
ইশফাক ইলাহী চৌধুরী

আমি আন্তরিকভাবে চাই, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসুন। সত্যি বলতে ৫ আগস্টের পরপরই তিনি দেশে ফিরবেন বলে আশা করেছিলাম, যেন তিনি বিএনপির হাল ধরতে পারেন। কিন্তু কেন তিনি আসছেন না, তার নিরাপত্তা ঝুঁকি কী— এগুলো আমার কাছে মোটেই স্পষ্ট নয়। কেউ জানলে বলতে পারে, কিন্তু আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।
আমার বিশ্বাস, তার অনেক আগেই দেশে ফিরে আসা উচিত ছিল। আমরা সবাই ভেবেছিলাম, তিনি বেগম জিয়ার সঙ্গে ফিরবেন— সেটাও হয়নি। লন্ডন থেকেই নমিনেশন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ দেশ চলবে না।
যদি তিনি সত্যিই বিএনপিকে ধরে রাখতে চান, তাকে দেশে ফিরে এসে নেতৃত্ব দিতে হবে। তা না হলে খালেদা জিয়ার দুঃখজনক অনুপস্থিতিতে দল গভীর সংকটে পড়বে। আমি আশা করি তিনি ফিরবেন। আর যদি কোনো অসুবিধা থাকে, সেটা খোলাখুলিভাবে জনগণকে জানানো উচিত— ‘এই আমার অসুবিধা’।
তারেক রহমানের দেশে ফেরায় আমি তেমন কোনো ঝুঁকি দেখি না। আমরা যখন দেশে আছি, তার জন্য আলাদা ঝুঁকি কেন থাকবে? আর যদি ঝুঁকি থাকে, সেটা সরকার বহন করবে— এ ক্ষমতা সরকারের আছে।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানেই ঝুঁকি। ঝুঁকিহীন সমাজ বা ঝুঁকিহীন নেতা বলে কিছু নেই। তিনি প্রেসিডেন্ট ওবামা হোন বা কোনো গণ্ডগ্রামের নেতা— সবাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এই ঝুঁকি নিয়েই রাজনীতি করতে হয়, সমাজসেবা করতে হয়, নিজের ভাবধারা প্রচার করতে হয়। তার মতো একজন ভিআইপিকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে এবং থাকা উচিত।
২৯ নভেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই তার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
এ প্রসঙ্গে তারেক আরও লিখেছেন, ‘স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।’ তবে একজন রাজনীতিবিদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকবে, তিনি যেন নিজের সমস্যা খোলাখুলিভাবেই জনগণকে জানান।
লেখক: নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর

আমি আন্তরিকভাবে চাই, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসুন। সত্যি বলতে ৫ আগস্টের পরপরই তিনি দেশে ফিরবেন বলে আশা করেছিলাম, যেন তিনি বিএনপির হাল ধরতে পারেন। কিন্তু কেন তিনি আসছেন না, তার নিরাপত্তা ঝুঁকি কী— এগুলো আমার কাছে মোটেই স্পষ্ট নয়। কেউ জানলে বলতে পারে, কিন্তু আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।
আমার বিশ্বাস, তার অনেক আগেই দেশে ফিরে আসা উচিত ছিল। আমরা সবাই ভেবেছিলাম, তিনি বেগম জিয়ার সঙ্গে ফিরবেন— সেটাও হয়নি। লন্ডন থেকেই নমিনেশন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ দেশ চলবে না।
যদি তিনি সত্যিই বিএনপিকে ধরে রাখতে চান, তাকে দেশে ফিরে এসে নেতৃত্ব দিতে হবে। তা না হলে খালেদা জিয়ার দুঃখজনক অনুপস্থিতিতে দল গভীর সংকটে পড়বে। আমি আশা করি তিনি ফিরবেন। আর যদি কোনো অসুবিধা থাকে, সেটা খোলাখুলিভাবে জনগণকে জানানো উচিত— ‘এই আমার অসুবিধা’।
তারেক রহমানের দেশে ফেরায় আমি তেমন কোনো ঝুঁকি দেখি না। আমরা যখন দেশে আছি, তার জন্য আলাদা ঝুঁকি কেন থাকবে? আর যদি ঝুঁকি থাকে, সেটা সরকার বহন করবে— এ ক্ষমতা সরকারের আছে।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানেই ঝুঁকি। ঝুঁকিহীন সমাজ বা ঝুঁকিহীন নেতা বলে কিছু নেই। তিনি প্রেসিডেন্ট ওবামা হোন বা কোনো গণ্ডগ্রামের নেতা— সবাই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এই ঝুঁকি নিয়েই রাজনীতি করতে হয়, সমাজসেবা করতে হয়, নিজের ভাবধারা প্রচার করতে হয়। তার মতো একজন ভিআইপিকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে এবং থাকা উচিত।
২৯ নভেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই তার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
এ প্রসঙ্গে তারেক আরও লিখেছেন, ‘স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।’ তবে একজন রাজনীতিবিদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকবে, তিনি যেন নিজের সমস্যা খোলাখুলিভাবেই জনগণকে জানান।
লেখক: নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর

এখানে সরকারের ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব আছে। তার মন্তব্যের কারণ কী, সেটি সরকার জানতে চাইতে পারে এবং পরিষ্কার করতে পারে। কারণ এর বাইরে অন্য কোনো বিশেষ জটিলতা আছে বলে আমার মনে হয় না।
১৩ দিন আগে
দীর্ঘ সময় ধরে তারেক রহমান দেশের বাইরে। এটি এখন বিএনপির জন্য নতুন কিছু নয়। তৃণমূলের বহু নেতাকর্মী বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। সত্যি বলতে, তিনি দেশে ফিরলে দল অবশ্যই নতুন উদ্দীপনা পাবে। কিন্তু তার অনুপস্থিতিতেও দলের সাংগঠনিক কাজ থেমে নেই— এটাই গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।
১৩ দিন আগে
ওয়ান-ইলেভেনের সময় যেসব শক্তি তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং নির্যাতন করেছিল, তাদের সঙ্গে সেই পুরনো বিরোধ এখনো পুরোপুরি মিটেনি। সেই সময়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা এতে জড়িত ছিলেন, তাদের একটি অংশ আজও ‘সম্মতি’ দিচ্ছেন না— এমন ধারণা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাদের হয়তো নিজেদের কিছু স্বার্থ বা অবস্থান রয়ে
১৩ দিন আগে