
ক্রীড়া ডেস্ক

আগের ম্যাচে জার্মানিকে হারিয়ে দেওয়া প্যারাগুয়ে ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও শক্ত প্রতিরোধ গড়বে, সেটি অনুমিতই ছিল। ম্যাচে তার ব্যতিক্রম হয়নি। বেশির ভাগ প্লেয়ার ডি-বক্স ও আশপাশে অবস্থান নিয়ে কঠিন প্রচীর তুলে রেখেছিলেন ফরাসিদের সামনে। এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের একের পর এক আক্রমণ সে দেয়ালে প্রতিহত হয়েছে। পরে কিছুটা শারীরি উত্তাপও ছড়িয়েছে এ ম্যাচ।
শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের পেনাল্টিতে খুলেছে গোলের মুখ। ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ফ্রান্স। উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। এমবাপ্পেও গোল্ডের বুটের লড়াইয়ে ফের উঠে এসেছেন মেসির কাতারে। আর জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের বিশ্বকাপযাত্রা থেমেছে শেষ ষোলোতেই।
বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টায় ফিলাডেলফিয়ায় বর্তমান রানার-আপ ফ্রান্স মুখোমুখি হয়েছিল প্যারাগুয়ের। ম্যাচ জুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফ্রান্সের দখলে। তবে জার্মানিকে বিদায় করে শেষ ১৬-তে ওঠা প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে নামে। আক্রমণের চেয়ে প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। শক্ত ট্যাকল, শারীরি খেলা আর রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার আপত্তি জানিয়ে ম্যাচকে কঠিন করে তোলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
তবে এই আক্রমণাত্মক কৌশলের পরও আশ্চর্যজনকভাবে কোনো হলুদ কার্ড দেখেনি প্যারাগুয়ে। ম্যাচে তারা ১৩টি ফাউল করলেও কার্ড দেখানো হয় কেবল ফ্রান্সের তিন খেলোয়াড়কে। রেফারি ইলগিজ তান্তাশেভের এমন নমনীয় সিদ্ধান্তও আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রথমার্ধে ফ্রান্স বলের দখলে পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করে। প্রথম হাইড্রেশন বিরতির আগে তাদের পাস ছিল ২০৮টি, যেখানে প্যারাগুয়ের মাত্র ৩৩টি। কিন্তু এত দখল নিয়েও রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিল না দিদিয়ের দেশমের দল। প্যারাগুয়ের সুশৃঙ্খল ডিফেন্স ফরাসিদের বক্সের ভেতরে ঢোকার সুযোগই দিচ্ছিল না।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র কিছুটা বদলায়। ৫৫তম মিনিটে মানু কোনোয়ের দূরপাল্লার শটে প্রথমবার লক্ষ্যে আঘাত হানে ফ্রান্স, কিন্তু দারুণ সেভ করেন গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল।

আক্রমণে গতি আনতে ৬০তম মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার বদলে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামান দেশম। সেই পরিবর্তনই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বাঁ প্রান্তে নেমেই একের পর এক ড্রিবল করে প্যারাগুয়ের রক্ষণকে চাপে ফেলতে থাকেন দুয়ে।
৬৪তম মিনিটে বক্সের ভেতরে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় দিয়েগো গোমেজের ফাউলের শিকার হন তিনি। প্রথমে খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলান তান্তাশেভ এবং ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেন। প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা পেনাল্টি স্পট নষ্ট করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত স্পট ঠিক করে দেওয়া হয়। এরপর স্পটকিক থেকে গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে জয়সূচক গোল করেন এমবাপ্পে।
যোগ করা সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ফরাসি অধিনায়ক। তবে অরলান্ডো গিলের দুর্দান্ত ডাবল সেভে দ্বিতীয় গোল থেকে বঞ্চিত হন তিনি।
ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের শারীরিক খেলার সমালোচনা করেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি, আমরা শুধু আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে জানি না। প্রয়োজন হলে কঠিন ফুটবলও খেলতে পারি। তারা ভেবেছিল আমরা টাক্সেডো পরে মাঠে নামব। কিন্তু আমরা নোংরা ফুটবলও খেলতে জানি। আমরা জিতেছি, কারণ আমরা তাদের চেয়ে ভালো খেলেছি।’
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। আগামী পাঁচ দিন পর শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো। অন্যদিকে জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল শেষ ১৬-তেই।

আগের ম্যাচে জার্মানিকে হারিয়ে দেওয়া প্যারাগুয়ে ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও শক্ত প্রতিরোধ গড়বে, সেটি অনুমিতই ছিল। ম্যাচে তার ব্যতিক্রম হয়নি। বেশির ভাগ প্লেয়ার ডি-বক্স ও আশপাশে অবস্থান নিয়ে কঠিন প্রচীর তুলে রেখেছিলেন ফরাসিদের সামনে। এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের একের পর এক আক্রমণ সে দেয়ালে প্রতিহত হয়েছে। পরে কিছুটা শারীরি উত্তাপও ছড়িয়েছে এ ম্যাচ।
শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের পেনাল্টিতে খুলেছে গোলের মুখ। ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ফ্রান্স। উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। এমবাপ্পেও গোল্ডের বুটের লড়াইয়ে ফের উঠে এসেছেন মেসির কাতারে। আর জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের বিশ্বকাপযাত্রা থেমেছে শেষ ষোলোতেই।
বাংলাদেশ সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টায় ফিলাডেলফিয়ায় বর্তমান রানার-আপ ফ্রান্স মুখোমুখি হয়েছিল প্যারাগুয়ের। ম্যাচ জুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফ্রান্সের দখলে। তবে জার্মানিকে বিদায় করে শেষ ১৬-তে ওঠা প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে নামে। আক্রমণের চেয়ে প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। শক্ত ট্যাকল, শারীরি খেলা আর রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার আপত্তি জানিয়ে ম্যাচকে কঠিন করে তোলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
তবে এই আক্রমণাত্মক কৌশলের পরও আশ্চর্যজনকভাবে কোনো হলুদ কার্ড দেখেনি প্যারাগুয়ে। ম্যাচে তারা ১৩টি ফাউল করলেও কার্ড দেখানো হয় কেবল ফ্রান্সের তিন খেলোয়াড়কে। রেফারি ইলগিজ তান্তাশেভের এমন নমনীয় সিদ্ধান্তও আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রথমার্ধে ফ্রান্স বলের দখলে পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করে। প্রথম হাইড্রেশন বিরতির আগে তাদের পাস ছিল ২০৮টি, যেখানে প্যারাগুয়ের মাত্র ৩৩টি। কিন্তু এত দখল নিয়েও রক্ষণভাগ ভাঙতে পারছিল না দিদিয়ের দেশমের দল। প্যারাগুয়ের সুশৃঙ্খল ডিফেন্স ফরাসিদের বক্সের ভেতরে ঢোকার সুযোগই দিচ্ছিল না।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র কিছুটা বদলায়। ৫৫তম মিনিটে মানু কোনোয়ের দূরপাল্লার শটে প্রথমবার লক্ষ্যে আঘাত হানে ফ্রান্স, কিন্তু দারুণ সেভ করেন গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল।

আক্রমণে গতি আনতে ৬০তম মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার বদলে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামান দেশম। সেই পরিবর্তনই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বাঁ প্রান্তে নেমেই একের পর এক ড্রিবল করে প্যারাগুয়ের রক্ষণকে চাপে ফেলতে থাকেন দুয়ে।
৬৪তম মিনিটে বক্সের ভেতরে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় দিয়েগো গোমেজের ফাউলের শিকার হন তিনি। প্রথমে খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেও পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পরামর্শে সিদ্ধান্ত বদলান তান্তাশেভ এবং ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেন। প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা পেনাল্টি স্পট নষ্ট করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত স্পট ঠিক করে দেওয়া হয়। এরপর স্পটকিক থেকে গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে জয়সূচক গোল করেন এমবাপ্পে।
যোগ করা সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ফরাসি অধিনায়ক। তবে অরলান্ডো গিলের দুর্দান্ত ডাবল সেভে দ্বিতীয় গোল থেকে বঞ্চিত হন তিনি।
ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের শারীরিক খেলার সমালোচনা করেন এমবাপ্পে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি, আমরা শুধু আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে জানি না। প্রয়োজন হলে কঠিন ফুটবলও খেলতে পারি। তারা ভেবেছিল আমরা টাক্সেডো পরে মাঠে নামব। কিন্তু আমরা নোংরা ফুটবলও খেলতে জানি। আমরা জিতেছি, কারণ আমরা তাদের চেয়ে ভালো খেলেছি।’
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স। আগামী পাঁচ দিন পর শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো। অন্যদিকে জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ের স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল শেষ ১৬-তেই।

এরপর ম্যাচে লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি কলম্বিয়া। ১৪তম মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে লুইস সুয়ারেজ ক্রস করেন। সেটি সেমেনিও ব্লক করলে ফিরতি বলে ফের ক্রস করেন তিনি। এবার লুইস দিয়াজ হেড করলে তা দিক বদলে বলকে পৌঁছে দেয় ফার পোস্টের দিকে থাকা জোন আরিয়াসের কাছে। দারুণ শটে তিনি বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়
১ দিন আগে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ গোলে শেষ হলো সমতায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দলই জালের দেখা পেল না। শেষ পর্যন্ত খেলার ফল নির্ধারণ করতে হলো টাইব্রেকার। সেখানে অস্ট্রেলিয়াকে স্নায়ুর লড়াইয়ে হারিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিলো মোহাম্মদ সালাহর মিসর। সে ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে হবে তাদে
১ দিন আগে
৯০ মিনিটের খেলা পেরিয়ে অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ১১১ মিনিটের এক গোলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে কেপ ভার্দের। ৩-২ গোলের জয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির দল উঠে গেছে শেষ ষোলোতে, সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মিসর।
১ দিন আগে
কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। নকআউট ম্যাচের আগে লেফট-ব্যাক, সেন্টার-ব্যাক ও সেন্টার ফরোয়ার্ড— এই তিন জায়গা নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।
১ দিন আগে