
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের পরও সিরিজ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। টানা দুই ম্যাচে হেরে শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হলো স্বাগতিকদের। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডেতে শনিবার রাজশাহীতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে শ্রীলঙ্কা নারী দল।
প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ২১ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা, মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে।
রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লঙ্কানরা। দলীয় ১৯ রানে ফিরে যান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু, করেন মাত্র ১০ রান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলানির ১০৮ রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয় সফরকারীদের হাতে।
দুলানি ৫৬ রানে আউট হলেও পেরেরা ইনিংস গড়ে তোলেন দৃঢ়ভাবে। তিনি ৯৫ রানে আউট হন, মাত্র ৫ রানের আক্ষেপ নিয়ে সেঞ্চুরি মিস করেন। পরবর্তীতে হারশিথা সামারাবিক্রমা ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মারুফা আক্তার। একটি উইকেট পান সোবহানা মোস্তারি।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেলেও বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ওপেনার ফারজানা হক ১১ রান ও শারমিন সুলতানা ১৭ রান করে ফিরলে চাপ বাড়ে। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৯০ বলে ৪০ রান করেন, তবে ধীর ব্যাটিংয়ে দলের রান তোলার গতি কমে যায়।
মাঝের সারিতে সোবহানা মোস্তারি ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ৮০ বলে ৭৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। শেষদিকে রিতু মণির ১৬ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশ ২১৩ রানে পৌঁছায়।
তবে বোলিংয়ে সেই রান রক্ষা করতে পারেনি টাইগ্রেসরা। লঙ্কান ব্যাটারদের দৃঢ় জুটির সামনে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ও সিরিজ—দুটিই হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের পরও সিরিজ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। টানা দুই ম্যাচে হেরে শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হলো স্বাগতিকদের। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডেতে শনিবার রাজশাহীতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে শ্রীলঙ্কা নারী দল।
প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ২১ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা, মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে।
রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লঙ্কানরা। দলীয় ১৯ রানে ফিরে যান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু, করেন মাত্র ১০ রান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলানির ১০৮ রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয় সফরকারীদের হাতে।
দুলানি ৫৬ রানে আউট হলেও পেরেরা ইনিংস গড়ে তোলেন দৃঢ়ভাবে। তিনি ৯৫ রানে আউট হন, মাত্র ৫ রানের আক্ষেপ নিয়ে সেঞ্চুরি মিস করেন। পরবর্তীতে হারশিথা সামারাবিক্রমা ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মারুফা আক্তার। একটি উইকেট পান সোবহানা মোস্তারি।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেলেও বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ওপেনার ফারজানা হক ১১ রান ও শারমিন সুলতানা ১৭ রান করে ফিরলে চাপ বাড়ে। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৯০ বলে ৪০ রান করেন, তবে ধীর ব্যাটিংয়ে দলের রান তোলার গতি কমে যায়।
মাঝের সারিতে সোবহানা মোস্তারি ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ৮০ বলে ৭৪ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। শেষদিকে রিতু মণির ১৬ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে বাংলাদেশ ২১৩ রানে পৌঁছায়।
তবে বোলিংয়ে সেই রান রক্ষা করতে পারেনি টাইগ্রেসরা। লঙ্কান ব্যাটারদের দৃঢ় জুটির সামনে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ও সিরিজ—দুটিই হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে