
ক্রীড়া ডেস্ক

ম্যাচের শুরুটা ছিল ভুলে যাওয়ার মতো, ৩২ রানে নেই ৩ উইকেট। সেখান থেকে লড়াই শুরু করেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত আর লিটন দাস। তাতে মেলে ২৬৫ রানের লড়াই করার মতো সংগ্রহ। চট্টগ্রামের উইকেটে বাংলাদেশের পেস ট্রায়ো সেই সংগ্রহকে পরিণত করলেন বিশাল সংগ্রহে। শেষ বেলায় কিউই অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফটের ৭ ছক্কাও তাই যথেষ্ট হলো না। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামল ২১০ রানে।
এর সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের ৫৫ রানের জয়। তাতে প্রথম ম্যাচে হারার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ নিয়ে তৃতীয়বার সিরিজ জয়ের স্বাদ মিলল।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের শহিদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লইট. লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে সফরকরী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস সঙ্গী ছিল মিরাজদের। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মোটেও সুখকর হয়নি।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। তৃতীয় ওভারে তার পথ ধরেন আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম। ওয়ান ডাউনে নামা সৌম্য কিছুটা চেষ্টা করলেও বেশি দূর এগোতে পারেননি, ২৬ বলে ১৮ করে আউট হয়ে যান। তিনটি উইকেটই তুলে নেন কিউই পেসার উইল ও’রোকে৷ নবম ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন কাঁপছে বাংলাদেশ।
এখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু শান্ত-লিটনের। শুরুর দিকে দেখেশুনে ক্রিজে পড়ে থাকেন তারা। ধীরে ধীরে স্বচ্ছন্দ হয় ওঠেন উইকেটে। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১৬০ রানের জুটি। ৩৯তম ওভারে লিটনের বিদায়ে সে জুটি ভাঙে। ৯১ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৭৬ রান করেন লিটন।
আরেক প্রান্ত থেকে শান্ত তখনো হাত খুলে খেলে যাচ্ছেন। ৪১তম ওভারে ১১৪ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। এরপর অবশ্য আর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১১৯ বলে দুই ছক্কা ও ৯ চারে ১০৫ রান করে ৪৩তম ওভারে ড্রেসিং রুমে ফেরেন শান্ত। দলের রান তখন ২২১।
এরপর বাংলাদেশের আড়াই শ পার হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন তাওহীদ হৃদয় আর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। পরেরজন ১৮ বলে ২২ করে আউট হলেও হৃদয় শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৩৩ করে অপরাজিত ছিলেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানে।
শুরুর ৩ উইকেটের পর ও’রোকে আর উইকেটের দেখা পাননি। পরে দুটি করে উইকেট নেন জেডেন লেনক্স ও বেন লিস্টার। আরেকটি উইকেট ঝুলিতে পুড়েছেন ডিন ফক্সক্রফট।
২৬৬ রানের লক্ষ্যে দেখেশুনে শুরুর চেষ্টা করেন দুই কিউই ওপেনার৷ কিন্তু চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজ তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। হেনরি নিকোলসকে উইকেটের পেছনে লিটনের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন। ৮ রানেই প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
ওয়ান ডাউনে নামা উইল ইয়ংকে সঙ্গে নিয়ে সে ধাক্কা সামাল দেন আরেক ওপেনার নিক কেলি। ১৪তম ওভারে নাহিদ রানা ইয়ংকে (১৯ রান) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলে ভাঙে সে জুটি।
এরপর চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামও থিতু হতে পারেননি। ১৩ বলে ৫ রান করে প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক মিরাজের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন তিনি। দলের রান তখন ৬১।
আগের ম্যাচের হাফ সেঞ্চুরিয়ান নিক কেলি এ ম্যাচেও অবিচল ছিলেন। চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মাদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন। বোলিংয়ে ফেরত এসে মোস্তাফিজ ফিরিয়ে দেন ৮০ বলে ৫৯ রান করা কেলিকে। দলের রান তখন ১০৮।
পরের ৫২ রানের মধ্যে মোস্তাফিজ, নাহিদ, শরিফুল আর মিরাজ মিলে তুলে নেন আরও ৫ উইকেট। ১৬০ রানে নিউজিল্যান্ডের ৯ উইকেট ফেলে দিয়ে বাংলাদেশ তখন জয়ের প্রহর গুনছে। সেখান থেকে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ফক্সকর্ট। একের পর এক বল আছড়ে ফেলতে থাকেন বাউন্ডারির বাইরে।
তবে আগেই টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রিকোয়ার্ড রান রেট ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় আকাশ ছুঁয়েছে। সেখান থেকে ম্যাচ বের করতে হলে অবিশ্বাস্য কিছু করতে হতো ফক্সক্রফটকে। ৭২ বলে ৭ ছক্কায় ৭৫ রান করে তিনি তাই দলের পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে আর বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষাকে প্রলম্বিতই করতে পেরেছেন। ৪৫তম ওভারে মিরাজের বলে লং অনে সাইফের দুর্দান্ত এক ক্যাচে যবনিকা নামে তার লড়াইয়ের, ২১০ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
বাংলাদেশের পক্ষে ৯ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন মোস্তাফিজ। তরুণ পেস সেনসেশন নাহিদ রানা এ ম্যাচেও গতির ঝড় তুলেছে। ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে তিনি উইকেট পেয়েছেন দুটি৷ মিরাজ ৮.৫ ওভারে ৩৬ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। শরিফুল নিয়েছে বাকি ১ উইকেট। তবে তার ৮ ওভারে ১৯ রান কিউই ব্যাটারদের খোলসবন্দি করে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বোলারদের মধ্যে সবদিক থেকেই ব্যর্থ কেবল সিরিজে এ ম্যাচেই প্রথম সুযোগ পাওয়া স্পিনার তানভির ইসলাম। কোনো উইকেট পাননি তিনি, উলটো ১০ ওভারে রান গুনেছেন ৭০টি!
বোলারদের দাপট দেখানোর এ ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পুরস্কার হিসেবে শান্ত পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। আর পুরো সিরিজে গতির ঝড় তোলা নাহিদের হাতে উঠেছে সিরিজ সেরার পুরস্কারটি।
এ নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনবার সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। অন্যদিকে অধিনায়ক মিরাজও জিতলেন টানা তৃতীয় সিরিজ।
ওয়ানডে সিরিজ শেষে আগামী ২৭ ও ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রামেই তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ২ মে ঢাকার মিরপুরে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি দিয়ে পর্দা নামবে নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের।

ম্যাচের শুরুটা ছিল ভুলে যাওয়ার মতো, ৩২ রানে নেই ৩ উইকেট। সেখান থেকে লড়াই শুরু করেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত আর লিটন দাস। তাতে মেলে ২৬৫ রানের লড়াই করার মতো সংগ্রহ। চট্টগ্রামের উইকেটে বাংলাদেশের পেস ট্রায়ো সেই সংগ্রহকে পরিণত করলেন বিশাল সংগ্রহে। শেষ বেলায় কিউই অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফটের ৭ ছক্কাও তাই যথেষ্ট হলো না। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামল ২১০ রানে।
এর সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের ৫৫ রানের জয়। তাতে প্রথম ম্যাচে হারার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ নিয়ে তৃতীয়বার সিরিজ জয়ের স্বাদ মিলল।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের শহিদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লইট. লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে সফরকরী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস সঙ্গী ছিল মিরাজদের। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মোটেও সুখকর হয়নি।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। তৃতীয় ওভারে তার পথ ধরেন আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম। ওয়ান ডাউনে নামা সৌম্য কিছুটা চেষ্টা করলেও বেশি দূর এগোতে পারেননি, ২৬ বলে ১৮ করে আউট হয়ে যান। তিনটি উইকেটই তুলে নেন কিউই পেসার উইল ও’রোকে৷ নবম ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন কাঁপছে বাংলাদেশ।
এখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু শান্ত-লিটনের। শুরুর দিকে দেখেশুনে ক্রিজে পড়ে থাকেন তারা। ধীরে ধীরে স্বচ্ছন্দ হয় ওঠেন উইকেটে। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১৬০ রানের জুটি। ৩৯তম ওভারে লিটনের বিদায়ে সে জুটি ভাঙে। ৯১ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৭৬ রান করেন লিটন।
আরেক প্রান্ত থেকে শান্ত তখনো হাত খুলে খেলে যাচ্ছেন। ৪১তম ওভারে ১১৪ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। এরপর অবশ্য আর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১১৯ বলে দুই ছক্কা ও ৯ চারে ১০৫ রান করে ৪৩তম ওভারে ড্রেসিং রুমে ফেরেন শান্ত। দলের রান তখন ২২১।
এরপর বাংলাদেশের আড়াই শ পার হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন তাওহীদ হৃদয় আর অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। পরেরজন ১৮ বলে ২২ করে আউট হলেও হৃদয় শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৩৩ করে অপরাজিত ছিলেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানে।
শুরুর ৩ উইকেটের পর ও’রোকে আর উইকেটের দেখা পাননি। পরে দুটি করে উইকেট নেন জেডেন লেনক্স ও বেন লিস্টার। আরেকটি উইকেট ঝুলিতে পুড়েছেন ডিন ফক্সক্রফট।
২৬৬ রানের লক্ষ্যে দেখেশুনে শুরুর চেষ্টা করেন দুই কিউই ওপেনার৷ কিন্তু চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজ তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। হেনরি নিকোলসকে উইকেটের পেছনে লিটনের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন। ৮ রানেই প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
ওয়ান ডাউনে নামা উইল ইয়ংকে সঙ্গে নিয়ে সে ধাক্কা সামাল দেন আরেক ওপেনার নিক কেলি। ১৪তম ওভারে নাহিদ রানা ইয়ংকে (১৯ রান) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলে ভাঙে সে জুটি।
এরপর চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামও থিতু হতে পারেননি। ১৩ বলে ৫ রান করে প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক মিরাজের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন তিনি। দলের রান তখন ৬১।
আগের ম্যাচের হাফ সেঞ্চুরিয়ান নিক কেলি এ ম্যাচেও অবিচল ছিলেন। চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মাদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন। বোলিংয়ে ফেরত এসে মোস্তাফিজ ফিরিয়ে দেন ৮০ বলে ৫৯ রান করা কেলিকে। দলের রান তখন ১০৮।
পরের ৫২ রানের মধ্যে মোস্তাফিজ, নাহিদ, শরিফুল আর মিরাজ মিলে তুলে নেন আরও ৫ উইকেট। ১৬০ রানে নিউজিল্যান্ডের ৯ উইকেট ফেলে দিয়ে বাংলাদেশ তখন জয়ের প্রহর গুনছে। সেখান থেকে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ফক্সকর্ট। একের পর এক বল আছড়ে ফেলতে থাকেন বাউন্ডারির বাইরে।
তবে আগেই টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রিকোয়ার্ড রান রেট ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় আকাশ ছুঁয়েছে। সেখান থেকে ম্যাচ বের করতে হলে অবিশ্বাস্য কিছু করতে হতো ফক্সক্রফটকে। ৭২ বলে ৭ ছক্কায় ৭৫ রান করে তিনি তাই দলের পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে আর বাংলাদেশের জয়ের অপেক্ষাকে প্রলম্বিতই করতে পেরেছেন। ৪৫তম ওভারে মিরাজের বলে লং অনে সাইফের দুর্দান্ত এক ক্যাচে যবনিকা নামে তার লড়াইয়ের, ২১০ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
বাংলাদেশের পক্ষে ৯ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন মোস্তাফিজ। তরুণ পেস সেনসেশন নাহিদ রানা এ ম্যাচেও গতির ঝড় তুলেছে। ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে তিনি উইকেট পেয়েছেন দুটি৷ মিরাজ ৮.৫ ওভারে ৩৬ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। শরিফুল নিয়েছে বাকি ১ উইকেট। তবে তার ৮ ওভারে ১৯ রান কিউই ব্যাটারদের খোলসবন্দি করে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বোলারদের মধ্যে সবদিক থেকেই ব্যর্থ কেবল সিরিজে এ ম্যাচেই প্রথম সুযোগ পাওয়া স্পিনার তানভির ইসলাম। কোনো উইকেট পাননি তিনি, উলটো ১০ ওভারে রান গুনেছেন ৭০টি!
বোলারদের দাপট দেখানোর এ ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পুরস্কার হিসেবে শান্ত পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। আর পুরো সিরিজে গতির ঝড় তোলা নাহিদের হাতে উঠেছে সিরিজ সেরার পুরস্কারটি।
এ নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনবার সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। অন্যদিকে অধিনায়ক মিরাজও জিতলেন টানা তৃতীয় সিরিজ।
ওয়ানডে সিরিজ শেষে আগামী ২৭ ও ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রামেই তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ২ মে ঢাকার মিরপুরে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি দিয়ে পর্দা নামবে নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের।

সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৩ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৩ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৫ দিন আগে
একাদশের ১১ খেলোয়াড়ের মধ্যে মাত্র ২ জন ছাড়া আর কেউই ২০টি ওয়ানডে ম্যাচও খেলেননি। এমনই এক আনকোরা দল নিয়ে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ (১৭ এপ্রিল) বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। আনকোরা সেই দলের বিপক্ষেই হেরেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ইনিংসের পুরোটা সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে তীরে এসে তরী ডুবিয়েছেন
৬ দিন আগে