
ক্রীড়া ডেস্ক

কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। সুইসদের কাছে হারলেও রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে কানাডাও। একই সময়ে অনুষ্ঠিত গ্রুপের অন্য ম্যাচে কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। অন্যদিকে, এই হারের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে কাতারের।
সুইজারল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৭ পয়েন্ট নিয়ে। বসনিয়ার সমান ৪ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় কানাডা হয়েছে দ্বিতীয়। তৃতীয় হওয়া বসনিয়ার নকআউট নির্ভর করছে অন্য গ্রুপগুলোর তৃতীয় হওয়ার দৌড়ে থাকার দলগুলোর ওপর। ১২ দলের মধ্যে সেরা আটে থাকতে পারলেই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেবে তারা। বাদ পড়েছে কাতার।
আগের ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট অর্জন করা বসনিয়া এই ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে। ২৯ মিনিটে কেরিম আলাজবেগোভিচের লিড এনে দেওয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান ২-০ করে তারা। দ্বিতীয় গোলটি অবশ্য কাতারের ভুলে। সুলতান আল ব্রেক আত্মঘাতী গোলটি করেন।
বিরতির কয়েক মিনিট আগে কাতারের পক্ষে হাসান গোল করে ব্যবধান কমান। তাকে সহায়তা করেন এডমিলসন জুনিয়র। দলটি বিরতিতে যেতে পারত সমতায় ফিরে, যদি না পেড্রো মিগুয়েলের গোলটি হত। তবে তাদের আর গোল করা হয়নি, ফেরা হয়নি ম্যাচেও। উলটো ৮০ মিনিটে এরমিন মাহমিচ গোল করলে কাতারের আশা একপ্রকার শেষ হয়ে যায়।
কাতার-বসনিয়া ম্যাচ প্রথমার্ধে ৩ গোল দেখলেও সুইজারল্যান্ড-কানাডা ম্যাচে প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল হয়নি। তবে বিরতি থেকে ফিরেই রুবেন ভারগাস সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। ৫৭ মিনিটে তাদের আরেকটি গোল, এবার জাল কাঁপান জোহান মানজাম্বি। ৭৬ মিনিটে প্রমিস ডেভিডের গোল কানাডার পক্ষে কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, ম্যাচের ফল আর বদলাতে পারেনি।
রাজনীতি/এসআর

কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। সুইসদের কাছে হারলেও রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে কানাডাও। একই সময়ে অনুষ্ঠিত গ্রুপের অন্য ম্যাচে কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। অন্যদিকে, এই হারের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে কাতারের।
সুইজারল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৭ পয়েন্ট নিয়ে। বসনিয়ার সমান ৪ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় কানাডা হয়েছে দ্বিতীয়। তৃতীয় হওয়া বসনিয়ার নকআউট নির্ভর করছে অন্য গ্রুপগুলোর তৃতীয় হওয়ার দৌড়ে থাকার দলগুলোর ওপর। ১২ দলের মধ্যে সেরা আটে থাকতে পারলেই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেবে তারা। বাদ পড়েছে কাতার।
আগের ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট অর্জন করা বসনিয়া এই ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে। ২৯ মিনিটে কেরিম আলাজবেগোভিচের লিড এনে দেওয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান ২-০ করে তারা। দ্বিতীয় গোলটি অবশ্য কাতারের ভুলে। সুলতান আল ব্রেক আত্মঘাতী গোলটি করেন।
বিরতির কয়েক মিনিট আগে কাতারের পক্ষে হাসান গোল করে ব্যবধান কমান। তাকে সহায়তা করেন এডমিলসন জুনিয়র। দলটি বিরতিতে যেতে পারত সমতায় ফিরে, যদি না পেড্রো মিগুয়েলের গোলটি হত। তবে তাদের আর গোল করা হয়নি, ফেরা হয়নি ম্যাচেও। উলটো ৮০ মিনিটে এরমিন মাহমিচ গোল করলে কাতারের আশা একপ্রকার শেষ হয়ে যায়।
কাতার-বসনিয়া ম্যাচ প্রথমার্ধে ৩ গোল দেখলেও সুইজারল্যান্ড-কানাডা ম্যাচে প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল হয়নি। তবে বিরতি থেকে ফিরেই রুবেন ভারগাস সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। ৫৭ মিনিটে তাদের আরেকটি গোল, এবার জাল কাঁপান জোহান মানজাম্বি। ৭৬ মিনিটে প্রমিস ডেভিডের গোল কানাডার পক্ষে কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, ম্যাচের ফল আর বদলাতে পারেনি।
রাজনীতি/এসআর

বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
১ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
১ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
২ দিন আগে
৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।
২ দিন আগে