
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই কিছু অপ্রত্যাশিত নায়ক উঠে আসে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই তালিকার বড় অংশজুড়ে রয়েছেন গোলরক্ষকেরা। কুরাসাও, কেপ ভার্দে, ডিআর কঙ্গোর মতো প্রথমবার বা দীর্ঘ বিরতির পর আসা দলগুলোকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছেন তাদের শেষ প্রহরীরা। কারও হাতে আটকে গেছেন লিওনেল মেসি, কেউ বিদায় করে দিয়েছেন জার্মানিকে, আবার কেউ নিজের জীবনসংগ্রামকে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
৪০ বছর বয়সী কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত নাম। চার ম্যাচে আটটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে একাই করেছেন সাতটি সেভ, আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও আটবার রক্ষা করেছেন দলকে। এমনকি মেসির শটও ফিরিয়েছেন তিনি। সতীর্থরা যখন হতাশায় ভেঙে পড়েছেন, তখন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষকই তাদের সাহস জুগিয়েছেন।
কুরাসাওর গল্পটাও কম নাটকীয় নয়। জার্মানির কাছে সাত গোল হজম করার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন তাদের বিশ্বকাপ শেষ। কিন্তু পরের ম্যাচেই ডার্ক হর্স ইকুয়েডরের বিপক্ষে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এলয় রুম। ১৫টি সেভ করে গড়েন নতুন রেকর্ড, আর কুরাসাও পায় বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারেনি ক্যারিবীয় দেশটি।
জার্মানির বিদায়ের নেপথ্য নায়ক ছিলেন ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল। শেষ ৩২-এর ম্যাচে শুধু নির্ধারিত সময়েই দুর্দান্ত ছিলেন না, টাইব্রেকারেও দুটি শট ঠেকিয়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় নিশ্চিত করেন। অথচ চার বছর আগেও সদ্যজাত সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের জার্সি, বুটসহ খেলাধুলার সরঞ্জাম বিক্রি করতে হয়েছিল তাকে। জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করেন অসুস্থ ভাইপোকে।
ইরানের হয়ে আরেকটি অনবদ্য পারফরম্যান্স আসে আলিরেজা বেইরানভান্দের কাছ থেকে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে সাতটি সেভ করে তিনি দলের রক্ষাকবচ হন। দরিদ্র যাযাবর কুর্দি পরিবারে জন্ম নেওয়া এই গোলরক্ষক কৈশোরে স্বপ্নের টানে বাড়ি ছেড়ে তেহরানে চলে যান। জীবিকার জন্য ঝাড়ুদার, গাড়ি ধোয়া ও টায়ার পরিষ্কারের কাজ করেছেন। সেই মানুষটির হাতেই আটকে যান কেভিন ডি ব্রুইনে ও রোমেলু লুকাকুর মতো তারকারা।
ঘানার বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে কলম্বিয়ার কাছে হেরে। তবে টুর্নামেন্টে আলোচনায় ছিলেন তাদের দুই গোলরক্ষক। লরেন্স আলি জিঘি শেষ ৩২-এর ম্যাচে খেললেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নজর কেড়েছিলেন বেনজামিন আসারে। ঘানার ক্লাব হার্টস অব ওকের এই গোলরক্ষককে খেলানোর পেছনেও ছিল বাস্তবতা। ফিফার ক্লাব ক্ষতিপূরণ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বকাপে খেলানো প্রতিটি ফুটবলারের জন্য ক্লাবগুলো প্রতিদিন ১১ হাজার ডলার করে পায়।
৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে ফিরে পর্তুগালকে রুখে দেওয়া ডিআর কঙ্গোর আরেক নায়ক ছিলেন লিওনেল এমপাসি। পরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একাধিক নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে প্রশংসা কুড়ান তিনি। এছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রের মাতেজ কোভার ও আইভরি কোস্টের এডোয়ার্ড মেন্ডিও নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন।
সবশেষে বিদায় বলতেই হয় বিশ্বকাপের পরিচিত মুখ গিলার্মো ওচোয়াকে। বিশ্বকাপ এলেই যিনি যেন অন্য এক রূপে ধরা দিতেন। এবার মেক্সিকোর প্রথম একাদশে নিয়মিত না থাকলেও চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে শেষবারের মতো বিশ্বকাপের স্বাদ নেন। ম্যাচ শেষে গোলপোস্টে চুমু খেয়ে বিদায় জানান কিংবদন্তি এই গোলরক্ষক। সতীর্থ ও কোচিং স্টাফরা আবেগঘন বিদায়ে সম্মান জানান তাকে।
রাজনীতি/আরআইআর

বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই কিছু অপ্রত্যাশিত নায়ক উঠে আসে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই তালিকার বড় অংশজুড়ে রয়েছেন গোলরক্ষকেরা। কুরাসাও, কেপ ভার্দে, ডিআর কঙ্গোর মতো প্রথমবার বা দীর্ঘ বিরতির পর আসা দলগুলোকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রেখেছেন তাদের শেষ প্রহরীরা। কারও হাতে আটকে গেছেন লিওনেল মেসি, কেউ বিদায় করে দিয়েছেন জার্মানিকে, আবার কেউ নিজের জীবনসংগ্রামকে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
৪০ বছর বয়সী কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত নাম। চার ম্যাচে আটটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে একাই করেছেন সাতটি সেভ, আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও আটবার রক্ষা করেছেন দলকে। এমনকি মেসির শটও ফিরিয়েছেন তিনি। সতীর্থরা যখন হতাশায় ভেঙে পড়েছেন, তখন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষকই তাদের সাহস জুগিয়েছেন।
কুরাসাওর গল্পটাও কম নাটকীয় নয়। জার্মানির কাছে সাত গোল হজম করার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন তাদের বিশ্বকাপ শেষ। কিন্তু পরের ম্যাচেই ডার্ক হর্স ইকুয়েডরের বিপক্ষে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এলয় রুম। ১৫টি সেভ করে গড়েন নতুন রেকর্ড, আর কুরাসাও পায় বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারেনি ক্যারিবীয় দেশটি।
জার্মানির বিদায়ের নেপথ্য নায়ক ছিলেন ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল। শেষ ৩২-এর ম্যাচে শুধু নির্ধারিত সময়েই দুর্দান্ত ছিলেন না, টাইব্রেকারেও দুটি শট ঠেকিয়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় নিশ্চিত করেন। অথচ চার বছর আগেও সদ্যজাত সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের জার্সি, বুটসহ খেলাধুলার সরঞ্জাম বিক্রি করতে হয়েছিল তাকে। জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করেন অসুস্থ ভাইপোকে।
ইরানের হয়ে আরেকটি অনবদ্য পারফরম্যান্স আসে আলিরেজা বেইরানভান্দের কাছ থেকে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে সাতটি সেভ করে তিনি দলের রক্ষাকবচ হন। দরিদ্র যাযাবর কুর্দি পরিবারে জন্ম নেওয়া এই গোলরক্ষক কৈশোরে স্বপ্নের টানে বাড়ি ছেড়ে তেহরানে চলে যান। জীবিকার জন্য ঝাড়ুদার, গাড়ি ধোয়া ও টায়ার পরিষ্কারের কাজ করেছেন। সেই মানুষটির হাতেই আটকে যান কেভিন ডি ব্রুইনে ও রোমেলু লুকাকুর মতো তারকারা।
ঘানার বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে কলম্বিয়ার কাছে হেরে। তবে টুর্নামেন্টে আলোচনায় ছিলেন তাদের দুই গোলরক্ষক। লরেন্স আলি জিঘি শেষ ৩২-এর ম্যাচে খেললেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নজর কেড়েছিলেন বেনজামিন আসারে। ঘানার ক্লাব হার্টস অব ওকের এই গোলরক্ষককে খেলানোর পেছনেও ছিল বাস্তবতা। ফিফার ক্লাব ক্ষতিপূরণ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বকাপে খেলানো প্রতিটি ফুটবলারের জন্য ক্লাবগুলো প্রতিদিন ১১ হাজার ডলার করে পায়।
৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে ফিরে পর্তুগালকে রুখে দেওয়া ডিআর কঙ্গোর আরেক নায়ক ছিলেন লিওনেল এমপাসি। পরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একাধিক নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে প্রশংসা কুড়ান তিনি। এছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রের মাতেজ কোভার ও আইভরি কোস্টের এডোয়ার্ড মেন্ডিও নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন।
সবশেষে বিদায় বলতেই হয় বিশ্বকাপের পরিচিত মুখ গিলার্মো ওচোয়াকে। বিশ্বকাপ এলেই যিনি যেন অন্য এক রূপে ধরা দিতেন। এবার মেক্সিকোর প্রথম একাদশে নিয়মিত না থাকলেও চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে শেষবারের মতো বিশ্বকাপের স্বাদ নেন। ম্যাচ শেষে গোলপোস্টে চুমু খেয়ে বিদায় জানান কিংবদন্তি এই গোলরক্ষক। সতীর্থ ও কোচিং স্টাফরা আবেগঘন বিদায়ে সম্মান জানান তাকে।
রাজনীতি/আরআইআর

৯০ মিনিটের খেলা পেরিয়ে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ১১১ মিনিটের এক গোলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে কেপ ভার্দের। ৩-২ গোলের জয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির দল উঠে গেছে শেষ ষোলোতে, সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মিসর।
১২ ঘণ্টা আগে
কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। নকআউট ম্যাচের আগে লেফট-ব্যাক, সেন্টার-ব্যাক ও সেন্টার ফরোয়ার্ড— এই তিন জায়গা নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। মানজাম্বির পাস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। পিছিয়ে পড়ার পর আলজেরিয়া সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
১ দিন আগে
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলা রোনালদো ও মদরিচ এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হন। ম্যাচ শেষে সাবেক সতীর্থকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো বলেন, “হ্যাঁ, আমি তাকে বিদায় বলেছি। সে ফুটবলের একজন কিংবদন্তি। এখনও তাই আছে।”
১ দিন আগে