
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাছাইপর্বে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো পরাশক্তিদের হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে দারুণ কিছুর আভাসই দিচ্ছিল প্যারাগুয়ে। তবে নিজেদের ডেরায় লাতিন আমেরিকার এই দলটিকে পাত্তাই দিল না টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ফোলারিন বালোগুনের জোড়া গোল ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনীতে প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। এই বিশাল জয়ের মধ্য দিয়ে ঘরের মাঠে স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করল স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় প্যারাগুয়ে। খেলার ৭ম মিনিটে মার্কিন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে বসেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ডামিয়ান বোবাদিয়া। এই আত্মঘাতী গোলে ১-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের ম্যাজিক।
খেলার ৩১তম মিনিটে পুলিসিকের নিখুঁত পাস থেকে ডান পায়ের শটে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বালোগুন। এর আগে ২৮ মিনিটে তাঁর একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে হ্যাটট্রিকের দেখাও পেয়ে যেতে পারতেন এই তারকা। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+৫ মিনিট) মালিক টিলম্যানের পাস থেকে ম্যাচ নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন বালোগুন। প্রথমার্ধে প্রায় ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে মার্কিনিরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধে মরিয়া প্যারাগুয়ে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাওরিচিওর গোলে ব্যবধান কিছুটা কমায় (৩-১)। তবে ম্যাচের একদম শেষ মিনিটে (অতিরিক্ত সময়ে) বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের চমৎকার বাঁকানো শটে প্যারাগুয়ের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন গিওভ্যানি রেইনা। ফলে ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ৯৬ বছর পর প্যারাগুয়ের বিপক্ষে এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপেও দলটিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। এই জয়ের ফলে বিশ্বমঞ্চে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নিজেদের শতভাগ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখল স্বাগতিকরা।

বাছাইপর্বে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মতো পরাশক্তিদের হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে দারুণ কিছুর আভাসই দিচ্ছিল প্যারাগুয়ে। তবে নিজেদের ডেরায় লাতিন আমেরিকার এই দলটিকে পাত্তাই দিল না টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ফোলারিন বালোগুনের জোড়া গোল ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনীতে প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। এই বিশাল জয়ের মধ্য দিয়ে ঘরের মাঠে স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করল স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় প্যারাগুয়ে। খেলার ৭ম মিনিটে মার্কিন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে বসেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ডামিয়ান বোবাদিয়া। এই আত্মঘাতী গোলে ১-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের ম্যাজিক।
খেলার ৩১তম মিনিটে পুলিসিকের নিখুঁত পাস থেকে ডান পায়ের শটে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বালোগুন। এর আগে ২৮ মিনিটে তাঁর একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে হ্যাটট্রিকের দেখাও পেয়ে যেতে পারতেন এই তারকা। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+৫ মিনিট) মালিক টিলম্যানের পাস থেকে ম্যাচ নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন বালোগুন। প্রথমার্ধে প্রায় ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে মার্কিনিরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধে মরিয়া প্যারাগুয়ে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাওরিচিওর গোলে ব্যবধান কিছুটা কমায় (৩-১)। তবে ম্যাচের একদম শেষ মিনিটে (অতিরিক্ত সময়ে) বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের চমৎকার বাঁকানো শটে প্যারাগুয়ের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন গিওভ্যানি রেইনা। ফলে ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ৯৬ বছর পর প্যারাগুয়ের বিপক্ষে এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপেও দলটিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। এই জয়ের ফলে বিশ্বমঞ্চে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নিজেদের শতভাগ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রাখল স্বাগতিকরা।

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বেতন নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে।
৩ দিন আগে
রোনালদোর সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন আর্সেনাল ও ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। একসময় মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার তারা একই প্রজেক্টে কাজ করবেন।
৩ দিন আগে
নতুন মৌসুমের সূচনা হবে স্প্যানিশ লা লিগা দিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধনী ম্যাচে আলাভেসের মুখোমুখি হবে গেতাফে।
৫ দিন আগে
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৭ দিন আগে