
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী জেলা কারাগারের ব্যারাক থেকে সাজেদুর রহমান মিলন (৪২) নামে এক কারারক্ষীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা কারাগারের নিচ তলার ব্যারাকের ভেতরে একটি ফ্যানে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায় মরদেহটি।
মৃত সাজেদুর রহমান শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার সাইফুল ইসলামের ছেলে। বিবাহিত জীবনে এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক তিনি।
কারা সূত্র জানিয়েছে, কারারক্ষী সাজেদুরকে গত ৩১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা কারাগার থেকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে বদলি করা হয়। তিনি চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেলা কারাগারে যোগ দেন।
জেলা কারাগারের কারারক্ষী ও সাজেদুরের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টায় কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের ডিউটি শুরু হয়, শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। ডিউটি শেষ করে তিনি বাসায় না যাওয়ায় স্ত্রী ফাহিমা বেগম তার খোঁজে কারাগারে যান। অনেক খোঁজাখুজির পর নিচ তলার একটি ব্যারাকের ভেতরে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে।
দরজা ভেঙে তাকে নামিয়ে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, কারারক্ষী সাজেদুর রহমানকে মৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে।
কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের স্ত্রী ফাহিমা বেগম জানান, তার স্বামী সাজেদুর রহমান কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি জেলা কারাগারের জেলারের কাছে ছুটির আবেদনও করেছিলেন।
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার মো. লাভলু বলেন, অসুস্থ থাকায় সাজেদুর কয়েকদিন আগেও ছুটিতে ছিলেন। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, কারা কর্তপক্ষ সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশ সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পটুয়াখালী জেলা কারাগারের ব্যারাক থেকে সাজেদুর রহমান মিলন (৪২) নামে এক কারারক্ষীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা কারাগারের নিচ তলার ব্যারাকের ভেতরে একটি ফ্যানে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায় মরদেহটি।
মৃত সাজেদুর রহমান শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার সাইফুল ইসলামের ছেলে। বিবাহিত জীবনে এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক তিনি।
কারা সূত্র জানিয়েছে, কারারক্ষী সাজেদুরকে গত ৩১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা কারাগার থেকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে বদলি করা হয়। তিনি চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেলা কারাগারে যোগ দেন।
জেলা কারাগারের কারারক্ষী ও সাজেদুরের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টায় কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের ডিউটি শুরু হয়, শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। ডিউটি শেষ করে তিনি বাসায় না যাওয়ায় স্ত্রী ফাহিমা বেগম তার খোঁজে কারাগারে যান। অনেক খোঁজাখুজির পর নিচ তলার একটি ব্যারাকের ভেতরে ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাকে।
দরজা ভেঙে তাকে নামিয়ে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, কারারক্ষী সাজেদুর রহমানকে মৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে।
কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের স্ত্রী ফাহিমা বেগম জানান, তার স্বামী সাজেদুর রহমান কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি জেলা কারাগারের জেলারের কাছে ছুটির আবেদনও করেছিলেন।
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার মো. লাভলু বলেন, অসুস্থ থাকায় সাজেদুর কয়েকদিন আগেও ছুটিতে ছিলেন। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, কারা কর্তপক্ষ সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশ সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আওয়ামী লীগের সময় নিয়োগ পাওয়া এই রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সময় পদে থাকবেন কি না, এ নিয়ে অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে, নানা রকম আলোচনা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশে ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় তাদের দায়িত্ব মূলত প্রশাসনিক ও সীমিত পরিসরের ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
আব্দুল্লাহ জাবের বলেন, শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি সরকার তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই একজন গণহত্যার সহায়তাকারী হিসেবে তার বিচার করা হোক৷ অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে