
ক্রীড়া ডেস্ক

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা তখন ১-১ সমতায় শেষ। চলছে ইনজুরি টাইমের খেলা। দর্শকরাও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা দেখার প্রস্তুতিই নিচ্ছিলেন। এমন সময়ে বাংলাদেশি ফরোয়ার্ডের দিকে পাস করা বল নেপালের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে জালে! ইনজুরি টাইমের তিন মিনিটের মাথায় পাওয়া এই আত্মঘাতী গোলেই বাজিমাত। সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে উঠে গেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
বুধবার (৩ জুন) ভারতের গোয়ায় মারগাওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল নির্ধারণের আসর সাফের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও নেপাল। সে দেখায় নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো নারী সাফের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।
সাফের গত দুই আসরেও চ্যাম্পিয়ন দলের নাম বাংলাদেশ। এবারের ফাইনালেও জয় ছিনিয়ে আনতে পারলে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে টাইগ্রেসরা। এবারের আগ পর্যন্ত নারী সাফের সাত আসরে শেষ দুই আসর ছাড়া বাকি পাঁচ আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত।
নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচ সহজ ছিল না বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য। এর আগে সাফে দুই দলের পাঁচ দেখায় প্রথম তিন ম্যাচেই জয় ছিল নেপালের। শেষ দুই ম্যাচে জয় নিয়ে অবশ্য মানসিকভাবে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। বুধবারের ম্যাচে জয়ের ফলে দুই দলের হিসাব এখন সমান সমান।
এ ম্যাচের শুরুতে অবশ্য চাপ তৈরি করেছিল নেপালই। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নেয় দলটি। ৩ মিনিটে রাশমি কুমারী ও ৯ মিনিটে রেখা পৌডেল গোলপোস্টে শট নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার কোনোমতে শট দুটি ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
টানা আক্রমণাত্মক খেলার ফল পেতে অবশ্য বেশি দেরি হয়নি নেপালের। ২৩ মিনিটে দীপা শাহীর কর্নার থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে ডিফেন্ডার গীতা রানা পা ছুঁয়ে দিলে তা ঠেকাতে পারেননি কেউ। নেপাল এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।
৩৬ মিনিটে আবার বিপদ। প্রীতি রাইয়ের দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শট ধেয়ে যাচ্ছিল গোলবার বরাবর। মিলি আক্তার কোনোমতে আঙুল ছুঁইয়ে দিলে বলটি ক্রসবারে লেগে চলে যায় গোলপোস্টের বাইরে। কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
নেপালের একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশ তখন দিশেহারা। প্রথমার্ধ শেষ না হতেই ৪০ মিনিটের মাথায় উমেহলা মারমা ও সৌরভী আকন্দ প্রীতিকে তুলে ফেলেন বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার। মাঠে নামেন শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।
কোচের এ সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে সময় নেননি শামসুন্নাহার-তহুরারা। তারা দুজন মাঠে নামতেই আক্রমণে যেতে শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কর্নার পায় দল। সেই কর্নার থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার ‘অলিম্পিক শট’ সরাসরি জাল খুঁজে নিলে ১-১ গোলে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। বিরতির ঠিক আগে তার আরেকটি জোরালো শটও নেপালের জন্য বিপদ নিয়ে এসেছিল। নেপালের গোলরক্ষক আঞ্জিলা সুব্বা কর্নারের বিনিময়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ-নেপাল দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে। ৪৭ মিনিটে বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের ভুলে বল পেয়ে যান নেপালের রেখা পৌডেল। তার শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ৬৪ মিনিটে আবার শামসুন্নাহার জুনিয়রের ক্রস থেকে মনিকা চাকমা চমৎকার হেড করলেও তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৭২ মিনিটে আনিকার পরিবর্তে মাঠে নামেন সাগরিকা। বদলি হিসেবে নেমেই নেপালের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করেন তিনি। ৭৮ মিনিটে তার জোরালো শট ফিরিয়ে দেন আঞ্জিলা সুব্বা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াতে থাকা ম্যাচে ইনজুরি টাইমে গিয়ে আত্মঘাতী গোলে শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালের গেরো পার হয় বাংলাদেশ।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা তখন ১-১ সমতায় শেষ। চলছে ইনজুরি টাইমের খেলা। দর্শকরাও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা দেখার প্রস্তুতিই নিচ্ছিলেন। এমন সময়ে বাংলাদেশি ফরোয়ার্ডের দিকে পাস করা বল নেপালের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে জালে! ইনজুরি টাইমের তিন মিনিটের মাথায় পাওয়া এই আত্মঘাতী গোলেই বাজিমাত। সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে উঠে গেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
বুধবার (৩ জুন) ভারতের গোয়ায় মারগাওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল নির্ধারণের আসর সাফের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও নেপাল। সে দেখায় নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো নারী সাফের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।
সাফের গত দুই আসরেও চ্যাম্পিয়ন দলের নাম বাংলাদেশ। এবারের ফাইনালেও জয় ছিনিয়ে আনতে পারলে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে টাইগ্রেসরা। এবারের আগ পর্যন্ত নারী সাফের সাত আসরে শেষ দুই আসর ছাড়া বাকি পাঁচ আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত।
নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচ সহজ ছিল না বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য। এর আগে সাফে দুই দলের পাঁচ দেখায় প্রথম তিন ম্যাচেই জয় ছিল নেপালের। শেষ দুই ম্যাচে জয় নিয়ে অবশ্য মানসিকভাবে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। বুধবারের ম্যাচে জয়ের ফলে দুই দলের হিসাব এখন সমান সমান।
এ ম্যাচের শুরুতে অবশ্য চাপ তৈরি করেছিল নেপালই। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নেয় দলটি। ৩ মিনিটে রাশমি কুমারী ও ৯ মিনিটে রেখা পৌডেল গোলপোস্টে শট নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার কোনোমতে শট দুটি ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
টানা আক্রমণাত্মক খেলার ফল পেতে অবশ্য বেশি দেরি হয়নি নেপালের। ২৩ মিনিটে দীপা শাহীর কর্নার থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে ডিফেন্ডার গীতা রানা পা ছুঁয়ে দিলে তা ঠেকাতে পারেননি কেউ। নেপাল এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।
৩৬ মিনিটে আবার বিপদ। প্রীতি রাইয়ের দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শট ধেয়ে যাচ্ছিল গোলবার বরাবর। মিলি আক্তার কোনোমতে আঙুল ছুঁইয়ে দিলে বলটি ক্রসবারে লেগে চলে যায় গোলপোস্টের বাইরে। কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
নেপালের একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশ তখন দিশেহারা। প্রথমার্ধ শেষ না হতেই ৪০ মিনিটের মাথায় উমেহলা মারমা ও সৌরভী আকন্দ প্রীতিকে তুলে ফেলেন বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার। মাঠে নামেন শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।
কোচের এ সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে সময় নেননি শামসুন্নাহার-তহুরারা। তারা দুজন মাঠে নামতেই আক্রমণে যেতে শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কর্নার পায় দল। সেই কর্নার থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার ‘অলিম্পিক শট’ সরাসরি জাল খুঁজে নিলে ১-১ গোলে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। বিরতির ঠিক আগে তার আরেকটি জোরালো শটও নেপালের জন্য বিপদ নিয়ে এসেছিল। নেপালের গোলরক্ষক আঞ্জিলা সুব্বা কর্নারের বিনিময়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ-নেপাল দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে। ৪৭ মিনিটে বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের ভুলে বল পেয়ে যান নেপালের রেখা পৌডেল। তার শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ৬৪ মিনিটে আবার শামসুন্নাহার জুনিয়রের ক্রস থেকে মনিকা চাকমা চমৎকার হেড করলেও তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৭২ মিনিটে আনিকার পরিবর্তে মাঠে নামেন সাগরিকা। বদলি হিসেবে নেমেই নেপালের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করেন তিনি। ৭৮ মিনিটে তার জোরালো শট ফিরিয়ে দেন আঞ্জিলা সুব্বা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াতে থাকা ম্যাচে ইনজুরি টাইমে গিয়ে আত্মঘাতী গোলে শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালের গেরো পার হয় বাংলাদেশ।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তুরস্ক। গোলমুখে তাদের শট ছিল আটটি। বিপরীতে মাত্র দুটি শট নিয়েই দুই গোল আদায় করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। দলের জয়ে গোল করেন ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফ।
১১ ঘণ্টা আগে
তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে শতরানের জুটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস। তবে শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন না, বোঝাই যাচ্ছিল। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে রান নিচ্ছিলেন। কয়েকবার ফিজিওকেও আসতে হলো মাঠে। শেষ পর্যন্ত আর পারলেন না। ৭৩ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়লেন ফিজিওর সঙ্গে।
১১ ঘণ্টা আগে
নিয়মিত অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ আগের ম্যাচে মাথায় আঘাত পেলে এ ম্যাচে মাঠে নামেননি। তার বদলে দলে এসেছেন শেখ মেহেদি। তরুণ পেসার নাহিদ রানাকেও এ ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দলে এসেছেন শরিফুল ইসলাম। অধিনায়কত্ব করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
১২ ঘণ্টা আগে
মিরপুরে রোববার (১৪ জুন) সকাল ১১টায় মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এরই মধ্যে দুই ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এবার টাইগারদের সামনে নতুন লক্ষ্য— অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করা।
১৬ ঘণ্টা আগে