথা বিবেচনা করে এবং ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলবে।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শর্মা আরও বলেন, সম্ভবত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান নিজেই হস্তক্ষেপ করবেন এবং খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়ে ম্যাচটি খেলার সবুজ সংকেত দেবেন।
পাকিস্তান এখন পর্যন্ত আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ বয়কটের বিষয়ে কোনো লিখিত চিঠি দেয়নি। এ প্রসঙ্গে চেতন শর্মা বলেন, “শুধু বিবৃতি দিয়ে কোনো লাভ নেই। যতক্ষণ না অফিশিয়াল চিঠি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ এসব কথার বাস্তব কোনো মূল্য নেই। অবসরের ঘোষণার মতোই—অফিশিয়াল না হলে সেটার গুরুত্ব থাকে না।”
এদিকে পাকিস্তানের অধিনায়ক জানিয়েছেন, ভারতের বিপক্ষে খেলা বা না খেলার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভরশীল। সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হলেও সরকারের অনুমতি প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে ভারতীয় অধিনায়ক স্পষ্ট করে বলেছেন, ভারত পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী কলম্বোয় যাবে। পাকিস্তান খেলবে কি না, তা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এ সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের প্রতি অবিচার হিসেবে উল্লেখ করে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। তবে ভারতের সাবেক পেসার চেতন শর্মার দাবি, বাংলাদেশের নির্বাচনের পর এ অবস্থান থেকে ‘ইউটার্ন’ নিতে পারে পাকিস্তান।
সম্প্রতি সালাম ক্রিকেট ২০২৬ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে চেতন শর্মা এ মন্তব্য করেন।
চেতন শর্মার মতে, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থান মূলত ওই নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ। ১২ ফেব্রুয়ারির পর পাকিস্তান সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে বলতে পারে—জনগণের আবেগের কথা বিবেচনা করে এবং ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলবে।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শর্মা আরও বলেন, সম্ভবত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান নিজেই হস্তক্ষেপ করবেন এবং খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়ে ম্যাচটি খেলার সবুজ সংকেত দেবেন।
পাকিস্তান এখন পর্যন্ত আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ বয়কটের বিষয়ে কোনো লিখিত চিঠি দেয়নি। এ প্রসঙ্গে চেতন শর্মা বলেন, “শুধু বিবৃতি দিয়ে কোনো লাভ নেই। যতক্ষণ না অফিশিয়াল চিঠি দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ এসব কথার বাস্তব কোনো মূল্য নেই। অবসরের ঘোষণার মতোই—অফিশিয়াল না হলে সেটার গুরুত্ব থাকে না।”
এদিকে পাকিস্তানের অধিনায়ক জানিয়েছেন, ভারতের বিপক্ষে খেলা বা না খেলার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভরশীল। সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হলেও সরকারের অনুমতি প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে ভারতীয় অধিনায়ক স্পষ্ট করে বলেছেন, ভারত পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী কলম্বোয় যাবে। পাকিস্তান খেলবে কি না, তা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

গত বছরের নভেম্বর মাসে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৩১ জানুয়ারি রিপোর্টটি সম্পন্ন হয় এবং ২ ফেব্রুয়ারি তা বিসিবি সভাপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২ দিন আগে
গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্র, পাপুয়া নিউগিনি, নামিবিয়া ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। এরপর সুপার সিক্সে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে মূলপর্বের টিকিট নিশ্চিত করে টাইগ্রেসরা। পরে স্কটল্যান্ড ও গতকাল নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত করে বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হলো টাইগ্রেসরা।
৫ দিন আগে
ব্যাখ্যা করে আইসিসি বলছে, এমন টুর্নামেন্টে যোগ্যতা অর্জনকারী সব দল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সমান শর্তে খেলবে— এটিই স্বাভাবিক। আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোও গড়ে উঠেছে ক্রীড়াসুলভ সততা, প্রতিযোগিতা, ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে। এর মধ্যে বেছে বেছে খেলায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত এ প্রতিযোগিতার চেতনা ও মর্যাদা
৫ দিন আগে
ধূমকেতু একাদশের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং তার সহকারী হিসেবে থাকবেন মোহাম্মদ আশরাফুল। দুর্বার একাদশের দেখভাল করবেন মিজানুর রহমান এবং তার সহকারী রাখা হয়েছে তুষার ইমরানকে। দুরন্ত একাদশের প্রধান কোচ হান্নান সরকার এবং তার সহকারী থাকবেন রাজিন সালেহ।
৫ দিন আগে