
বাসস

গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশ মানবিক কার্যক্রম এবং উদ্ধারকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। অভিযান সম্পন্ন করার পর সেনাবাহিনীর উদ্ধারকর্মী, ডাক্তার, নার্স এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশি দল রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিযানে করে মিয়ানমার ত্যাগ করেছে এবং মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) তাদের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,০৮৫ জন।
উদ্ধারকাজ ছাড়াও, মিয়ানমার সরকারের অনুরোধে বাংলাদেশ থেকে ১৫১.৫ টন মানবিক সহায়তা মিয়ানমারে পৌঁছেছে। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, ওষুধ, তাঁবু, পানীয় জল, কম্বল, পোশাক, স্বাস্থ্যবিধি পণ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমার সরকারের কাছে একটি সমবেদনা পত্র পাঠিয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাসঙ্গিক মানবিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করেছে। ৩০ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি ধাপে পাঁচটি বাংলাদেশি বিমান এবং একটি নৌবাহিনীর জাহাজ ১৫১.৫ টন সহায়তা বহন করেছে।
প্রথম ধাপে ৩০ মার্চ দু’টি বাংলাদেশি বিমান ইয়াঙ্গুনে ১৬.৫ টন সহায়তা বহন করে। দ্বিতীয় ধাপে আরও তিনটি বাংলাদেশি বিমান ১৫ টন ত্রাণ এবং ৫৫ সদস্যের একটি উদ্ধার ও চিকিৎসা দল নেপিদোতে নিয়ে যায়।
মানবিক সহায়তার তৃতীয় ধাপটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিযান, যা ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ১২০ মেট্রিক টনেরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাত্রা করে এবং ১১ এপ্রিল ইয়াঙ্গুনে অবতরণ করে।
মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তিনটি পর্যায়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তা হস্তান্তর করেন। মিয়ানমারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস মান্দালয় শহরে মানবিক কার্যক্রমে মিয়ানমারে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও সম্পৃক্ত করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশ মানবিক কার্যক্রম এবং উদ্ধারকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। অভিযান সম্পন্ন করার পর সেনাবাহিনীর উদ্ধারকর্মী, ডাক্তার, নার্স এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশি দল রোববার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিযানে করে মিয়ানমার ত্যাগ করেছে এবং মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) তাদের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,০৮৫ জন।
উদ্ধারকাজ ছাড়াও, মিয়ানমার সরকারের অনুরোধে বাংলাদেশ থেকে ১৫১.৫ টন মানবিক সহায়তা মিয়ানমারে পৌঁছেছে। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, ওষুধ, তাঁবু, পানীয় জল, কম্বল, পোশাক, স্বাস্থ্যবিধি পণ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমার সরকারের কাছে একটি সমবেদনা পত্র পাঠিয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাসঙ্গিক মানবিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করেছে। ৩০ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি ধাপে পাঁচটি বাংলাদেশি বিমান এবং একটি নৌবাহিনীর জাহাজ ১৫১.৫ টন সহায়তা বহন করেছে।
প্রথম ধাপে ৩০ মার্চ দু’টি বাংলাদেশি বিমান ইয়াঙ্গুনে ১৬.৫ টন সহায়তা বহন করে। দ্বিতীয় ধাপে আরও তিনটি বাংলাদেশি বিমান ১৫ টন ত্রাণ এবং ৫৫ সদস্যের একটি উদ্ধার ও চিকিৎসা দল নেপিদোতে নিয়ে যায়।
মানবিক সহায়তার তৃতীয় ধাপটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিযান, যা ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ১২০ মেট্রিক টনেরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাত্রা করে এবং ১১ এপ্রিল ইয়াঙ্গুনে অবতরণ করে।
মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তিনটি পর্যায়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে সহায়তা হস্তান্তর করেন। মিয়ানমারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস মান্দালয় শহরে মানবিক কার্যক্রমে মিয়ানমারে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও সম্পৃক্ত করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের সারের চাহিদার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। টিএসপি সারের চাহিদা সাত লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ডিএপির চাহিদা ১৪ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। এমওপি নয় লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে যারা চাকরিসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়েছেন, তাদের তথ্য সরকার জানতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য আসতে শুরু করেছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে আমরা একটি ‘ক্লু’ পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটা বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের একটা কানেকশন সিডিআর পর্যালোচনায় পাওয়া যায়।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
১৭ ঘণ্টা আগে