
ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের খেলতে না যাওয়ার উদাহরণ টেনে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে— আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া তো ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা খেলতে যায়নি, ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি, নিউজিল্যান্ড কানাডাতে খেলতে যায়নি। এতে কি তাদের ক্রিকেট থেমে গেছে, নাকি বন্ধ হয়ে গেছে? বাংলাদেশ যদি একটা বিশ্বকাপ না খেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটও বন্ধ হবে না।’
এদিকে নিরাপত্তা শঙ্কাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে ভারতের টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দল থেকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘিরে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্যায়ের তিনটি ম্যাচেই পড়েছে ভারতে— দুটি কলকাতায় ও একটি মুম্বাইয়ে।
সরকার ও বিসিবি বারবারই স্পষ্টভাবে আইসিসিকে জানিয়েছে, ভারতে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব না। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বাংলাদেশের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের ম্যাচগুলো বিশ্বকাপের সহআয়োজক শ্রীলংকায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের গ্রুপ পরিবর্তন করে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে এসব বৈঠকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হলেও তাতে কাজ হয়নি।
বাংলাদেশের অনড় অবস্থানের প্রেক্ষাপটে গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে বসে আইসিসি। বৈঠকে বাংলাদেশ খেলতে না গেলে তার জায়গায় নতুন একটি দলকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বোর্ড সদস্য ভোট দিয়েছে।
আইসিসির সূত্রগুলো জানাচ্ছে, আইসিসি বিসিবিকে স্পষ্টভাবে বলেছে— বাংলাদেশ সরকারকে জানাতে হবে যে ভারত সফর প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তে অটল থাকলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গা থাকবে না। এ সিদ্ধান্তের পর বোর্ডে ওই ভোট হয়, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গতকাল বিসিবিকে আরও এক দিন সময় দিয়েছে আইসিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া না এলে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হতে পারে।

বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের খেলতে না যাওয়ার উদাহরণ টেনে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হবে— আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া তো ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা খেলতে যায়নি, ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি, নিউজিল্যান্ড কানাডাতে খেলতে যায়নি। এতে কি তাদের ক্রিকেট থেমে গেছে, নাকি বন্ধ হয়ে গেছে? বাংলাদেশ যদি একটা বিশ্বকাপ না খেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটও বন্ধ হবে না।’
এদিকে নিরাপত্তা শঙ্কাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে ভারতের টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দল থেকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘিরে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্যায়ের তিনটি ম্যাচেই পড়েছে ভারতে— দুটি কলকাতায় ও একটি মুম্বাইয়ে।
সরকার ও বিসিবি বারবারই স্পষ্টভাবে আইসিসিকে জানিয়েছে, ভারতে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব না। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বাংলাদেশের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের ম্যাচগুলো বিশ্বকাপের সহআয়োজক শ্রীলংকায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের গ্রুপ পরিবর্তন করে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে এসব বৈঠকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হলেও তাতে কাজ হয়নি।
বাংলাদেশের অনড় অবস্থানের প্রেক্ষাপটে গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে বসে আইসিসি। বৈঠকে বাংলাদেশ খেলতে না গেলে তার জায়গায় নতুন একটি দলকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ বোর্ড সদস্য ভোট দিয়েছে।
আইসিসির সূত্রগুলো জানাচ্ছে, আইসিসি বিসিবিকে স্পষ্টভাবে বলেছে— বাংলাদেশ সরকারকে জানাতে হবে যে ভারত সফর প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তে অটল থাকলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গা থাকবে না। এ সিদ্ধান্তের পর বোর্ডে ওই ভোট হয়, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গতকাল বিসিবিকে আরও এক দিন সময় দিয়েছে আইসিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া না এলে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হতে পারে।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ইস্যুতে আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তন করবে না— একটি প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ক্রিকেটভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। এবার আরও বড় খবর দিল ফ্রান্সের বার্তাসংস্থা এএফপি— বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায়, তবে সেই জায়গা পূরণে স্কটল্যান্ডকে ডাকবে আইসিসি।
৩ দিন আগে
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ‘জিও সুপার’ এক প্রতিবেদনে এমন চমকপ্রদ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে দল না পাঠানোর ব্যাপারে বিসিবির সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পিসিবি। বাংলাদেশের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগকে যৌক্তিক ও বৈধ বলেও অভিহিত করেছে তারা।
৩ দিন আগে
নেপালের কাঠমান্ডুতে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের গ্রুপ ‘বি’-তে প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ২১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
৪ দিন আগে
আইসিসির এ প্রতিনিধির সঙ্গে প্রথম দিনের আলোচনা শেষে বিসিবি জানিয়েছে, দুপক্ষের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। বিসিবি বাংলাদেশের পক্ষে ভারতে না যাওয়ার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। লজিস্টিক্যাল সমন্বয় ন্যূনতম রাখতে বাংলাদেশের গ্রুপ পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
৫ দিন আগে