
ক্রীড়া ডেস্ক

বার্সেলোনার জন্য সমীকরণটা ছিল বেশ সহজ। ম্যাচে কোনোমতে হার ঠেকালেই সব হিসাবের অবসান। আরও একবার শিরোপা জিতবে উঠবে ঘরে। স্প্যানিশ লা লিগায় ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় এ সমীকরণ বলতে গেলে ছিল ডালভাত। শুধু কিন্তু ছিল একটাই— প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই দলের সঙ্গে ‘এল ক্লাসিকো’ ম্যাচ তো কোনো বিচারেই সহজ নয়।
তবে দুশ্চিন্তাটুকু খাতা-কলমেই থেকে গেল। রোববার (১০ মে) রাতে মাঠে নামতে না নামতেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যেই। অষ্টম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফ্রি কিক থেকে থিবো কোর্তোয়াকে পরাভূত করলেন রাশফোর্ড। ১০ মিনিট পরেই বার্সেলোনার ট্রেডমার্ক ফিল্ড প্লে থেকে ডি-বক্সের মাথায় দাঁড়িয়ে জাল খুঁজে নিলেন ফেরান তোরেস।
ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেল ওই ১৮ মিনিটেই। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলেই ম্যাচ শেষ করেছে বার্সেলোনা। রিয়ালের বিরুদ্ধে এল ক্লাসিকো জয়ের পাশাপাশি মিলেছে লিগ জেতার আনন্দও, তাও আবার তিন ম্যাচ হাতে রেখে! গত মৌসুমেও দুই ম্যাচ হাতে রেখে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার শোকেসে এটি লা লিগার ২৯তম ট্রফি।
ম্যাচের আগেই অবশ্য রিয়ালের ড্রেসিং রুমে বিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল। এর মধ্যে ইনজুরির কারণে ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেকেও একাদশে পয়নি রিয়াল। তারপরও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গনজালো গার্সিয়া, জুড বেলিংহাম, অরেলি শুয়োমিনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা আর ব্রাহিম দিয়াজকে নিয়ে জমাট মিডফিল্ড-ফরোয়ার্ড নিয়েই মাঠে নেমেছিল রিয়াল।
বার্সেলোনাও এ ম্যাচে মিস করেছে তাদের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালকে। তোরেস, রাশফোর্ড, দানি অলমো, ফেরমিন লোপেজ, গাভি আর পেদ্রিদের জবাব দিতে নামে তারা। শুরু থেকেই রাশফোর্ড-অলমো-তোরেসরা ব্যতিব্যস্ত করে তোলেন রিয়ালের রক্ষণভাগ।
অব্যাহত আক্রমণের মুখে গার্সিয়া, রুডিগার, অ্যাসেনসিও আর আরনল্ডের সে রক্ষণ তাল সামলাতে পারেনি। দিনের পর দিন গোলমুখে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো কোর্তোয়াই বা আর কত ঠেকাবেন! ম্যাচে বার্সার নেওয়া ১১ শটের মধ্যে ৭টিই ছিল লক্ষ্যে। তার মধ্যে দুটি শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যভেদ করে ওই ১৮ মিনিটের মধ্যে। পরের ৭২ মিনিটেও স্পষ্টতই খেলায় প্রাধান্য ধরে রেখেছিল বার্সা। তবে কোর্তোয়ার বীরত্বে আর জাল খুঁজে পাননি বার্সার ফরোয়ার্ড-উইংগাররা।
সুযোগ রিয়াল মাদ্রিদও কম তৈরি করেনি। তবে এ ম্যাচেও আরও অনেক ম্যাচের মতোই হাইলাইন ডিফেন্সে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলেছেন বার্সা বস হ্যান্সি ফ্লিক্স। বার্সার রক্ষণভাগের দৃঢ়তাতেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বিপদ তৈরি হয়নি। বলতে গেলে বার্সার গোলবার সামলানোর দায়িত্বে থাকা হোয়ান গার্সিয়াকে বড় পরীক্ষাও দিতে হয়নি। তাতে তিন ম্যাচ হাতে রেখে হেসেখেলেই লিগ ট্রফি ঘরে তুলল বার্সেলোনা।
এটি ছিল দুই দলেরই লিগের ৩৫তম ম্যাচ। এ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯১-এ। ফলে বার্সেলোনার সামনে আরও একটি রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে। পরের তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েল মৌসুম শেষে ১০০ পয়েন্ট স্পর্শ করবে বার্সেলোনা। এর আগে কেবল ২০১১-১২ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ আর ঠিক পরের ২০১২-১৩ মৌসুমে বার্সেলোনাই ১০০ পয়েন্টের গৌরব অর্জন করেছে। এবার পারলে ১৩ বছর পর আবার লা লিগা দেখবে ১০০ পয়েন্ট, বার্সাও প্রথম দল হিসেবে ইতিহাসে একাধিকবার ১০০ পয়েন্টের স্বাদ পাবে।
সেটি হোক বা না হোক, ন্যু ক্যাম্পে হ্যান্সি ফ্লিক্স আর শিষ্যরা আপাতত মেতে উঠেছে টানা দ্বিতীয় আর ইতিহাসের ২৯তম লা লিগা শিরোপার আনন্দে। আনন্দে ভাসছেন বার্সার সমর্থকরাও।

বার্সেলোনার জন্য সমীকরণটা ছিল বেশ সহজ। ম্যাচে কোনোমতে হার ঠেকালেই সব হিসাবের অবসান। আরও একবার শিরোপা জিতবে উঠবে ঘরে। স্প্যানিশ লা লিগায় ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় এ সমীকরণ বলতে গেলে ছিল ডালভাত। শুধু কিন্তু ছিল একটাই— প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই দলের সঙ্গে ‘এল ক্লাসিকো’ ম্যাচ তো কোনো বিচারেই সহজ নয়।
তবে দুশ্চিন্তাটুকু খাতা-কলমেই থেকে গেল। রোববার (১০ মে) রাতে মাঠে নামতে না নামতেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যেই। অষ্টম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফ্রি কিক থেকে থিবো কোর্তোয়াকে পরাভূত করলেন রাশফোর্ড। ১০ মিনিট পরেই বার্সেলোনার ট্রেডমার্ক ফিল্ড প্লে থেকে ডি-বক্সের মাথায় দাঁড়িয়ে জাল খুঁজে নিলেন ফেরান তোরেস।
ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেল ওই ১৮ মিনিটেই। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলেই ম্যাচ শেষ করেছে বার্সেলোনা। রিয়ালের বিরুদ্ধে এল ক্লাসিকো জয়ের পাশাপাশি মিলেছে লিগ জেতার আনন্দও, তাও আবার তিন ম্যাচ হাতে রেখে! গত মৌসুমেও দুই ম্যাচ হাতে রেখে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার শোকেসে এটি লা লিগার ২৯তম ট্রফি।
ম্যাচের আগেই অবশ্য রিয়ালের ড্রেসিং রুমে বিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল। এর মধ্যে ইনজুরির কারণে ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেকেও একাদশে পয়নি রিয়াল। তারপরও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গনজালো গার্সিয়া, জুড বেলিংহাম, অরেলি শুয়োমিনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা আর ব্রাহিম দিয়াজকে নিয়ে জমাট মিডফিল্ড-ফরোয়ার্ড নিয়েই মাঠে নেমেছিল রিয়াল।
বার্সেলোনাও এ ম্যাচে মিস করেছে তাদের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালকে। তোরেস, রাশফোর্ড, দানি অলমো, ফেরমিন লোপেজ, গাভি আর পেদ্রিদের জবাব দিতে নামে তারা। শুরু থেকেই রাশফোর্ড-অলমো-তোরেসরা ব্যতিব্যস্ত করে তোলেন রিয়ালের রক্ষণভাগ।
অব্যাহত আক্রমণের মুখে গার্সিয়া, রুডিগার, অ্যাসেনসিও আর আরনল্ডের সে রক্ষণ তাল সামলাতে পারেনি। দিনের পর দিন গোলমুখে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো কোর্তোয়াই বা আর কত ঠেকাবেন! ম্যাচে বার্সার নেওয়া ১১ শটের মধ্যে ৭টিই ছিল লক্ষ্যে। তার মধ্যে দুটি শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যভেদ করে ওই ১৮ মিনিটের মধ্যে। পরের ৭২ মিনিটেও স্পষ্টতই খেলায় প্রাধান্য ধরে রেখেছিল বার্সা। তবে কোর্তোয়ার বীরত্বে আর জাল খুঁজে পাননি বার্সার ফরোয়ার্ড-উইংগাররা।
সুযোগ রিয়াল মাদ্রিদও কম তৈরি করেনি। তবে এ ম্যাচেও আরও অনেক ম্যাচের মতোই হাইলাইন ডিফেন্সে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলেছেন বার্সা বস হ্যান্সি ফ্লিক্স। বার্সার রক্ষণভাগের দৃঢ়তাতেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বিপদ তৈরি হয়নি। বলতে গেলে বার্সার গোলবার সামলানোর দায়িত্বে থাকা হোয়ান গার্সিয়াকে বড় পরীক্ষাও দিতে হয়নি। তাতে তিন ম্যাচ হাতে রেখে হেসেখেলেই লিগ ট্রফি ঘরে তুলল বার্সেলোনা।
এটি ছিল দুই দলেরই লিগের ৩৫তম ম্যাচ। এ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯১-এ। ফলে বার্সেলোনার সামনে আরও একটি রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে। পরের তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েল মৌসুম শেষে ১০০ পয়েন্ট স্পর্শ করবে বার্সেলোনা। এর আগে কেবল ২০১১-১২ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ আর ঠিক পরের ২০১২-১৩ মৌসুমে বার্সেলোনাই ১০০ পয়েন্টের গৌরব অর্জন করেছে। এবার পারলে ১৩ বছর পর আবার লা লিগা দেখবে ১০০ পয়েন্ট, বার্সাও প্রথম দল হিসেবে ইতিহাসে একাধিকবার ১০০ পয়েন্টের স্বাদ পাবে।
সেটি হোক বা না হোক, ন্যু ক্যাম্পে হ্যান্সি ফ্লিক্স আর শিষ্যরা আপাতত মেতে উঠেছে টানা দ্বিতীয় আর ইতিহাসের ২৯তম লা লিগা শিরোপার আনন্দে। আনন্দে ভাসছেন বার্সার সমর্থকরাও।

ডারউইনে দাপুটে জয়ের পর ম্যাকাইয়ে এসে ব্যাটিংয়ে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়েও অস্ট্রেলিয়ার করা ২১০ রান টপকাতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় স্বাগতিকদের কাছে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে ১-১ সমতায় দুই টেস্টের সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ।
৫ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৫ রান। উইকেটে মুশফিকুর রহিম রয়েছেন ৪৭ বলে ১২ রান করে। মাত্রই নেমেছেন লিটন দাস। এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে ৯১ রানে। অর্থাৎ ইনিংস পরাজয় এড়াতেই বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ৯১ রান।
৫ দিন আগে
স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে অজিরা, হাতে রয়েছে মাত্র ২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে একাই ছয় উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
৬ দিন আগে
জেবক ওয়েদারল্ডের জায়গায় এই টেস্টে দলে এসেছিলেন ম্যাট রেনশো। এ মাঠে সবশেষ তিন ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে তিন সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে টেস্ট দলে ফেরাটা সুখখর হলো না তার জন্য। খেলতে পেরেছেন মাত্র ১০ বল। তাসকিনের বলে আউটসাইড এজড হয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি। ৮ রান করে বিদায় নেন রেনশো, ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায়
৬ দিন আগে