
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওয়ানা দিতে যাচ্ছেন নুরুন্নাহার নিম্মি। দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠোর অনুশীলন ও একাধিক সফল হিমালয় অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই নারী পর্বতারোহী এবার নামছেন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে— এভারেস্ট ও বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ পর্বত লোৎসে জয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশে বিমানযোগে রওয়ানা দেবেন নুরুন্নাহার নিম্মি। প্রয়োজনীয় উচ্চতাজনিত পর্বতারোহণ সরঞ্জাম সংগ্রহ শেষে দুই দিন পর রওয়ানা দিয়ে মাউন্ট এভারেস্টের প্রধান প্রবেশদ্বার লুকলায় পৌঁছাবেন তিনি, যেখান থেকে শুরু হবে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পের পথে ট্রেকিং।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সফল এই নারী পর্বতারোহী তার এবারের অভিযানের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নাহার নিম্মি বলেন, ‘লুকলা থেকে ধাপে ধাপে উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আমি বেজ ক্যাম্পে পৌঁছাব। সেখানে কয়েক দিন বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের পর শুরু হবে রোটেশন। অর্থাৎ আরও বেশি উচ্চতায় উঠে আবার বেজ ক্যাম্পে ফিরে আসব। এভাবে সাত হাজার ২০০ মিটার পর্যন্ত গিয়ে শরীরকে প্রস্তুত করব। এরপর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শুরু হবে ফাইনাল পুশ।’
সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নাহার নিম্মির বক্তব্য দেখুন এখানে—
https://www.facebook.com/share/r/1Cw5Cn5N2m/

নিম্মি জানান, তার এবারের অভিযান কেবল এভারেস্টেই সীমাবদ্ধ নয়, একই অভিযানে বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ লোৎসে জয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। সাউথ কোল থেকে এভারেস্ট সামিট শেষে আবার সেখান থেকেই লোৎসের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। সবকিছু অনুকূলে থাকলে পুরো অভিযান শেষ হতে প্রায় দুই মাস সময় লাগবে।
কঠোর প্রস্তুতির পথচলা
নুরুন্নাহার নিম্মির পর্বতারোহণের স্বপ্ন একদিনের নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়ার সময় চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে অবস্থিত চন্দ্রনাথ পাহাড়ে ফিল্ডওয়ার্কে গিয়ে পাহাড়ের প্রতি তার ভালোবাসা জন্ম নেয়। পরে বান্দরবান, ভুটান, ভারতের সিকিম ও নেপালের পাহাড়ে ঘোরাঘুরি করতে করতে সে টান আরও তীব্র হয়।

২০২০ সালে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্প ট্রেকিং সম্পন্ন করেন নিম্মি। সে অভিজ্ঞতাই তাকে পেশাদার পর্বতারোহণে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। ২০২২ সালে ভারতের দার্জিলিংয়ে অবস্থিত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে মৌলিক প্রশিক্ষণ নেন। এরপর থেকে প্রতিবছরই পর্বতারোহণ মৌসুমে বিভিন্ন উচ্চতার শৃঙ্গে অভিযান চালিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন।
হিমলুং জয়ের পর এবার এভারেস্ট
গত বছর নিম্মি নেপালের হিমলুং হিমাল পর্বতশৃঙ্গ (সাত হাজার ১২৬ মিটার) শৃঙ্গ সফলভাবে সামিট করেন। ৩ নভেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে হিমলুং হিমাল শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে দেশের নারী পর্বতারোহণে নতুন অনুপ্রেরণা তৈরি করেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৬ হাজার ১৬১ মিটার উচ্চতার নেপালের আইল্যান্ড পিক চূড়ায় পা রাখেন এই পর্বতারোহী। এবার সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় তার লক্ষ্য আট হাজার ৮৪৮ দশমিক ৮৬ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট।
ব্যাংকার থেকে পর্বতারোহী
পেশায় ব্যাংকার নুরুন্নাহার নিম্মি বর্তমানে পূবালী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত। ব্যস্ত কর্মজীবনের পাশাপাশি প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে শুরু হতো তার শারীরিক প্রস্তুতি। ভোরের ওয়ার্কআউট, অফিস শেষে জিমে দীর্ঘ সময় অনুশীলন এবং মানসিক দৃঢ়তার জন্য নিয়মিত মেডিটেশন— সব মিলিয়ে নিজেকে তৈরি করেছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের জন্য।

নিম্মি বলেন, ‘অফিসের আগে ও পরে প্রতিদিন শরীরচর্চা করেছি। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক শক্তিও খুব জরুরি। তাই নিয়মিত মেডিটেশন করেছি।’
পৃষ্ঠপোষকতায় পূবালী ব্যাংক
নিম্মির এই স্বপ্নযাত্রায় সবচেয়ে বড় সহায়তা দিয়েছে তার কর্মস্থল পূবালী ব্যাংক পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি তার পুরো অভিযান স্পন্সর করছে। এর আগে হিমলুং হিমাল অভিযানেরও পৃষ্ঠপোষক ছিল ব্যাংকটি।
নিম্মি বলেন, ‘আমি কয়েক জায়গায় স্পন্সরশিপের জন্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু পূবালী ব্যাংক আমাকে পুরো সহায়তা দিয়েছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এই অভিযান কঠিন হয়ে যেত।’
নারী পর্বতারোহণে নতুন অনুপ্রেরণা
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের দুজন নারী এভারেস্ট জয় করেছেন— নিশাত মজুমদার ও ওয়াসফিয়া নাজরীন। নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। আর ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১২ সালের ২৬ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
এরপর ২০১৭ সালে এপ্রিলে বাংলাদেশি অভিযাত্রী মৃদুলা আমাতুন নুর এভারেস্ট অভিযান করেন। শেরপা বাদে তার দলে ছিলেন পাঁচজন। কিন্তু বেজ ক্যাম্পে ছাড়ার এক দিন পরই দলটি তুষারঝড়ের কবলে পড়ে একজন শেরপা আহত হন। অভিযানের মাঝপথে শেষমেশ মানবিকতাকে বেছে নিয়ে আহত সহযোগী শেরপাকে সহযোগিতা করতে এভারেস্টের ২২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা থেকে নেমে আসেন মৃদুলা।
গত ৯ বছরে বাংলাদেশ থেকে আর কোনো নারী এভারেস্ট অভিযানে যেতে পারেননি। সে প্রেক্ষাপটে নিম্মির এবারের এভারেস্ট যাত্রা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তিনি মনে করেন, সামাজিক ও প্রাকৃতিক নানা সীমাবদ্ধতার কারণে নারীদের জন্য এই পথ আরও কঠিন। তবে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলে নারীরাও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়াতে যাচ্ছেন এক সাহসী নারী— নুরুন্নাহার নিম্মি। এখন পুরো দেশে তাকিয়ে তার এভারেস্ট অভিযানের দিকে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে নিম্মি বলেন, ‘আমি যেন সফলভাবে ফিরে এসে আপনাদের এভারেস্ট জয়ের গল্প শোনাতে পারি।’

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওয়ানা দিতে যাচ্ছেন নুরুন্নাহার নিম্মি। দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠোর অনুশীলন ও একাধিক সফল হিমালয় অভিযানের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই নারী পর্বতারোহী এবার নামছেন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে— এভারেস্ট ও বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ পর্বত লোৎসে জয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশে বিমানযোগে রওয়ানা দেবেন নুরুন্নাহার নিম্মি। প্রয়োজনীয় উচ্চতাজনিত পর্বতারোহণ সরঞ্জাম সংগ্রহ শেষে দুই দিন পর রওয়ানা দিয়ে মাউন্ট এভারেস্টের প্রধান প্রবেশদ্বার লুকলায় পৌঁছাবেন তিনি, যেখান থেকে শুরু হবে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পের পথে ট্রেকিং।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সফল এই নারী পর্বতারোহী তার এবারের অভিযানের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নাহার নিম্মি বলেন, ‘লুকলা থেকে ধাপে ধাপে উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আমি বেজ ক্যাম্পে পৌঁছাব। সেখানে কয়েক দিন বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের পর শুরু হবে রোটেশন। অর্থাৎ আরও বেশি উচ্চতায় উঠে আবার বেজ ক্যাম্পে ফিরে আসব। এভাবে সাত হাজার ২০০ মিটার পর্যন্ত গিয়ে শরীরকে প্রস্তুত করব। এরপর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শুরু হবে ফাইনাল পুশ।’
সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নাহার নিম্মির বক্তব্য দেখুন এখানে—
https://www.facebook.com/share/r/1Cw5Cn5N2m/

নিম্মি জানান, তার এবারের অভিযান কেবল এভারেস্টেই সীমাবদ্ধ নয়, একই অভিযানে বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ লোৎসে জয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। সাউথ কোল থেকে এভারেস্ট সামিট শেষে আবার সেখান থেকেই লোৎসের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। সবকিছু অনুকূলে থাকলে পুরো অভিযান শেষ হতে প্রায় দুই মাস সময় লাগবে।
কঠোর প্রস্তুতির পথচলা
নুরুন্নাহার নিম্মির পর্বতারোহণের স্বপ্ন একদিনের নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়ার সময় চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে অবস্থিত চন্দ্রনাথ পাহাড়ে ফিল্ডওয়ার্কে গিয়ে পাহাড়ের প্রতি তার ভালোবাসা জন্ম নেয়। পরে বান্দরবান, ভুটান, ভারতের সিকিম ও নেপালের পাহাড়ে ঘোরাঘুরি করতে করতে সে টান আরও তীব্র হয়।

২০২০ সালে এভারেস্ট বেজ ক্যাম্প ট্রেকিং সম্পন্ন করেন নিম্মি। সে অভিজ্ঞতাই তাকে পেশাদার পর্বতারোহণে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। ২০২২ সালে ভারতের দার্জিলিংয়ে অবস্থিত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে মৌলিক প্রশিক্ষণ নেন। এরপর থেকে প্রতিবছরই পর্বতারোহণ মৌসুমে বিভিন্ন উচ্চতার শৃঙ্গে অভিযান চালিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন।
হিমলুং জয়ের পর এবার এভারেস্ট
গত বছর নিম্মি নেপালের হিমলুং হিমাল পর্বতশৃঙ্গ (সাত হাজার ১২৬ মিটার) শৃঙ্গ সফলভাবে সামিট করেন। ৩ নভেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে হিমলুং হিমাল শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে দেশের নারী পর্বতারোহণে নতুন অনুপ্রেরণা তৈরি করেন তিনি।
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৬ হাজার ১৬১ মিটার উচ্চতার নেপালের আইল্যান্ড পিক চূড়ায় পা রাখেন এই পর্বতারোহী। এবার সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় তার লক্ষ্য আট হাজার ৮৪৮ দশমিক ৮৬ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট।
ব্যাংকার থেকে পর্বতারোহী
পেশায় ব্যাংকার নুরুন্নাহার নিম্মি বর্তমানে পূবালী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত। ব্যস্ত কর্মজীবনের পাশাপাশি প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে শুরু হতো তার শারীরিক প্রস্তুতি। ভোরের ওয়ার্কআউট, অফিস শেষে জিমে দীর্ঘ সময় অনুশীলন এবং মানসিক দৃঢ়তার জন্য নিয়মিত মেডিটেশন— সব মিলিয়ে নিজেকে তৈরি করেছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের জন্য।

নিম্মি বলেন, ‘অফিসের আগে ও পরে প্রতিদিন শরীরচর্চা করেছি। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক শক্তিও খুব জরুরি। তাই নিয়মিত মেডিটেশন করেছি।’
পৃষ্ঠপোষকতায় পূবালী ব্যাংক
নিম্মির এই স্বপ্নযাত্রায় সবচেয়ে বড় সহায়তা দিয়েছে তার কর্মস্থল পূবালী ব্যাংক পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি তার পুরো অভিযান স্পন্সর করছে। এর আগে হিমলুং হিমাল অভিযানেরও পৃষ্ঠপোষক ছিল ব্যাংকটি।
নিম্মি বলেন, ‘আমি কয়েক জায়গায় স্পন্সরশিপের জন্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু পূবালী ব্যাংক আমাকে পুরো সহায়তা দিয়েছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এই অভিযান কঠিন হয়ে যেত।’
নারী পর্বতারোহণে নতুন অনুপ্রেরণা
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের দুজন নারী এভারেস্ট জয় করেছেন— নিশাত মজুমদার ও ওয়াসফিয়া নাজরীন। নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। আর ওয়াসফিয়া নাজরীন ২০১২ সালের ২৬ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
এরপর ২০১৭ সালে এপ্রিলে বাংলাদেশি অভিযাত্রী মৃদুলা আমাতুন নুর এভারেস্ট অভিযান করেন। শেরপা বাদে তার দলে ছিলেন পাঁচজন। কিন্তু বেজ ক্যাম্পে ছাড়ার এক দিন পরই দলটি তুষারঝড়ের কবলে পড়ে একজন শেরপা আহত হন। অভিযানের মাঝপথে শেষমেশ মানবিকতাকে বেছে নিয়ে আহত সহযোগী শেরপাকে সহযোগিতা করতে এভারেস্টের ২২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতা থেকে নেমে আসেন মৃদুলা।
গত ৯ বছরে বাংলাদেশ থেকে আর কোনো নারী এভারেস্ট অভিযানে যেতে পারেননি। সে প্রেক্ষাপটে নিম্মির এবারের এভারেস্ট যাত্রা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তিনি মনে করেন, সামাজিক ও প্রাকৃতিক নানা সীমাবদ্ধতার কারণে নারীদের জন্য এই পথ আরও কঠিন। তবে প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলে নারীরাও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়াতে যাচ্ছেন এক সাহসী নারী— নুরুন্নাহার নিম্মি। এখন পুরো দেশে তাকিয়ে তার এভারেস্ট অভিযানের দিকে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে নিম্মি বলেন, ‘আমি যেন সফলভাবে ফিরে এসে আপনাদের এভারেস্ট জয়ের গল্প শোনাতে পারি।’

চৈত্রের শেষভাগ থেকেই দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। আবহওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আজও দেশের চার বিভাগে কালবৈশাখী আঘাত হানতে পারে। এ ঝড়ের গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ মে এ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদে সংরক্ষিত নারী হিসেবে সংসদ সদস্য হবেন মোট ৫০ জন। এর মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট আসন পাবে ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় জোট পাবে ১৩টি আসন। ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর জোটের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে একটি আসন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশে জ্বালানি তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও ফিলিং স্টেশনে শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে চালু হচ্ছে নতুন ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা। সরকার ইতোমধ্যে একটি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার দুটি ফিলিং স্টেশনে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় ১৬ বছর আগে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিতের উদ্দেশ্যে সাত বছরের এক শিশুর অঙ্গহানি করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তিন আসামিকে আমৃত্যু এবং বয়স বিবেচনায় দুজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪।
১৭ ঘণ্টা আগে