
ক্রীড়া ডেস্ক

ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিল বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ডকে কোনো গোলই করতে দেয়নি তারা। উলটো নিজেরা গোল করার দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও ৭০ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা গেল সুইসদের। এ সময় বদলি তিন ফুটবলার নেমেই ঝড় তুললেন মাঠে। সেই সুইস ঝড়ে শেষ পর্যন্ত উড়ে যেতে হয়েছে বসনিয়াকে।
ম্যাচের শেষ ১৬ মিনিট আর ইনজুরি টাইমের ৬ মিনিট মিলিয়ে ২২ মিনিটের মধ্যে চার চারটি গোল দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। এর মধ্যে একটি গোল হজম করলেও তাই সুইজারল্যান্ডের ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় এসেছে বসনিয়ার বিপক্ষে। চার গোলের মধ্যে তিনটিই করেছেন ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা দুই সুইস তারকা, নিজেদের পরিণত করেছেন ‘সুপার সাব’-এ।
‘বি’ গ্রুপে দুই দলের দ্বিতীয় এই ম্যাচে জয় স্বস্তি এনে দিয়েছে সুইস শিবিরে। প্রথম ম্যাচে কাতারের সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ড্র করে কানডার কাছ থেকে পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছিল বসনিয়া। এ ম্যাচে সুইসদের কাছে হার মানতে হলে ১ পয়েন্ট নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাদের। সুইসরা ৪ পয়েন্ট নিয়ে উঠে গেল গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে।
বৃহস্পতিবার সোফি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণ-পালটা আক্রমণের পসরা সাজায় দুই দল। প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেছে দুই দলই। খেলার প্রথম বড় সুযোগটি আসে ১৩তম মিনিটে। সুইস অধিনায়ক জাকার চমৎকার রক্ষণভেদী বল বাড়ানো থেকে জাল সীমানার কাছাকাছি ফাঁকা জায়গায় বল পান ড্যান রিডার। তিনি দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে ড্যান এনদোদেইয়ের দিকে নিচু করে বল বাড়ান। এনদোদেই ঠিকমতো পায়ে বল ছোঁয়াতে না পারলে গোলের সুযোগ মিস করে সুইজারল্যান্ড।
৬ মিনিট পরে আবার নিজেই সুযোগ তৈরি করেছিলেন সেই এনদোদেই। বসনিয়ার ডিফেন্ডাররা সে আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটেই আবার বসনিয়ার ডিফেন্ডারের ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পান এনদোদেই। এবার তার শট জালের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৩ মিনিটের মাথায় রেমো ফ্রয়লার বক্সের বেশ দূর থেকে ডান পায়ে শট নেন। তবে সেটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
খেলার বিপরীতে বসনিয়া ৩২ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ শানায়। আলাজবেগোভিকের কাছ থেকে সুইস ডি-বক্সের বাইরে বাঁ দিকে বল পান এডিন জেকো। তিনি বল বাড়িয়ে দিলেও সে বল রিসিভ করার মতো কেউ ছিল না।
প্রথমার্ধের শেষ পাঁচ মিনিটের মধ্যে আরও দুবার হুমকির মুখে পড়ে সুইজারল্যান্ড। ৪০ মিনিটে ডি-বক্সের মাথা থেকে শট নিতে যাওয়ার সময় তাকে রুখে দেন সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি। ৪৪ মিনিটের মাথায় আলাজবেগোভিক ও কোলাসিনাচ চমৎকার পাসিংয়ের মাধ্যমে চমৎকার আক্রমণ গড়ে তোলেন। সে আক্রমণও সুইস রক্ষণভাগের সামনে থমকে যায়।
বিরতির পরও আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখে দুই দল। ৫১ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাস পেয়ে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন এনদোদেই। শট নিলে বসনিয়ার গোলরক্ষক ভাসিলজ অসামান্য দক্ষতায় তা ঠেকিয়ে দেন। ৬৯ মিনিটের মাথায় আবার বসনিয়ার দেদিচের নেওয়া দূরপাল্লার চমৎকার একটি বাঁকানো শট রুখে দেন সুইস গোলরক্ষক।
গোলের দেখা না পেয়ে ৭০ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি বদল আনেন সুইচ কোচ। মাঠে নামেন জোহান মানজামবি, রুবেন ভার্গাস ও জিবরিল স। তাদের উপস্থিতিতে সুইসদের খেলার গতি যেন দ্বিগুণ হয়ে যান। মাঠে নামার চার মিনিটের মাথায় দুই বদলি খেলোয়াড মানজামবি আর ভার্গাসের প্রয়াসে গোলমুখ খোলে সুইসদের। ভার্গাসের বাড়ানো চমৎকার পাস বসনিয়ার রক্ষণভাগ ক্লিয়ার করতে না পারলে পায়ে পেয়ে যান মানজামবি। দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।
গোল পেয়ে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড। ৮০ মিনিটের মাথায় বসনিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রিল এমবোলো। তাকে থামাতে মারাত্মকভাবে ফাউল করে বসেন বসনিয়ার তারিক মুহারেমোভিচ। রেফারির তাৎক্ষণিকভাবে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন মুহারেমোভিচকে। ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসনিয়া।
সুইজারল্যান্ড এবার আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ১১ মিনিট পর ৮৫ মিনিটের মাথায় সুইজারল্যান্ডের এমবোলোর পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নেন ভার্গাস। মুহূর্তের মধ্যে কোণাকুণি শটে বল পঠিয়ে দেন জালে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে তথা ৯০ মিনিটের মাথায় আবার ভার্গাস-মানজামবি ম্যাজিক। এবার অধিনায়ক গ্রানিত জাকার বাড়ানো বল ধরে ভার্গাস বাড়িয়ে দেন মানজামবিকে। সে বল নিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে মানজামবি একেবারেই ভুল করেননি। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গিয়ে গোলের দেখা পায় বসনিয়াও। আমর মেমিচ গোল করলে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১-এ নামিয়ে আনে দলটি। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। চার মিনিট পরেই ডি-বক্সের মধ্যে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। তা থেকে গোল করেন অধিনায়ক জাকা। ৪-১ গোলে জয় পায় দলটি।

ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিল বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ডকে কোনো গোলই করতে দেয়নি তারা। উলটো নিজেরা গোল করার দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। দ্বিতীয়ার্ধেও ৭০ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা গেল সুইসদের। এ সময় বদলি তিন ফুটবলার নেমেই ঝড় তুললেন মাঠে। সেই সুইস ঝড়ে শেষ পর্যন্ত উড়ে যেতে হয়েছে বসনিয়াকে।
ম্যাচের শেষ ১৬ মিনিট আর ইনজুরি টাইমের ৬ মিনিট মিলিয়ে ২২ মিনিটের মধ্যে চার চারটি গোল দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। এর মধ্যে একটি গোল হজম করলেও তাই সুইজারল্যান্ডের ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে জয় এসেছে বসনিয়ার বিপক্ষে। চার গোলের মধ্যে তিনটিই করেছেন ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা দুই সুইস তারকা, নিজেদের পরিণত করেছেন ‘সুপার সাব’-এ।
‘বি’ গ্রুপে দুই দলের দ্বিতীয় এই ম্যাচে জয় স্বস্তি এনে দিয়েছে সুইস শিবিরে। প্রথম ম্যাচে কাতারের সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ড্র করে কানডার কাছ থেকে পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছিল বসনিয়া। এ ম্যাচে সুইসদের কাছে হার মানতে হলে ১ পয়েন্ট নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাদের। সুইসরা ৪ পয়েন্ট নিয়ে উঠে গেল গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে।
বৃহস্পতিবার সোফি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণ-পালটা আক্রমণের পসরা সাজায় দুই দল। প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেছে দুই দলই। খেলার প্রথম বড় সুযোগটি আসে ১৩তম মিনিটে। সুইস অধিনায়ক জাকার চমৎকার রক্ষণভেদী বল বাড়ানো থেকে জাল সীমানার কাছাকাছি ফাঁকা জায়গায় বল পান ড্যান রিডার। তিনি দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে ড্যান এনদোদেইয়ের দিকে নিচু করে বল বাড়ান। এনদোদেই ঠিকমতো পায়ে বল ছোঁয়াতে না পারলে গোলের সুযোগ মিস করে সুইজারল্যান্ড।
৬ মিনিট পরে আবার নিজেই সুযোগ তৈরি করেছিলেন সেই এনদোদেই। বসনিয়ার ডিফেন্ডাররা সে আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটেই আবার বসনিয়ার ডিফেন্ডারের ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পান এনদোদেই। এবার তার শট জালের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৩ মিনিটের মাথায় রেমো ফ্রয়লার বক্সের বেশ দূর থেকে ডান পায়ে শট নেন। তবে সেটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
খেলার বিপরীতে বসনিয়া ৩২ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ শানায়। আলাজবেগোভিকের কাছ থেকে সুইস ডি-বক্সের বাইরে বাঁ দিকে বল পান এডিন জেকো। তিনি বল বাড়িয়ে দিলেও সে বল রিসিভ করার মতো কেউ ছিল না।
প্রথমার্ধের শেষ পাঁচ মিনিটের মধ্যে আরও দুবার হুমকির মুখে পড়ে সুইজারল্যান্ড। ৪০ মিনিটে ডি-বক্সের মাথা থেকে শট নিতে যাওয়ার সময় তাকে রুখে দেন সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি। ৪৪ মিনিটের মাথায় আলাজবেগোভিক ও কোলাসিনাচ চমৎকার পাসিংয়ের মাধ্যমে চমৎকার আক্রমণ গড়ে তোলেন। সে আক্রমণও সুইস রক্ষণভাগের সামনে থমকে যায়।
বিরতির পরও আক্রমণের ধারা অব্যাহত রাখে দুই দল। ৫১ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাস পেয়ে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন এনদোদেই। শট নিলে বসনিয়ার গোলরক্ষক ভাসিলজ অসামান্য দক্ষতায় তা ঠেকিয়ে দেন। ৬৯ মিনিটের মাথায় আবার বসনিয়ার দেদিচের নেওয়া দূরপাল্লার চমৎকার একটি বাঁকানো শট রুখে দেন সুইস গোলরক্ষক।
গোলের দেখা না পেয়ে ৭০ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি বদল আনেন সুইচ কোচ। মাঠে নামেন জোহান মানজামবি, রুবেন ভার্গাস ও জিবরিল স। তাদের উপস্থিতিতে সুইসদের খেলার গতি যেন দ্বিগুণ হয়ে যান। মাঠে নামার চার মিনিটের মাথায় দুই বদলি খেলোয়াড মানজামবি আর ভার্গাসের প্রয়াসে গোলমুখ খোলে সুইসদের। ভার্গাসের বাড়ানো চমৎকার পাস বসনিয়ার রক্ষণভাগ ক্লিয়ার করতে না পারলে পায়ে পেয়ে যান মানজামবি। দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।
গোল পেয়ে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড। ৮০ মিনিটের মাথায় বসনিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রিল এমবোলো। তাকে থামাতে মারাত্মকভাবে ফাউল করে বসেন বসনিয়ার তারিক মুহারেমোভিচ। রেফারির তাৎক্ষণিকভাবে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন মুহারেমোভিচকে। ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসনিয়া।
সুইজারল্যান্ড এবার আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ১১ মিনিট পর ৮৫ মিনিটের মাথায় সুইজারল্যান্ডের এমবোলোর পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নেন ভার্গাস। মুহূর্তের মধ্যে কোণাকুণি শটে বল পঠিয়ে দেন জালে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে তথা ৯০ মিনিটের মাথায় আবার ভার্গাস-মানজামবি ম্যাজিক। এবার অধিনায়ক গ্রানিত জাকার বাড়ানো বল ধরে ভার্গাস বাড়িয়ে দেন মানজামবিকে। সে বল নিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে মানজামবি একেবারেই ভুল করেননি। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গিয়ে গোলের দেখা পায় বসনিয়াও। আমর মেমিচ গোল করলে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১-এ নামিয়ে আনে দলটি। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। চার মিনিট পরেই ডি-বক্সের মধ্যে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় সুইজারল্যান্ড। তা থেকে গোল করেন অধিনায়ক জাকা। ৪-১ গোলে জয় পায় দলটি।

ব্যাট হাতে শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের লড়াইয়ে কোনোভাবে ১৩১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা।
২ দিন আগে
এলোমেলো ব্যাটিংয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, তখন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ান শেখ মেহেদী হাসান। তার ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে শেষ জুটির অবদানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে ১৩১ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা।
২ দিন আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর এবার টি–টোয়েন্টি মঞ্চে নতুন চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই ধাক্কা খেয়েছে স্বাগতিকরা। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না অধিনায়ক লিটন দাস। তার অনুপস্থিতিতে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়।
২ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই নবাগত জর্ডানকে চাপে রাখার কৌশল নেয় অস্ট্রিয়া। তার ফলও আসে দ্রুত। ম্যাচের ২১তম মিনিটে দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে অস্ট্রিয়াকে এগিয়ে নেন রোমানো শ্মিড। প্রথমার্ধে জর্ডান বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও অস্ট্রিয়ার গোলদুর্গ ভাঙতে পারেনি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় অস্ট্রিয়া।
২ দিন আগে