
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে একটি প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চাচা-ভাতিজা নিহত হয়েছেন। ঈদের তৃতীয় দিন ঘুরতে বেরিয়ে বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেলচালক রাসেল হোসেন (২০) উপজেলার বৃত্তিবারীপোতা গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং মোটরসাইকেল আরোহী জাহিদ হোসেন (২২) একই গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে শার্শা থানার ওসি বলেন, রাসেল ও জাহিদ মোটরসাইকেল যোগে নাভারণ থেকে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে পৌঁছালে বেনাপোল অভিমুখী একটি প্রাইভেট কারের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা দিলে তারা দুজন রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। এ সময় প্রাইভেটকারটির চালক বেনাপোলের দিকে দ্রুতগতিতে চালিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা ও শার্শা থানা পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।

বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে একটি প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চাচা-ভাতিজা নিহত হয়েছেন। ঈদের তৃতীয় দিন ঘুরতে বেরিয়ে বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেলচালক রাসেল হোসেন (২০) উপজেলার বৃত্তিবারীপোতা গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং মোটরসাইকেল আরোহী জাহিদ হোসেন (২২) একই গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে শার্শা থানার ওসি বলেন, রাসেল ও জাহিদ মোটরসাইকেল যোগে নাভারণ থেকে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। শার্শা স্টেডিয়ামের সামনে পৌঁছালে বেনাপোল অভিমুখী একটি প্রাইভেট কারের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা দিলে তারা দুজন রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। এ সময় প্রাইভেটকারটির চালক বেনাপোলের দিকে দ্রুতগতিতে চালিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা ও শার্শা থানা পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।

আওয়ামী লীগের সময় নিয়োগ পাওয়া এই রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের সময় পদে থাকবেন কি না, এ নিয়ে অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে, নানা রকম আলোচনা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশে ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে সময় তাদের দায়িত্ব মূলত প্রশাসনিক ও সীমিত পরিসরের ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
আব্দুল্লাহ জাবের বলেন, শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি সরকার তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই একজন গণহত্যার সহায়তাকারী হিসেবে তার বিচার করা হোক৷ অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে