
ফজলুল বারী

দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতা ও আস্থাহীনতার পর দেশের পুঁজিবাজার আবার ধনাত্মক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। জাতীয় বাজেটে কর-সুবিধা ও নীতি-সহায়তার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে দৃশ্যমান। তবে এ ইতিবাচক ধারা ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রধান দায়িত্ব বাজার নিয়ন্ত্রক, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই বর্তায়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকার ছয় জায়গায় করহার কমিয়েছে। প্রাসঙ্গিক কিছু নীতি-সহায়তাও দিয়েছে। এর ইতিবাচক প্রতিফলনই গত সপ্তাহের বাজারচিত্রে পড়েছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
লেনদেন কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ফলে সাড়ে ১৭ বছর পর পুঁজিবাজারে স্বস্তির পরশ লেগেছে। সম্ভাবনার পারদও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে আশঙ্কার জায়গাও রয়ে গেছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন অংশে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। কমিশনের পরবর্তী অংশটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনই রয়ে গেছে। কমিশনভুক্ত হয়নি।
কমিশন-বহির্ভূত অংশে ১২৭ জন যুবলীগ সদস্যকে কোভিডকালে ‘নিশি রাতে’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এখনো রয়ে গেছে। সঙ্গে পুরোনো কিছু জঞ্জালও রয়ে গেছে।
সময় ও সুযোগমতো ওদেক কেউ কেউ অন্তর্ঘাত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাতে চাইবে। একই অবস্থা দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেও (ডিএসই)।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা বোর্ডে সাতজন মনোনীত সদস্য। চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনসহ শেয়ার ব্যবসায় জড়িত থাকার জোরালো ‘গুঞ্জন’ আছে। একজনের গুলশানে পৃথক অফিসও আছে।
ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ বহুদিনের। এটা সিকিউরিটিজ আইনের পরিষ্কার লঙ্ঘন।
ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ডিএসইর আওয়ামীকরণ। সে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
ডিএসইর দৃশ্যমান দুর্বলতার আরও একটি চিত্র হলো, এটি ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত স্টক এক্সচেঞ্জ। মাত্র ১০ শতাংশ দক্ষতায় চলছে এ সংস্থাটি।
বিএসইসি ও ডিএসই— উভয় প্রতিষ্ঠানই তারেক রহমান সরকারের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অক্ষম বলে মনে হয়। এ কারণে উভয় প্রতিষ্ঠানের খোলনলচে পাল্টানোর দায়িত্ব সরকারের ওপরই বর্তায়। অতি দ্রুত উভয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতেই হবে। এর বিকল্প নেই।
সরকার জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ছয় জায়গায় কর কমিয়েছে। জাতীয় বাজেটে এ ছাড় নতুন এক মাইলফলক।
এ পরিবর্তনে শক্ত মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার কাজটি সহজ হলো। ব্যাংকের তারল্য বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি হলো।
প্রদেয় কর ছাড়ে ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধির সুযোগ বাড়ল। মিউচুয়াল ফান্ডের শক্তি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হলো। আরও বেশ কিছু জায়গায় এ ছাড়ের সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো।
যদি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্ভাবনার জায়গাগুলোকে অসম্ভব করে না তোলে, তাহলেই রাজস্ব ভান্ডার পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
কর ছাড়ে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনার জায়গা আরও প্রশস্ত হলো। আরও ভালো হতো, সরকার যদি কর আদায়ের জায়গাগুলো সংকুচিত করত। তাতে একসঙ্গে বর্ধিত করপ্রাপ্তির বিষয়টি দৃশ্যমান হতো। কর আদায়ের ঝামেলা কমত। কর প্রদানকারীদেরও স্বস্তি ও উৎসাহ বাড়ত।
২০০৩ সালের জাতীয় বাজেটে ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর চূড়ান্ত ছিল। সে বাজেট উত্থাপন করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
আঠারো কোটি লোকের দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অবাস্তবায়ন বড় নয়। বড় হলো রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয়। বাজেটের ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ ব্যয় হয় আমলাদের পেছনে। উন্নয়ন ব্যয় প্রাক্কলিত হয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ বরাদ্দ অনেক কম।
দুর্নীতি, অপচয় ও অর্থপাচার কমিয়ে এবং রাজস্ব ভান্ডার সমৃদ্ধ করা সম্ভব। উল্লিখিত ব্যবস্থায় উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি কমানো সম্ভব।
পাচারকৃত ২৩৪ বিলিয়ন ডলারের সমান টাকা দেশমুখী করা গেলে দেশের তারল্য সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।
সার্বিক উন্নয়নের কৌশল সঠিক ও লাগসই হলে উন্নয়নের চাকা পূর্ণ গতিতে এগোবে।
বিনিয়োগ সহায়তার ক্ষেত্রে সরকারের কৌশল পরিবর্তন করা জরুরি। এখন থেকে গার্মেন্ট, ঔষধ, বস্ত্র, চামড়া, ব্যাংকসহ বড় বড় খাতে আর কোনো আর্থিক সহায়তা নয়। নীতি-সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
নীতি-সহায়তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে এসএমই খাতে। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতার ধরন ঠিক করা যেতে পারে। অঞ্চল ও সহজে কৃষি কাঁচামাল প্রাপ্তি বিবেচনায় নিয়ে এসএমই খাতের বিকাশে সহযোগিতা দেওয়া যেতে পারে। তাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। টাকা পাচার রোধ হবে। দেশের পুঁজি দেশে থাকবে।
এসএমই খাত সম্প্রসারিত হলে পুঁজিবাজারের এসএমই খাত শক্ত ভিত পাবে। বিকশিত হওয়ার সুযোগ বাড়বে। পরবর্তী ধাপে উত্তরণ সহজ হবে। ব্যাংক খাতের তারল্য মজুত স্থিতিশীল থাকবে।
লেখক: জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক এবং পুঁজিবাজার বিশ্লেষক

দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতা ও আস্থাহীনতার পর দেশের পুঁজিবাজার আবার ধনাত্মক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে। জাতীয় বাজেটে কর-সুবিধা ও নীতি-সহায়তার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে দৃশ্যমান। তবে এ ইতিবাচক ধারা ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রধান দায়িত্ব বাজার নিয়ন্ত্রক, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই বর্তায়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকার ছয় জায়গায় করহার কমিয়েছে। প্রাসঙ্গিক কিছু নীতি-সহায়তাও দিয়েছে। এর ইতিবাচক প্রতিফলনই গত সপ্তাহের বাজারচিত্রে পড়েছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
লেনদেন কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ফলে সাড়ে ১৭ বছর পর পুঁজিবাজারে স্বস্তির পরশ লেগেছে। সম্ভাবনার পারদও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে আশঙ্কার জায়গাও রয়ে গেছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন অংশে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। কমিশনের পরবর্তী অংশটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনই রয়ে গেছে। কমিশনভুক্ত হয়নি।
কমিশন-বহির্ভূত অংশে ১২৭ জন যুবলীগ সদস্যকে কোভিডকালে ‘নিশি রাতে’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা এখনো রয়ে গেছে। সঙ্গে পুরোনো কিছু জঞ্জালও রয়ে গেছে।
সময় ও সুযোগমতো ওদেক কেউ কেউ অন্তর্ঘাত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাতে চাইবে। একই অবস্থা দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেও (ডিএসই)।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা বোর্ডে সাতজন মনোনীত সদস্য। চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনসহ শেয়ার ব্যবসায় জড়িত থাকার জোরালো ‘গুঞ্জন’ আছে। একজনের গুলশানে পৃথক অফিসও আছে।
ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ বহুদিনের। এটা সিকিউরিটিজ আইনের পরিষ্কার লঙ্ঘন।
ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ডিএসইর আওয়ামীকরণ। সে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
ডিএসইর দৃশ্যমান দুর্বলতার আরও একটি চিত্র হলো, এটি ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত স্টক এক্সচেঞ্জ। মাত্র ১০ শতাংশ দক্ষতায় চলছে এ সংস্থাটি।
বিএসইসি ও ডিএসই— উভয় প্রতিষ্ঠানই তারেক রহমান সরকারের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অক্ষম বলে মনে হয়। এ কারণে উভয় প্রতিষ্ঠানের খোলনলচে পাল্টানোর দায়িত্ব সরকারের ওপরই বর্তায়। অতি দ্রুত উভয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতেই হবে। এর বিকল্প নেই।
সরকার জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ছয় জায়গায় কর কমিয়েছে। জাতীয় বাজেটে এ ছাড় নতুন এক মাইলফলক।
এ পরিবর্তনে শক্ত মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার কাজটি সহজ হলো। ব্যাংকের তারল্য বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি হলো।
প্রদেয় কর ছাড়ে ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধির সুযোগ বাড়ল। মিউচুয়াল ফান্ডের শক্তি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হলো। আরও বেশ কিছু জায়গায় এ ছাড়ের সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলো।
যদি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্ভাবনার জায়গাগুলোকে অসম্ভব করে না তোলে, তাহলেই রাজস্ব ভান্ডার পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
কর ছাড়ে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনার জায়গা আরও প্রশস্ত হলো। আরও ভালো হতো, সরকার যদি কর আদায়ের জায়গাগুলো সংকুচিত করত। তাতে একসঙ্গে বর্ধিত করপ্রাপ্তির বিষয়টি দৃশ্যমান হতো। কর আদায়ের ঝামেলা কমত। কর প্রদানকারীদেরও স্বস্তি ও উৎসাহ বাড়ত।
২০০৩ সালের জাতীয় বাজেটে ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর চূড়ান্ত ছিল। সে বাজেট উত্থাপন করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
আঠারো কোটি লোকের দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অবাস্তবায়ন বড় নয়। বড় হলো রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয়। বাজেটের ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ ব্যয় হয় আমলাদের পেছনে। উন্নয়ন ব্যয় প্রাক্কলিত হয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ বরাদ্দ অনেক কম।
দুর্নীতি, অপচয় ও অর্থপাচার কমিয়ে এবং রাজস্ব ভান্ডার সমৃদ্ধ করা সম্ভব। উল্লিখিত ব্যবস্থায় উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি কমানো সম্ভব।
পাচারকৃত ২৩৪ বিলিয়ন ডলারের সমান টাকা দেশমুখী করা গেলে দেশের তারল্য সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।
সার্বিক উন্নয়নের কৌশল সঠিক ও লাগসই হলে উন্নয়নের চাকা পূর্ণ গতিতে এগোবে।
বিনিয়োগ সহায়তার ক্ষেত্রে সরকারের কৌশল পরিবর্তন করা জরুরি। এখন থেকে গার্মেন্ট, ঔষধ, বস্ত্র, চামড়া, ব্যাংকসহ বড় বড় খাতে আর কোনো আর্থিক সহায়তা নয়। নীতি-সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
নীতি-সহায়তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে এসএমই খাতে। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতার ধরন ঠিক করা যেতে পারে। অঞ্চল ও সহজে কৃষি কাঁচামাল প্রাপ্তি বিবেচনায় নিয়ে এসএমই খাতের বিকাশে সহযোগিতা দেওয়া যেতে পারে। তাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। টাকা পাচার রোধ হবে। দেশের পুঁজি দেশে থাকবে।
এসএমই খাত সম্প্রসারিত হলে পুঁজিবাজারের এসএমই খাত শক্ত ভিত পাবে। বিকশিত হওয়ার সুযোগ বাড়বে। পরবর্তী ধাপে উত্তরণ সহজ হবে। ব্যাংক খাতের তারল্য মজুত স্থিতিশীল থাকবে।
লেখক: জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক এবং পুঁজিবাজার বিশ্লেষক

বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর— সবখানেই অসংখ্য মেধাবী শিশুর জন্ম হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করতে জানে, নতুন কিছু ভাবতে জানে, স্বপ্ন দেখতে জানে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বিপুল সম্ভাবনার একটি বড় অংশ সঠিক পরিচর্যা, দিকনির্দেশনা ও সহায়ক পরিবেশের অভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
৫ দিন আগে
প্রথম দৃষ্টিতে এমপি নুরুন্নিসার বক্তব্যকে সমঅধিকারের পক্ষে একটি যুক্তি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও জননীতির আলোচনায় সমতা (Equality) ও ন্যায়সঙ্গত সমতা (Equity) এক বিষয় নয়। অনেক সময় সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে রাষ্ট্রকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়। এ
৮ দিন আগে
স্বয়ং রাসুল (সা.) এ মাসকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বিশ্ববাসীর প্রতি তার দায়িত্ব, অর্থাৎ মানুষকে শান্তির ধর্ম ইসলামের পথে আহ্বান করার কাজ শুরু করেছিলেন মহররম মাসে। তবে এ কথা সত্য— ১০ মহররম কারবালা প্রান্তরে দলবলসহ হজরত ইমাম হুসাইনের (রা.) শহিদ হওয়ার ঘটনা এ দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর
৯ দিন আগে
ভবিষ্যৎ চুক্তির আইনি প্রকৃতি নিয়ে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের এমন একটি প্রস্তাব তা দূর করতে পারে। সে ক্ষেত্রে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আইনি বাধ্যবাধকতার উৎস হবে মূলত জাতিসংঘ সনদ। কিন্তু এখানেই দেখা দেয় বড় ধরনের একটি দ্বন্দ্ব। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন ও ইরান— উভয় পক্ষই সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘ সনদের ম
১৪ দিন আগে