
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার সব আসামিই পলাতক।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যা ও নির্যাতনের আদেশ, উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনাল আমলে নেন। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেন।
গত ১৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও শুনানি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। এর আগে ১২ আগস্ট মামলার চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাত আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) এবং তাদের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আর্জি জানিয়ে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ করেন।
গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই যুক্তিতর্কে টানা পাঁচ কার্যদিবসে রাষ্ট্রপক্ষ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।
চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালকে জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগই রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য এই শীর্ষ নেতৃত্ব কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না। তাই তাদের প্রতি কোনো ধরনের অনুকম্পা না দেখিয়ে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার সব আসামিই পলাতক।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যা ও নির্যাতনের আদেশ, উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনাল আমলে নেন। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেন।
গত ১৭ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও শুনানি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। এর আগে ১২ আগস্ট মামলার চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাত আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) এবং তাদের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আর্জি জানিয়ে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ করেন।
গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই যুক্তিতর্কে টানা পাঁচ কার্যদিবসে রাষ্ট্রপক্ষ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।
চিফ প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালকে জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগই রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য এই শীর্ষ নেতৃত্ব কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না। তাই তাদের প্রতি কোনো ধরনের অনুকম্পা না দেখিয়ে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত।

গত সাত মাসে দেশে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিনের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— এমন দাবি করার মতো তথ্
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মন্তব্যের বিষয়ে কোনো পাল্টা মন্তব্য করতে রাজি হননি ইসি সচিব। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি যেটা বলেছেন, সেটা শিরোধার্য। তবে এ বিষয়ে পাল্টা কোনো মন্তব্য করার ধৃষ্টতা আমি দেখাব না। নো কমেন্টস ফ্রম মাই সাইড।’
২ ঘণ্টা আগে
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ বাংলাদেশে মামলা ও সাজা হওয়া অন্যদেরও ফেরত চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
সাক্ষাতকালে চীনা রাষ্ট্রদূত রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।
২ ঘণ্টা আগে