
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টিনের ম্যাচে ঐতিহাসিক জয়ের উল্লাস মুহূর্তেই শোকে পরিণত হয়েছে মেক্সিকো সিটিতে। ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে মেক্সিকো শেষ ১৬ নিশ্চিত করার পর রাজধানী মেক্সিকো সিটির রাস্তায় লাখো সমর্থকের উদ্যাপনের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে মেক্সিকো সিটির অ্যাঞ্জেল অব ইন্ডিপেনডেন্স স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশে অগণিত সমর্থক জড়ো হন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় ছিল মেক্সিকোর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে দলটি ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নেয়।
স্বাগতিক দেশ হিসেবে এস্তাদিও আজতেকায় অর্জিত এই জয়ের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজধানীতে। মেক্সিকো সিটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রাজধানীর অন্যতম প্রধান সড়ক পাসেও দে লা রিফর্মা ও এর আশপাশের এলাকায় উদ্যাপনের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই এলাকাতেই তিনটি ভিন্ন স্থানে অচেতন অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে জরুরি সেবা দল।
প্রথমে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়ার পরও শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ৪৪ বছর বয়সী এক পুরুষ ও ১৯ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরে আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪৮ বছর বয়সী আরেক নারী কাছাকাছি একটি সড়কে শ্বাস নিতে পারছিলেন না। হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তারও মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি সবাইকে ‘দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সহমর্মিতার সঙ্গে উদ্যাপন করা’র আহ্বান জানান।
উদ্যাপনের সময় চারদিকে ছিল উল্লাস, গান, স্লোগান আর বিজয়ের আনন্দ। তবে সেই উৎসবের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগজনক কিছু ছবি ও ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, জরুরি সেবাকর্মী ও প্যারামেডিকরা আশপাশের রাস্তায় মাটিতে পড়ে থাকা অসুস্থ ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত মানুষদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
দুই কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস মেক্সিকো সিটির মহানগর এলাকায়। বড় ধরনের জনসমাগম ও উৎসবের অভিজ্ঞতা থাকলেও এবারের বিশ্বকাপ উদ্যাপন প্রাণহানির ঘটনায় শেষ পর্যন্ত এক শোকাবহ রূপ নেয়। ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দের পাশাপাশি তিন সমর্থকের মৃত্যুর এই ঘটনা পুরো দেশকে শোকাহত করেছে।

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টিনের ম্যাচে ঐতিহাসিক জয়ের উল্লাস মুহূর্তেই শোকে পরিণত হয়েছে মেক্সিকো সিটিতে। ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে মেক্সিকো শেষ ১৬ নিশ্চিত করার পর রাজধানী মেক্সিকো সিটির রাস্তায় লাখো সমর্থকের উদ্যাপনের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে মেক্সিকো সিটির অ্যাঞ্জেল অব ইন্ডিপেনডেন্স স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশে অগণিত সমর্থক জড়ো হন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় ছিল মেক্সিকোর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে দলটি ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নেয়।
স্বাগতিক দেশ হিসেবে এস্তাদিও আজতেকায় অর্জিত এই জয়ের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজধানীতে। মেক্সিকো সিটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রাজধানীর অন্যতম প্রধান সড়ক পাসেও দে লা রিফর্মা ও এর আশপাশের এলাকায় উদ্যাপনের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই এলাকাতেই তিনটি ভিন্ন স্থানে অচেতন অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে জরুরি সেবা দল।
প্রথমে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়ার পরও শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ৪৪ বছর বয়সী এক পুরুষ ও ১৯ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। পরে আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪৮ বছর বয়সী আরেক নারী কাছাকাছি একটি সড়কে শ্বাস নিতে পারছিলেন না। হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তারও মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি সবাইকে ‘দায়িত্বশীলতা, সতর্কতা ও সহমর্মিতার সঙ্গে উদ্যাপন করা’র আহ্বান জানান।
উদ্যাপনের সময় চারদিকে ছিল উল্লাস, গান, স্লোগান আর বিজয়ের আনন্দ। তবে সেই উৎসবের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগজনক কিছু ছবি ও ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, জরুরি সেবাকর্মী ও প্যারামেডিকরা আশপাশের রাস্তায় মাটিতে পড়ে থাকা অসুস্থ ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত মানুষদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
দুই কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস মেক্সিকো সিটির মহানগর এলাকায়। বড় ধরনের জনসমাগম ও উৎসবের অভিজ্ঞতা থাকলেও এবারের বিশ্বকাপ উদ্যাপন প্রাণহানির ঘটনায় শেষ পর্যন্ত এক শোকাবহ রূপ নেয়। ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দের পাশাপাশি তিন সমর্থকের মৃত্যুর এই ঘটনা পুরো দেশকে শোকাহত করেছে।

শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে জ্বলে উঠলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাকে সময়ের অন্যতম সেরা ফিনিশার বলা হয়। ৭৫ মিনিটে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ‘লাইফলাইন’ এনে দিলেন ইংল্যান্ডকে। ৮৬ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে দারুণ শারীরিক ভারসাম্য রেখে দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে দলকে এনে দিল
১ দিন আগে
চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ৪০ বছর জয়ের দেখা না পাওয়া স্বাগতিকরা শেষ ৩২ দলের ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল মেক্সিকানরা।
১ দিন আগে
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েই প্রথমবারের মতো নকআউটে জয় তুলে নিয়েছে নরওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টকে হারিয়ে আর্লিং হাল্যান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডরা মাতলেন বুনো উল্লাসে। মাঠ ঘুরে উইনিং ল্যাপও দিলেন। সেই সঙ্গে সঙ্গে ফের ফিরিয়ে আনলেন ‘ভাইকিং রো’।
২ দিন আগে
বিরতির পর সুইডেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। উল্টো ৫৩তম মিনিটে সুইডিশ রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও খেলার গতি কমায়নি ফ্রান্স, বরং একের পর এক আক্রমণে সুইডেনের
২ দিন আগে