
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে জ্বালানি তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও ফিলিং স্টেশনে শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে চালু হচ্ছে নতুন ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা। সরকার ইতোমধ্যে একটি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার দুটি ফিলিং স্টেশনে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থায় যানবাহন মালিকরা অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে ঢাকার আসাদ গেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ও তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অনেক ব্যবহারকারী ইতোমধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তবে অনেকেই এখনও পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছেন না।’
সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে।
ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে
ফুয়েল পাসের ওয়েবসাইটে (fuelpass.gov.bd) প্রবেশ করে চার ধাপে নিবন্ধন করতে হবে। প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে, যা বিআরটিএর ডেটাবেইসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।
এরপর মোবাইলে ওটিপি আসবে। এই কোড দিয়ে অ্যাকাউন্টের বাকি তথ্য পূরণ করলেই নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির নিবন্ধন বই (ব্লু বুক), ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি সচল মোবাইল নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেভাবে
গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ডাউনলোড করে একইভাবে নিবন্ধন করা যাবে। অ্যাপ চালু করলে সাধারণ ব্যবহারকারী ও ফিলিং স্টেশন অপারেটর— দুটি অপশন পাওয়া যাবে।
ব্যবহারকারী হিসেবে লগইন করার পর নিজের গাড়ির তথ্য ও জ্বালানির বরাদ্দ দেখা যাবে। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কতটুকু তেল নেওয়া যাবে, সেটিও অ্যাপে প্রদর্শিত হবে। অ্যাপের একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া আগের লেনদেনের হিসাবও দেখা যাবে ‘হিস্ট্রি’ অপশনে।

দেশে জ্বালানি তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও ফিলিং স্টেশনে শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে চালু হচ্ছে নতুন ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা। সরকার ইতোমধ্যে একটি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার দুটি ফিলিং স্টেশনে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থায় যানবাহন মালিকরা অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি নিতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে ঢাকার আসাদ গেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ও তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অনেক ব্যবহারকারী ইতোমধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তবে অনেকেই এখনও পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছেন না।’
সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে।
ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে
ফুয়েল পাসের ওয়েবসাইটে (fuelpass.gov.bd) প্রবেশ করে চার ধাপে নিবন্ধন করতে হবে। প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে, যা বিআরটিএর ডেটাবেইসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।
এরপর মোবাইলে ওটিপি আসবে। এই কোড দিয়ে অ্যাকাউন্টের বাকি তথ্য পূরণ করলেই নিবন্ধন সম্পন্ন হবে।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির নিবন্ধন বই (ব্লু বুক), ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি সচল মোবাইল নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেভাবে
গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ডাউনলোড করে একইভাবে নিবন্ধন করা যাবে। অ্যাপ চালু করলে সাধারণ ব্যবহারকারী ও ফিলিং স্টেশন অপারেটর— দুটি অপশন পাওয়া যাবে।
ব্যবহারকারী হিসেবে লগইন করার পর নিজের গাড়ির তথ্য ও জ্বালানির বরাদ্দ দেখা যাবে। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক কতটুকু তেল নেওয়া যাবে, সেটিও অ্যাপে প্রদর্শিত হবে। অ্যাপের একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া আগের লেনদেনের হিসাবও দেখা যাবে ‘হিস্ট্রি’ অপশনে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ট্রেনে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ বেড়েছে। কেননা, মানুষের কাছে ট্রেন ভ্রমণ এখনো সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক মাধ্যমগুলোর একটি। তবে যাত্রী চাহিদার তুলনায় রেলের সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পুরোনো রেললাইন ও লোকোমোটিভ দিয়েই বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন চলা
১৪ ঘণ্টা আগে