
ড. মোহাম্মদ হাননান

আমাদের নবি (সা.) ও তার সাহাবিরা (রা.) তাদের জামানায় কীভাবে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতেন, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। সাধারণভাবে বর্তমান সময়ে ঈদের দিন একে অন্যকে ‘ঈদ মোবারক’ সম্ভাষণ করে থাকেন। কিন্তু নবি (সা.)-এর আমলে ‘ঈদ মোবারক’ বলে শুভেচ্ছা জানানোর রীতি প্রচলিত ছিল না। তখন ঈদের দিন দেখা হলে একে অন্যকে বলতেন ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’। এর অর্থ, আল্লাহ যেন আপনার এবং আমার গুনাহ মাফ করে দেন। [বায়হাকি, ২ । ৩৯]
বর্তমানে আমরা সবাই ঈদের দিন ‘ঈদ মোবারক’ বলে থাকি। শব্দ দুটো আরবি। ‘ঈদ’ অর্থ খুশি, আনন্দ, উৎসব। ‘মোবারক’ অর্থ মঙ্গল, শুভ বা পবিত্র। দুটি শব্দ মিলিয়ে ‘ঈদ মোবারক’-এর অর্থ দাঁড়ায় ‘খুশি মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ শুভ’ বা উৎসব পবিত্র’ বা এমন কিছু। অর্থাৎ ‘ঈদ মোবারক’ শব্দগুচ্ছ দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর যে আকাঙ্ক্ষা, সেটি পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয় না।
তবে যদি বলা হয় ‘ঈদ মোবারকবাদ’, তখন কিন্তু অর্থ অনেকটাই পূর্ণতা পায়। কারণ ‘মোবারকবাদ’ শব্দের অর্থ ‘অভিনন্দন’। তাহলে ‘ঈদ মোবারকবাদ’ অর্থ দাঁড়ায় ‘খুশি অভিনন্দন’ বা ‘আনন্দ অভিনন্দন’ বা ‘উৎসবের অভিনন্দন’ ইত্যাদি। [বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের অভিধান, সম্পাদনা: মোহাম্মদ হারুন রশিদ, বাংলা একাডেমি ২০২০]

এখন আমরা কী করব! কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন, সাংঘর্ষিক না হলে আমরা তো এটা ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু মূল সুন্নত আমরা ঢেকে দিতে পারি না। যদি জানার পরও ঢেকে দেই, তাহলে এটি সাংঘর্ষিকই হলো।
আমরা বরং এটি সমন্বয় করতে পারি। বলতে পারি, ‘তাকাবালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম, ঈদ মোবারক’।
তবে এ বিষয়ে ফয়সালা দিতে পারেন জ্ঞানী আলেমরা। সহি তরিকার উলামা হজরতরা আমাদের এ বিষয়ে পথ দেখাবেন নিশ্চয়ই।
লেখক: লেখক ও গবেষক

আমাদের নবি (সা.) ও তার সাহাবিরা (রা.) তাদের জামানায় কীভাবে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতেন, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। সাধারণভাবে বর্তমান সময়ে ঈদের দিন একে অন্যকে ‘ঈদ মোবারক’ সম্ভাষণ করে থাকেন। কিন্তু নবি (সা.)-এর আমলে ‘ঈদ মোবারক’ বলে শুভেচ্ছা জানানোর রীতি প্রচলিত ছিল না। তখন ঈদের দিন দেখা হলে একে অন্যকে বলতেন ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’। এর অর্থ, আল্লাহ যেন আপনার এবং আমার গুনাহ মাফ করে দেন। [বায়হাকি, ২ । ৩৯]
বর্তমানে আমরা সবাই ঈদের দিন ‘ঈদ মোবারক’ বলে থাকি। শব্দ দুটো আরবি। ‘ঈদ’ অর্থ খুশি, আনন্দ, উৎসব। ‘মোবারক’ অর্থ মঙ্গল, শুভ বা পবিত্র। দুটি শব্দ মিলিয়ে ‘ঈদ মোবারক’-এর অর্থ দাঁড়ায় ‘খুশি মঙ্গল’ বা ‘আনন্দ শুভ’ বা উৎসব পবিত্র’ বা এমন কিছু। অর্থাৎ ‘ঈদ মোবারক’ শব্দগুচ্ছ দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর যে আকাঙ্ক্ষা, সেটি পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয় না।
তবে যদি বলা হয় ‘ঈদ মোবারকবাদ’, তখন কিন্তু অর্থ অনেকটাই পূর্ণতা পায়। কারণ ‘মোবারকবাদ’ শব্দের অর্থ ‘অভিনন্দন’। তাহলে ‘ঈদ মোবারকবাদ’ অর্থ দাঁড়ায় ‘খুশি অভিনন্দন’ বা ‘আনন্দ অভিনন্দন’ বা ‘উৎসবের অভিনন্দন’ ইত্যাদি। [বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের অভিধান, সম্পাদনা: মোহাম্মদ হারুন রশিদ, বাংলা একাডেমি ২০২০]

এখন আমরা কী করব! কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন, সাংঘর্ষিক না হলে আমরা তো এটা ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু মূল সুন্নত আমরা ঢেকে দিতে পারি না। যদি জানার পরও ঢেকে দেই, তাহলে এটি সাংঘর্ষিকই হলো।
আমরা বরং এটি সমন্বয় করতে পারি। বলতে পারি, ‘তাকাবালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম, ঈদ মোবারক’।
তবে এ বিষয়ে ফয়সালা দিতে পারেন জ্ঞানী আলেমরা। সহি তরিকার উলামা হজরতরা আমাদের এ বিষয়ে পথ দেখাবেন নিশ্চয়ই।
লেখক: লেখক ও গবেষক

যুদ্ধকালীন অবস্থার চেয়ে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সবসময়ই ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কেবল যুদ্ধে জড়ানো দেশের জন্যই নয়, সারা বিশ্বের জন্যই এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সভ্যতার সংকট সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখে যুদ্ধ, হয়ে ওঠে নীরব আততায়ী। ইরান যুদ্ধও এর থেকে আলাদা কোনো বিষয় নয়।
৮ দিন আগে
কখনো ঠান্ডা, কখনো গরম— এমন পরিস্থিতির পালাবদলে নারী, পুরুষ, শিশু ও তরুণদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ ‘সর্দি জ্বরে’। এর মধ্যেই আবার দেখা দিয়েছে ‘ভাইরাসজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর’ও। শিশুরা ভুগছে নানান ভাইরাসের সংক্রমণে ‘শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জ্বরে’।
৯ দিন আগে
মেধার পক্ষে দাঁড়ানো মানে শুধু পরীক্ষার্থীর পক্ষে দাঁড়ানো নয়; এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নৈতিক মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো। এখন সাহসী সিদ্ধান্তের সময়— রাষ্ট্রকে মেধার পক্ষে দাঁড়াতে হবে।
৯ দিন আগে
সম্ভবত সেই দিক বিবেচনায় আজ শনিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার হতে প্রয়োজনীয় তেল ক্রয় করছে। ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই। দ
১১ দিন আগে