
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ‘ঝুঁকিতে থাকা’ ২০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে গানম্যান দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এ তালিকায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক ছাড়াও রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয় নেতা।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে এনসিপির ছয় নেতা ও গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের অনুরোধের ভিত্তিতে গানম্যান দেওয়া হয়েছে। ডিজিএফআই, এনএসআই ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের একটি তালিকা করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ফয়সাল করিমসহ ১০ জনকে এরই মধ্যে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ৪১ রাউন্ড গোলাবারুদ ও একটি খেলনা পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
এনসিপির যে ছয় নেতা গানমান পাচ্ছেন তারা হলেন— আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা।
এ তালিকায় রয়েছেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতা সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা সার্বক্ষণিক গানম্যান ও নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেছেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ‘ঝুঁকিতে থাকা’ ২০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে গানম্যান দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এ তালিকায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক ছাড়াও রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয় নেতা।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে এনসিপির ছয় নেতা ও গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের অনুরোধের ভিত্তিতে গানম্যান দেওয়া হয়েছে। ডিজিএফআই, এনএসআই ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের একটি তালিকা করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ফয়সাল করিমসহ ১০ জনকে এরই মধ্যে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ৪১ রাউন্ড গোলাবারুদ ও একটি খেলনা পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
এনসিপির যে ছয় নেতা গানমান পাচ্ছেন তারা হলেন— আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা।
এ তালিকায় রয়েছেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতা সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা সার্বক্ষণিক গানম্যান ও নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, হিজরি ১৪৪৭/২০২৬ সালের হজযাত্রীদের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এক সার্ভিস কোম্পানির হজযাত্রী একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে পাঠাতে হবে। এছাড়া হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন, ২০২৬ অনুযায়ী প্রত্যেক এজেন্সির মোট হজযাত্রীর কমপক্ষে ২০ শতাংশ প্রি-হজ ফ্লাইটের
৪ ঘণ্টা আগে
ডিএমপির ডিবিপ্রধান জানান, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী মো. বিল্লাল, শ্যুটার জিন্নাত ও মো. রিয়াজ এবং আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী বিল্লালের ভাই আব্দুল কাদিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারওয়ান বাজারে ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘ
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানিতে আরও ৫৮ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এ নিয়ে দুই দিনে মোট ১৪০টি আপিলের মধ্যে ১০৯টি আবেদন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ২২টি এবং ৯টি স্থগিত করা হ
৪ ঘণ্টা আগে
আদিলুর রহমান বলেন, আমরা ওই বাংলাদেশটাই স্বপ্ন দেখি যেই স্বপ্ন আমাদের শহীদরা দেখিয়ে গেছেন। যেন বাংলাদেশ আর অন্যায়ের পথে না হাঁটে। তারা ওই বাংলাদেশই চেয়েছেন, যে বাংলাদেশে বৈষম্য থাকবে না। আমরা খুব বেশি কাজ করতে পারিনি। যেটুকু পেরেছি সে কাজটা যেন স্থায়ী করতে পারি।
৪ ঘণ্টা আগে