
ক্রীড়া প্রতিবেদক

এক বছর পর আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়ে মিরপুরে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। সিরিজের প্রথম টেস্ট হেসেখেলে জেতায় এ ম্যাচে খুব একটা চাপ নেই টাইগারদের ওপর। তবে জয়-পরাজয় নয়, এ ম্যাচটি অন্য একটি কারণে উঠে এসেছে লাইমলাইটে। এই ম্যাচেই যে দেশের হয়ে প্রথম কোনো ক্রিকেটার মাঠে নামবেন শততম টেস্ট খেলতে!
হ্যাঁ, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম আগামীকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর টেস্টে নামবেন নিজের শততম টেস্ট ম্যাচে। তিনিই হচ্ছেন দেশের প্রথম এবং স্বাভাবিকভাবেই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি টেস্টে এই ‘সেঞ্চুরি’র গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন।
প্রিয় বন্ধুর এমন অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের আরেক মহাতারকা তামিম ইকবাল। বলেছেন, মুশফিকুর রহিম যোগ্য হিসেবেই এমন অর্জন নিজের করে নিতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ঠিক ১২টায় তামিম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট দিয়েছেন মুশফিকের এই অর্জন নিয়ে। লিখেছেন, ‘তোকে নিয়ে বলার আছে অনেক কিছু্ই। সেই ছেলেবেলা থেকে একসঙ্গে খেলছি, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে, বিভিন্ন পর্যায়ে, রুমমেট ছিলাম অনেকবার। কাছ থেকে দেখেছি তোকে। কোনো একসময় কোন এক উপলক্ষ্যে কোনো প্ল্যাটফর্মে নিশ্চয়ই বলব সবকিছু।’
ক্রিকেটের তীর্থ খ্যাত লর্ডসে মুশফিকুর রহিমের টেস্ট অভিষেক, সেটি ২০০৫ সালের কথা। এরপর পেরিয়ে গেছে ২০ বছর। এর মধ্যে মুশফিক বাকি দুটি ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়ে কেবল টেস্টই খেলে চলেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মিডল অর্ডারের অন্যতম এই স্তম্ভের টেস্ট ক্যারিয়ারও শেষের দিকে, বয়স যে ৩৮!
শততম টেস্টের দোড়গোড়ায় দাঁড়ানো এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের ৯৯ টেস্টের পরিসংখ্যান বাংলাদেশের বিচারে ঈর্ষণীয়ই বলা চলে। ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে রান করেছেন ছয় হাজার ৩৫১। গড় ৩৮.০২। ২৭টি অর্ধশতকের সঙ্গে ১২টি শতক রয়েছে তার নামের পাশে।
কেবল শততম টেস্ট নয়, টেস্ট ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রথম দ্বিশত অর্জনের গৌরবও রয়েছে মুশফিকের ঝুলিতে। ২০১৩ সালে গলে স্বাগতিক শ্রীলংকার বিরুদ্ধে দেশের হয়ে প্রথম সেই ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি। এরপর ২০১৮ আর ২০২০ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে আরও দুটি ডাবল হাঁকিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ২১৯।
মুশফিককে অনেক কথা পরে বলার জন্য রেখে দিলেও এখনকার অর্জন নিয়ে গর্বের কথা লুকাননি তামিম। লিখেছেন, ‘আজকের দিনের জন্য শুধু একটিই কথা, বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলার মাইলফলক তোর চেয়ে বেশি আর কেউ ডিজার্ভ করে না। আশা করি, ভবিষ্যতে এই অর্জনে তোর পাশে নাম লেখাবে আরও অনেকেই। কিন্তু তুই প্রথম, এটা তোরই প্রাপ্য।’
এদিকে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করতে যাওয়ার উপলক্ষ্য স্মরণীয় করে রাখতে বিসিবি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। বুধবার সকালে মিরপুরে সে আয়োজনের সাক্ষী হবেন দর্শকরা।

এক বছর পর আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়ে মিরপুরে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। সিরিজের প্রথম টেস্ট হেসেখেলে জেতায় এ ম্যাচে খুব একটা চাপ নেই টাইগারদের ওপর। তবে জয়-পরাজয় নয়, এ ম্যাচটি অন্য একটি কারণে উঠে এসেছে লাইমলাইটে। এই ম্যাচেই যে দেশের হয়ে প্রথম কোনো ক্রিকেটার মাঠে নামবেন শততম টেস্ট খেলতে!
হ্যাঁ, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম আগামীকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর টেস্টে নামবেন নিজের শততম টেস্ট ম্যাচে। তিনিই হচ্ছেন দেশের প্রথম এবং স্বাভাবিকভাবেই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি টেস্টে এই ‘সেঞ্চুরি’র গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন।
প্রিয় বন্ধুর এমন অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের আরেক মহাতারকা তামিম ইকবাল। বলেছেন, মুশফিকুর রহিম যোগ্য হিসেবেই এমন অর্জন নিজের করে নিতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ঠিক ১২টায় তামিম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট দিয়েছেন মুশফিকের এই অর্জন নিয়ে। লিখেছেন, ‘তোকে নিয়ে বলার আছে অনেক কিছু্ই। সেই ছেলেবেলা থেকে একসঙ্গে খেলছি, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে, বিভিন্ন পর্যায়ে, রুমমেট ছিলাম অনেকবার। কাছ থেকে দেখেছি তোকে। কোনো একসময় কোন এক উপলক্ষ্যে কোনো প্ল্যাটফর্মে নিশ্চয়ই বলব সবকিছু।’
ক্রিকেটের তীর্থ খ্যাত লর্ডসে মুশফিকুর রহিমের টেস্ট অভিষেক, সেটি ২০০৫ সালের কথা। এরপর পেরিয়ে গেছে ২০ বছর। এর মধ্যে মুশফিক বাকি দুটি ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়ে কেবল টেস্টই খেলে চলেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের মিডল অর্ডারের অন্যতম এই স্তম্ভের টেস্ট ক্যারিয়ারও শেষের দিকে, বয়স যে ৩৮!
শততম টেস্টের দোড়গোড়ায় দাঁড়ানো এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের ৯৯ টেস্টের পরিসংখ্যান বাংলাদেশের বিচারে ঈর্ষণীয়ই বলা চলে। ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে রান করেছেন ছয় হাজার ৩৫১। গড় ৩৮.০২। ২৭টি অর্ধশতকের সঙ্গে ১২টি শতক রয়েছে তার নামের পাশে।
কেবল শততম টেস্ট নয়, টেস্ট ক্রিকেটে দেশের হয়ে প্রথম দ্বিশত অর্জনের গৌরবও রয়েছে মুশফিকের ঝুলিতে। ২০১৩ সালে গলে স্বাগতিক শ্রীলংকার বিরুদ্ধে দেশের হয়ে প্রথম সেই ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি। এরপর ২০১৮ আর ২০২০ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে আরও দুটি ডাবল হাঁকিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ২১৯।
মুশফিককে অনেক কথা পরে বলার জন্য রেখে দিলেও এখনকার অর্জন নিয়ে গর্বের কথা লুকাননি তামিম। লিখেছেন, ‘আজকের দিনের জন্য শুধু একটিই কথা, বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলার মাইলফলক তোর চেয়ে বেশি আর কেউ ডিজার্ভ করে না। আশা করি, ভবিষ্যতে এই অর্জনে তোর পাশে নাম লেখাবে আরও অনেকেই। কিন্তু তুই প্রথম, এটা তোরই প্রাপ্য।’
এদিকে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করতে যাওয়ার উপলক্ষ্য স্মরণীয় করে রাখতে বিসিবি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। বুধবার সকালে মিরপুরে সে আয়োজনের সাক্ষী হবেন দর্শকরা।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৪ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে