
সিলেট প্রতিনিধি

লক্ষ্য ছিল ১০৪ রান। টি-টুয়েন্টি ম্যাচ বিবেচনায় একেবারেই মামুলি সংগ্রহ। তা পার হয়ে যেতে বেগ পেতে হয়নি লিটন-তানজিদ-ইমনের। তানজিদ হাসান তামিমের বিম্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৬ ওভার ৫ বল (৪১ বল) হাতে রেখেই পৌঁছে গেছে জয়ের বন্দরে। ৯ উইকেটের বড় জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে তিন ম্যাচ সিরিজ জয়ও নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। একই স্টেডিয়ামে আগের ম্যাচেও ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
সোমবার ছোট টার্গেট সামনে রেখে দেখেশুনে ধীরেসুস্থে ব্যাটিং ইনিংস শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান এলেও পরের ওভারেই দুই ওপেনার দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান দুজনে।
ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে কাইল ক্লেইনের বলে কট বিহাইন্ড হলে ইমনের ইনিংস শেষ হয় ২১ বলে ২৩ রানে। তিনটি বাউন্ডারির পাশাপাশি একটি ছক্কা রয়েছে তার ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে আসে ৩৩ বলে ৪০ রান।
ক্যাপ্টেন লিটন দাস উইকেটে নামার পর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। লিটন দেখেশুনে খেললেও আরেক ওপেনার তানজিদ রানের চাকা সচল রেখেছিলেন দ্রুতগতিতে, ফিফটিও তুলে নেন এর মধ্যে। দুজনে মিলে ৪৬ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত জুটি করে ১৩ ওভার ১ বলেই দলকে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেন।
ইনিংস শেষে লিটন অপরাজিত ছিলেন ১৮ বলে ১৮ রানে। দুটি মাত্র বাউন্ডারি রয়েছে তার ইনিংসে। অন্যদিকে তানজিদ ম্যাচ শেষে অপরাজিত ছিলেন ৪০ বলে ৫৪ রানে। চারটি বাউন্ডারির সঙ্গে তার ইনিংসে ছিল দুটি ছক্কা। এ নিয়ে ৩১তম টি-টুয়েন্টিতে তানজিদের ফিফটি হলো ৬টি।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন কাইল ক্লেইন। বাকি চার বোলারের কেউ সাফল্যের দেখা পাননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন নাসুম আহমেদ।
এর আগে বাংলাদেশি পেসার-স্পিনার সবাই জ্বলে উঠলে নেদারল্যান্ডসের মাত্র ৩ জন ব্যাটার দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেন। ১৭ ওভার ৩ বলে ১০৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ডাচরা।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৪ বলে ৩০ রান করেন ৯ নম্বরে নামা আরিয়ান দত্ত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিক্রমজিৎ করেছেন ১৭ বলে ২৪, ১৭ বলে ১২ রান করেছেন শারিজ। আরিয়ানের প্রতিরোধ না থাকলে ৮১ রানে ৯ উইকেট হারানো সফরকারী দল হয়তো এ ম্যাচে শতরান পেরোতে পারত না।
বোলিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল নাসুম আহমেদ। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন ও মুস্তাফিজ। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তানজিম সাকিব ও শেখ মেহেদি।

লক্ষ্য ছিল ১০৪ রান। টি-টুয়েন্টি ম্যাচ বিবেচনায় একেবারেই মামুলি সংগ্রহ। তা পার হয়ে যেতে বেগ পেতে হয়নি লিটন-তানজিদ-ইমনের। তানজিদ হাসান তামিমের বিম্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৬ ওভার ৫ বল (৪১ বল) হাতে রেখেই পৌঁছে গেছে জয়ের বন্দরে। ৯ উইকেটের বড় জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে তিন ম্যাচ সিরিজ জয়ও নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। একই স্টেডিয়ামে আগের ম্যাচেও ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
সোমবার ছোট টার্গেট সামনে রেখে দেখেশুনে ধীরেসুস্থে ব্যাটিং ইনিংস শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান এলেও পরের ওভারেই দুই ওপেনার দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান দুজনে।
ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে কাইল ক্লেইনের বলে কট বিহাইন্ড হলে ইমনের ইনিংস শেষ হয় ২১ বলে ২৩ রানে। তিনটি বাউন্ডারির পাশাপাশি একটি ছক্কা রয়েছে তার ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে আসে ৩৩ বলে ৪০ রান।
ক্যাপ্টেন লিটন দাস উইকেটে নামার পর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। লিটন দেখেশুনে খেললেও আরেক ওপেনার তানজিদ রানের চাকা সচল রেখেছিলেন দ্রুতগতিতে, ফিফটিও তুলে নেন এর মধ্যে। দুজনে মিলে ৪৬ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত জুটি করে ১৩ ওভার ১ বলেই দলকে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়ে দেন।
ইনিংস শেষে লিটন অপরাজিত ছিলেন ১৮ বলে ১৮ রানে। দুটি মাত্র বাউন্ডারি রয়েছে তার ইনিংসে। অন্যদিকে তানজিদ ম্যাচ শেষে অপরাজিত ছিলেন ৪০ বলে ৫৪ রানে। চারটি বাউন্ডারির সঙ্গে তার ইনিংসে ছিল দুটি ছক্কা। এ নিয়ে ৩১তম টি-টুয়েন্টিতে তানজিদের ফিফটি হলো ৬টি।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন কাইল ক্লেইন। বাকি চার বোলারের কেউ সাফল্যের দেখা পাননি। ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন নাসুম আহমেদ।
এর আগে বাংলাদেশি পেসার-স্পিনার সবাই জ্বলে উঠলে নেদারল্যান্ডসের মাত্র ৩ জন ব্যাটার দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেন। ১৭ ওভার ৩ বলে ১০৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ডাচরা।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৪ বলে ৩০ রান করেন ৯ নম্বরে নামা আরিয়ান দত্ত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিক্রমজিৎ করেছেন ১৭ বলে ২৪, ১৭ বলে ১২ রান করেছেন শারিজ। আরিয়ানের প্রতিরোধ না থাকলে ৮১ রানে ৯ উইকেট হারানো সফরকারী দল হয়তো এ ম্যাচে শতরান পেরোতে পারত না।
বোলিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল নাসুম আহমেদ। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন ও মুস্তাফিজ। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তানজিম সাকিব ও শেখ মেহেদি।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে