
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় দাপুটে জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের দশম ওভারে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১৩৮। কিন্তু এরপর মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে পথ হারায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনের কার্যকর ইনিংসে ভর করে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।
এই নাটকীয় জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে আইরিশদের কাছে হেরেছিল স্বাগতিকরা। সিরিজের জয়-পরাজয় নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি আগামী ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামেই অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ। দলের হয়ে শুরুটা ঝড়ো গতিতে করেছিলেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তবে অপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম তাকে ঠিকভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি এবং মাত্র ১০ বলে ৭ রান করে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ একটা জুটি হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমন ও লিটন দাস। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ৬০ রান তুলেছেন দুজন। পারভেজ ইমন ২৮ বলে ৫ চার ২ ছয়ে ৪৩ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও সাইফ হাসানের জুটিটাও বেশ ভালো ছিল। তৃতীয় উইকেটে ৩১ রানে ৫২ রান তোলেন দুজন।
তবে এই জুটি ভাঙতেই বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। পরপর ফিরেছেন লিটন, সাইফ। তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহানরা মিডল অর্ডারে ভালো করতে পারেননি। যাতে একটা সময় ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম। সাইফউদ্দিন শেষ দিকে কার্যকরী একটা ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন।
১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৭৪ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। সাইফউদ্দিন তখন ৭ বলে ২ চার ১ ছয়ে ১৭ রানে অপরাজিত। লিটন দাস ৩৭ বল খেলে ৩টি করে চার, ছয়ে ৫৭ রান করে আউট হয়েছেন। সাইফ হাসান ১৭ বলে ১টি করে চার-ছয়ে ফিরেছেন ২২ রান করে।
এর আগে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে আইরিশদের শুরুটাও হয়েছিল দাপুটে। পল স্ট্যার্লিং-টিম ট্যাক্টরের ওপেনিং জুটি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছে।
৪.৪ ওভারের ওপেনিং জুটি তুলেছে ৫৭ রান। ১৪ বলে ৩টি চার ২টি ছয়ে ২৯ রান করা পল স্ট্যার্লিংকে ফিরিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। এরপর হ্যারি ট্যাক্টরকে নিয়ে দারুণ এগুচ্ছিলেন টিম ট্যাক্টর। নবম ওভারে শেখ মাহেদি হাসান বোলিং করতে এসে আইরিশদের গতি থামিয়ে দেন।
পাঁচ বলের ব্যবধানে ফিরিয়ে দেন টিম ট্যাক্টর, হ্যারি ট্যাক্টরকে। ফেরার আগে ২৫ বল খেলে ৪টি চার ২টি ছয়ে ৩৮ রান করেন টিম ট্যাক্টর। আগের ম্যাচের নায়ক হ্যারি ট্যাক্টর করেন ১১ রান। এরপর আইশিদের টেনেছেন লোরকান ট্যাক্টর। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হওয়ার আইরিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ইনিংসটা খেলেছেন লোরকান। ৩২ বলে ৪টি চারে ৪১ রান করেছেন তিনি।
২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে আয়ারল্যান্ড থেমেছে ১৭০ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে শেখ মাহেদি ৪ ওভারে ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

আয়ারল্যান্ডের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একসময় দাপুটে জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের দশম ওভারে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১৩৮। কিন্তু এরপর মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে পথ হারায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনের কার্যকর ইনিংসে ভর করে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।
এই নাটকীয় জয়ের ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে আইরিশদের কাছে হেরেছিল স্বাগতিকরা। সিরিজের জয়-পরাজয় নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি আগামী ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামেই অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ। দলের হয়ে শুরুটা ঝড়ো গতিতে করেছিলেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তবে অপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম তাকে ঠিকভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি এবং মাত্র ১০ বলে ৭ রান করে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ একটা জুটি হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমন ও লিটন দাস। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ৬০ রান তুলেছেন দুজন। পারভেজ ইমন ২৮ বলে ৫ চার ২ ছয়ে ৪৩ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও সাইফ হাসানের জুটিটাও বেশ ভালো ছিল। তৃতীয় উইকেটে ৩১ রানে ৫২ রান তোলেন দুজন।
তবে এই জুটি ভাঙতেই বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। পরপর ফিরেছেন লিটন, সাইফ। তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহানরা মিডল অর্ডারে ভালো করতে পারেননি। যাতে একটা সময় ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম। সাইফউদ্দিন শেষ দিকে কার্যকরী একটা ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন।
১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৭৪ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। সাইফউদ্দিন তখন ৭ বলে ২ চার ১ ছয়ে ১৭ রানে অপরাজিত। লিটন দাস ৩৭ বল খেলে ৩টি করে চার, ছয়ে ৫৭ রান করে আউট হয়েছেন। সাইফ হাসান ১৭ বলে ১টি করে চার-ছয়ে ফিরেছেন ২২ রান করে।
এর আগে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমে আইরিশদের শুরুটাও হয়েছিল দাপুটে। পল স্ট্যার্লিং-টিম ট্যাক্টরের ওপেনিং জুটি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছে।
৪.৪ ওভারের ওপেনিং জুটি তুলেছে ৫৭ রান। ১৪ বলে ৩টি চার ২টি ছয়ে ২৯ রান করা পল স্ট্যার্লিংকে ফিরিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। এরপর হ্যারি ট্যাক্টরকে নিয়ে দারুণ এগুচ্ছিলেন টিম ট্যাক্টর। নবম ওভারে শেখ মাহেদি হাসান বোলিং করতে এসে আইরিশদের গতি থামিয়ে দেন।
পাঁচ বলের ব্যবধানে ফিরিয়ে দেন টিম ট্যাক্টর, হ্যারি ট্যাক্টরকে। ফেরার আগে ২৫ বল খেলে ৪টি চার ২টি ছয়ে ৩৮ রান করেন টিম ট্যাক্টর। আগের ম্যাচের নায়ক হ্যারি ট্যাক্টর করেন ১১ রান। এরপর আইশিদের টেনেছেন লোরকান ট্যাক্টর। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হওয়ার আইরিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ইনিংসটা খেলেছেন লোরকান। ৩২ বলে ৪টি চারে ৪১ রান করেছেন তিনি।
২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে আয়ারল্যান্ড থেমেছে ১৭০ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে শেখ মাহেদি ৪ ওভারে ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

২১৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ভালো শুরু করলেও, ম্যাচের মাঝের ওভারগুলোতে ছন্দ হারিয়ে ফেলায় শেষ পর্যন্ত জয় থেকে পিছিয়ে পড়ে।
৭ দিন আগে
ড্রতে ‘জে’ গ্রুপে পড়েছে লিওনেল মেসির দল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এই গ্রুপে তাদের সঙ্গী আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।
৮ দিন আগে
এবার প্রতিটি গ্রুপের প্রথম দুই দল সরাসরি যাবে শেষ ৩২-এ। ১২ গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল মিলে সে সংখ্যা ২৪। বাকি আটটি দল আসবে কোথা থেকে? এ দলগুলো হবে মূলত গ্রুপ পর্বের সেরা তৃতীয় দলগুলো। হ্যাঁ, ১২ গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা ১২টি দলের মধ্যে সেরা আটটি দল সঙ্গী হবে দ্বিতীয় রাউন্ডে।
৮ দিন আগে
রেকর্ডের হাতছানি নিয়েই ব্রিজবেন টেস্টে নেমেছিলেন মিচেল স্টার্ক। ৪০ তম ওভারে এসে অপেক্ষা ফুরায় তাঁর। হ্যারি ব্রুককে আউট করে ওয়াসিম আকরামকে পেছনে ফেলে টেস্টে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক বনে গেছেন স্টার্ক।
৯ দিন আগে