
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লর্ডসের ফাইনালে জমেনি প্রত্যাশিত লড়াই। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখিয়ে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সপ্তমবারের মতো শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়ানরা।
রোববার (৫ জুলাই) ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫০ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাবে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। হাতে তখনও ছিল ১৭ বল ও ৭ উইকেট।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টের ১০টি আসরের মধ্যে তারা খেলেছে আটটি ফাইনাল, যার সাতটিতেই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঝুলিতে রয়েছে একটি করে শিরোপা।
১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৯ রানে ফিরে যান জর্জিয়া ভোল। তবে সেই ধাক্কা দ্রুত সামলে নেন ওপেনার বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ড। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১০০ রানের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দেয়।
লিচফিল্ড ৪৮ রান করে বিদায় নিলেও ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান। অন্য প্রান্তে বেথ মুনি খেলেন ৬৪ রানের কার্যকর ইনিংস। শেষদিকে এলিস পেরি ১৩ ও অ্যাশলে গার্ডনার ৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। ৬ রান করে ফেরেন অ্যামি জোনস এবং ৮ রানেই বিদায় নেন ড্যনি ওয়াট। এরপর ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ক্যাপসি ২৩ রান করে আউট হন, আর হেথার নাইট করেন মাত্র ২ রান।
শেষদিকে স্কিভার-ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প ইনিংস সামলে নেন। স্কিভার-ব্রান্ট অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন, আর ক্যাম্প ৪৪ রানের মূল্যবান ইনিংস উপহার দেন। তাদের ব্যাটেই ১৫০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চারজন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করেন। ব্যাটিংয়ে দাপট দেখিয়ে সহজ জয় তুলে নিয়ে আরও একবার বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা।

লর্ডসের ফাইনালে জমেনি প্রত্যাশিত লড়াই। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখিয়ে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সপ্তমবারের মতো শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়ানরা।
রোববার (৫ জুলাই) ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫০ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাবে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। হাতে তখনও ছিল ১৭ বল ও ৭ উইকেট।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টের ১০টি আসরের মধ্যে তারা খেলেছে আটটি ফাইনাল, যার সাতটিতেই শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঝুলিতে রয়েছে একটি করে শিরোপা।
১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৯ রানে ফিরে যান জর্জিয়া ভোল। তবে সেই ধাক্কা দ্রুত সামলে নেন ওপেনার বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ড। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১০০ রানের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দেয়।
লিচফিল্ড ৪৮ রান করে বিদায় নিলেও ম্যাচ জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান। অন্য প্রান্তে বেথ মুনি খেলেন ৬৪ রানের কার্যকর ইনিংস। শেষদিকে এলিস পেরি ১৩ ও অ্যাশলে গার্ডনার ৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। ৬ রান করে ফেরেন অ্যামি জোনস এবং ৮ রানেই বিদায় নেন ড্যনি ওয়াট। এরপর ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ক্যাপসি ২৩ রান করে আউট হন, আর হেথার নাইট করেন মাত্র ২ রান।
শেষদিকে স্কিভার-ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প ইনিংস সামলে নেন। স্কিভার-ব্রান্ট অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন, আর ক্যাম্প ৪৪ রানের মূল্যবান ইনিংস উপহার দেন। তাদের ব্যাটেই ১৫০ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চারজন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করেন। ব্যাটিংয়ে দাপট দেখিয়ে সহজ জয় তুলে নিয়ে আরও একবার বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে