
ক্রীড়া ডেস্ক

ভালো সূচনার পর পাকিস্তানের শেষটাও হয়েছে ভালো। তবে মাঝের ওভারগুলোতে ভারতীয় বোলাররা চেপে ধরায় খাবি খেয়েছে পাকিস্তানি ব্যাটাররা। সেই ধাক্কাতেই শুরু-শেষের ঝড়ের পরও পাকিস্তানকে থামতে হয়েছে ১৭১ রানে। জবাবে ৫৯ রানে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতেই পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় ভারত। মাঝের ওভারে পাকিস্তানের বোলাররাও চেপে ধরেছিল। তবে শুরুর ঝড়ের ধাক্কাতেই শেষ পর্যন্ত ৭ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে ভারত।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। টসে জিতে ভারতীয় ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও বলতে গেলে সহজ জয়ই পেয়েছে ভারত। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও অবশ্য দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠে হাত মেলাননি একে অন্যের সঙ্গে।
১৭২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি সাজাতে শুরু করেন দুই ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তুলে নেন ৬৯ রান। সেই জুটি গিয়ে ভাঙে দশম ওভারের পঞ্চম বলে। ততক্ষণে ভারতের রান ১০৫।
গিল সে সময় আউট হয়ে যান ২৮ বলে ৪৭ রানে। কোনো ছক্কা না থাকলেও ৮টি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। তার চেয়েও বিধ্বংসী ছিলেন অভিষেক। দলীয় ১২৩ রানের মাথায় আউট হন তিনি। ৫টি ছক্কা আর ৬টি বাউন্ডারিতে তিনি করেন ৩৯ বলে ৭৪ রান। এই ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই।
গিল ও অভিষেকের মাঝে মাঝে ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার ৩ বল খেলে কোনো রান না করেই ড্রেসিং রুমে ফেরেন। ১৮ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। চতুর্থ উইকেট জুটিতে সঞ্জু স্যামসান ও তিলক ভার্মা ২৬ বলে ২৫ রান করেন। ধীরগতির জুটি হলেও ততক্ষণে প্রয়োজনীয় রানরেট নাগালের মধ্যে থাকায় তা খুব একটা প্রভাব ফেলেনি। ১৭তম ওভারে ব্যক্তিগত ১৭ বলে ১৩ রান করে আউট হন স্যামসান।
এরপর আর কোনো বিপত্তি হয়নি। তিলক ভার্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ার ১৩ বলে ২৬ রানের জুটি ৭ বল হাতে রেখেই ভারতে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেয়। ১৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিলক, পান্ডিয়া করেন ৭ বলে ৭ রান।
পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে সফলতম হারিস রউফ। ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। আর কোনো পাকিস্তানি বোলার ভারতের জন্য খুব একটা মাথাব্যথার কারণ হতে পারেননি। আবরার আহমেদ একটি উইকেট নিলেও ৪ ওভারে ৪২ রান দেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারেই ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। ৯ বলে ১৫ রান করে দলীয় ২১ রানের মাথায় আউট হন তিনি। তবে পাকিস্তানের ইনিংসকে পথ দেখায় সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুবের ৪৯ বলে ৭২ রানের জুটি। তবে এর মধ্যে ফারহানের অবদানই ছিল মুখ্য।
একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে সাইম আউট হয়ে যান ১৭ বলে ২১ রান করে। এরপরই পাকিস্তানের ইনিংসের গতি স্লথ হয়ে যেতে থাকে। ১১ বলে ১০ রান করে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ড্রেসিং রুমে ফেরেন হুসেইন তালাত। এক প্রান্ত আগলে থাকা ফারহানও গতি হারিয়ে আউট হয়ে যান এরপর। ৩ ছক্কা আর ৫ চারে তিনি করেন ৪৫ বলে ৫৮ রান।
এরপর মোহাম্মদ নওয়াজের ১৯ বলে ২১, সালমান আগার ১৩ বলে ১৭ আর শেষে নেমে ফাহিম আশরাফের ৮ বলে ২০ রানের ওপর ভর করে শেষ পর্যন্ত ১৭১ রান পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। তাদের পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৫৫ আর শেষ ৪ ওভারে ১ উইকেটে ৫০ রানের বিপরীতে মাঝের ১০ ওভারে রান আসে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬৬। সেখানেই মূলত ১৮০ থেকে ২০০ রানের লক্ষ্যামাত্রা থমকে যায়।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে সফলতম ছিলেন শিভাম দুবে। অবশ্য তার শেষ ওভার থেকেই আসে ১৭ রান। এ ছাড়া ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন কুলদীপ যাদব, ৩ ওভারে ২৯ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন হার্দিক। ভারতের অন্যতম নির্ভরতা জাসপ্রিত বুমরাহ ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করলেও কোনো উইকেট পাননি।
এ ম্যাচে জয়ে সুপার ফোরের টেবিলে বাংলাদেশের মতোই ২ পয়েন্ট হলো ভারতের। তবে ০.৬৮৯ রানরেট নিয়ে তারা রয়েছে টেবিলের শীর্ষে। বাংলাদেশের রানরেট ০.১২১। সোমবার বিরতির পর মঙ্গলবার সুপার ফোরের পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।

ভালো সূচনার পর পাকিস্তানের শেষটাও হয়েছে ভালো। তবে মাঝের ওভারগুলোতে ভারতীয় বোলাররা চেপে ধরায় খাবি খেয়েছে পাকিস্তানি ব্যাটাররা। সেই ধাক্কাতেই শুরু-শেষের ঝড়ের পরও পাকিস্তানকে থামতে হয়েছে ১৭১ রানে। জবাবে ৫৯ রানে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতেই পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় ভারত। মাঝের ওভারে পাকিস্তানের বোলাররাও চেপে ধরেছিল। তবে শুরুর ঝড়ের ধাক্কাতেই শেষ পর্যন্ত ৭ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে ভারত।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। টসে জিতে ভারতীয় ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও বলতে গেলে সহজ জয়ই পেয়েছে ভারত। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও অবশ্য দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠে হাত মেলাননি একে অন্যের সঙ্গে।
১৭২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি সাজাতে শুরু করেন দুই ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তুলে নেন ৬৯ রান। সেই জুটি গিয়ে ভাঙে দশম ওভারের পঞ্চম বলে। ততক্ষণে ভারতের রান ১০৫।
গিল সে সময় আউট হয়ে যান ২৮ বলে ৪৭ রানে। কোনো ছক্কা না থাকলেও ৮টি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। তার চেয়েও বিধ্বংসী ছিলেন অভিষেক। দলীয় ১২৩ রানের মাথায় আউট হন তিনি। ৫টি ছক্কা আর ৬টি বাউন্ডারিতে তিনি করেন ৩৯ বলে ৭৪ রান। এই ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই।
গিল ও অভিষেকের মাঝে মাঝে ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার ৩ বল খেলে কোনো রান না করেই ড্রেসিং রুমে ফেরেন। ১৮ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। চতুর্থ উইকেট জুটিতে সঞ্জু স্যামসান ও তিলক ভার্মা ২৬ বলে ২৫ রান করেন। ধীরগতির জুটি হলেও ততক্ষণে প্রয়োজনীয় রানরেট নাগালের মধ্যে থাকায় তা খুব একটা প্রভাব ফেলেনি। ১৭তম ওভারে ব্যক্তিগত ১৭ বলে ১৩ রান করে আউট হন স্যামসান।
এরপর আর কোনো বিপত্তি হয়নি। তিলক ভার্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ার ১৩ বলে ২৬ রানের জুটি ৭ বল হাতে রেখেই ভারতে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেয়। ১৯ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিলক, পান্ডিয়া করেন ৭ বলে ৭ রান।
পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে সফলতম হারিস রউফ। ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। আর কোনো পাকিস্তানি বোলার ভারতের জন্য খুব একটা মাথাব্যথার কারণ হতে পারেননি। আবরার আহমেদ একটি উইকেট নিলেও ৪ ওভারে ৪২ রান দেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারেই ফখর জামানকে হারায় পাকিস্তান। ৯ বলে ১৫ রান করে দলীয় ২১ রানের মাথায় আউট হন তিনি। তবে পাকিস্তানের ইনিংসকে পথ দেখায় সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুবের ৪৯ বলে ৭২ রানের জুটি। তবে এর মধ্যে ফারহানের অবদানই ছিল মুখ্য।
একাদশ ওভারের তৃতীয় বলে সাইম আউট হয়ে যান ১৭ বলে ২১ রান করে। এরপরই পাকিস্তানের ইনিংসের গতি স্লথ হয়ে যেতে থাকে। ১১ বলে ১০ রান করে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ড্রেসিং রুমে ফেরেন হুসেইন তালাত। এক প্রান্ত আগলে থাকা ফারহানও গতি হারিয়ে আউট হয়ে যান এরপর। ৩ ছক্কা আর ৫ চারে তিনি করেন ৪৫ বলে ৫৮ রান।
এরপর মোহাম্মদ নওয়াজের ১৯ বলে ২১, সালমান আগার ১৩ বলে ১৭ আর শেষে নেমে ফাহিম আশরাফের ৮ বলে ২০ রানের ওপর ভর করে শেষ পর্যন্ত ১৭১ রান পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। তাদের পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৫৫ আর শেষ ৪ ওভারে ১ উইকেটে ৫০ রানের বিপরীতে মাঝের ১০ ওভারে রান আসে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬৬। সেখানেই মূলত ১৮০ থেকে ২০০ রানের লক্ষ্যামাত্রা থমকে যায়।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে সফলতম ছিলেন শিভাম দুবে। অবশ্য তার শেষ ওভার থেকেই আসে ১৭ রান। এ ছাড়া ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন কুলদীপ যাদব, ৩ ওভারে ২৯ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন হার্দিক। ভারতের অন্যতম নির্ভরতা জাসপ্রিত বুমরাহ ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করলেও কোনো উইকেট পাননি।
এ ম্যাচে জয়ে সুপার ফোরের টেবিলে বাংলাদেশের মতোই ২ পয়েন্ট হলো ভারতের। তবে ০.৬৮৯ রানরেট নিয়ে তারা রয়েছে টেবিলের শীর্ষে। বাংলাদেশের রানরেট ০.১২১। সোমবার বিরতির পর মঙ্গলবার সুপার ফোরের পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে