
ক্রীড়া প্রতিবেদক

টেস্ট সিরিজের বিপরীত চিত্র টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেই। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে আয়ারল্যান্ড হেলাফেলার মতো দল নয়, তা বলাই বাহুল্য। লিটন-তানজিদদের বরাবরের মতো ব্যাটিং ব্যর্থতায় তাই আইরিশদের বধ করা সম্ভব হয়নি। প্রথম ম্যাচে হেরেই ব্যাকফুটে বাংলাদেশ।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে তাই সিরিজ বাঁচানোর চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিশেষ করে ব্যাটিং পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ। প্রথমে বল করে বোলাররা অবশ্য রানও খুব একটা আটকাতে পারেননি। আয়ারল্যান্ড মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ১৮১ রান।
আধুনিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বিবেচনায় এ লক্ষ্যকেও অসম্ভব মনে করার কারণ নেই। কিন্তু পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই বাংলাদেশি ব্যাটাররা দলের হার নিশ্চিত করলেন অদ্ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে। আইরিশ ব্যাটারদের ব্যাটে একটু আগেও যেখানে ছিল চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি, সেখানে বাংলাদেশি ব্যাটাররা একটা সিংগেল পর্যন্ত বের করতে খাবি খাচ্ছিলেন।
ফলাফল যা হওয়ার তাই। প্রথম ওভারে তানজিদকে দিয়ে শুরু। এরপর পাওয়ার প্লে যখন শেষ হলো, দলের স্কোর ৪ উইকেটে ২০। তানজিদের পর একে একে সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস, পারভেজ ইমন, সাইফ হাসান।
পাঁচে নামা তাওহীদ হৃদয় ৫০ বলে ৮৩ রান করে অপরাজিত থেকে সংগ্রাম করে গেছেন একা হাতে। ১৬ বলে ২০ করে কিছুটা চেষ্টা করেছেন জাকের আলী। শেষের দিকে ১৩ বল টিকে ছিলেন শরিফুলও, করেছিলেন ১২ রান। কিন্তু এগুলো কেবলই হারের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করেছে, দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যেতে পারেনি।
এর আগে ঘরের মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। অথচ এই দলই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে শ্রীলংকার মাটিতে শ্রীলংকা, ঘরের মাঠে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস এবং আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসেছে।
উইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজটা প্রস্তুতিমূলক হওয়ার কথা ছিল। প্রথম ম্যাচে সে প্রস্তুতির বেহাল দশার প্রমাণ মিলল। দ্বিতীয় ম্যাচে কি সে ভঙ্গুর দশা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লিটন-জাকেররা।
তাওহীদ হৃদয় এ বিষয়ে আশাবাদী। প্রথম ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ছন্দ ধরে রাখার খেলা। পরের ম্যাচ থেকেই আমরা কামব্যাক করব ইনশাআল্লাহ।’
দেখার বিষয়, তাওহীদ হৃদয়রা কথা রাখতে পারেন কি না, বাঁচিয়ে রাখতে পারেন কি না আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।

টেস্ট সিরিজের বিপরীত চিত্র টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেই। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটে আয়ারল্যান্ড হেলাফেলার মতো দল নয়, তা বলাই বাহুল্য। লিটন-তানজিদদের বরাবরের মতো ব্যাটিং ব্যর্থতায় তাই আইরিশদের বধ করা সম্ভব হয়নি। প্রথম ম্যাচে হেরেই ব্যাকফুটে বাংলাদেশ।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে তাই সিরিজ বাঁচানোর চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিশেষ করে ব্যাটিং পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ। প্রথমে বল করে বোলাররা অবশ্য রানও খুব একটা আটকাতে পারেননি। আয়ারল্যান্ড মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ১৮১ রান।
আধুনিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বিবেচনায় এ লক্ষ্যকেও অসম্ভব মনে করার কারণ নেই। কিন্তু পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই বাংলাদেশি ব্যাটাররা দলের হার নিশ্চিত করলেন অদ্ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে। আইরিশ ব্যাটারদের ব্যাটে একটু আগেও যেখানে ছিল চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি, সেখানে বাংলাদেশি ব্যাটাররা একটা সিংগেল পর্যন্ত বের করতে খাবি খাচ্ছিলেন।
ফলাফল যা হওয়ার তাই। প্রথম ওভারে তানজিদকে দিয়ে শুরু। এরপর পাওয়ার প্লে যখন শেষ হলো, দলের স্কোর ৪ উইকেটে ২০। তানজিদের পর একে একে সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস, পারভেজ ইমন, সাইফ হাসান।
পাঁচে নামা তাওহীদ হৃদয় ৫০ বলে ৮৩ রান করে অপরাজিত থেকে সংগ্রাম করে গেছেন একা হাতে। ১৬ বলে ২০ করে কিছুটা চেষ্টা করেছেন জাকের আলী। শেষের দিকে ১৩ বল টিকে ছিলেন শরিফুলও, করেছিলেন ১২ রান। কিন্তু এগুলো কেবলই হারের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করেছে, দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যেতে পারেনি।
এর আগে ঘরের মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। অথচ এই দলই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে শ্রীলংকার মাটিতে শ্রীলংকা, ঘরের মাঠে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস এবং আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসেছে।
উইন্ডিজের সঙ্গে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজটা প্রস্তুতিমূলক হওয়ার কথা ছিল। প্রথম ম্যাচে সে প্রস্তুতির বেহাল দশার প্রমাণ মিলল। দ্বিতীয় ম্যাচে কি সে ভঙ্গুর দশা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লিটন-জাকেররা।
তাওহীদ হৃদয় এ বিষয়ে আশাবাদী। প্রথম ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ছন্দ ধরে রাখার খেলা। পরের ম্যাচ থেকেই আমরা কামব্যাক করব ইনশাআল্লাহ।’
দেখার বিষয়, তাওহীদ হৃদয়রা কথা রাখতে পারেন কি না, বাঁচিয়ে রাখতে পারেন কি না আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।

আজ রোববার ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সংস্থাটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখলেন তিনি।
৭ দিন আগে
প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৭ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৭ দিন আগে
উয়েফা জানিয়েছে, সদস্যদেশগুলো চলতি সপ্তাহেই ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অবস্থান জানাবে। এর ফলে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা এখন বড় বাধার মুখে পড়েছে।
৮ দিন আগে