
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভালো করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন দেশের ক্রিকেটে পঞ্চ পান্ডবের একজন মুশফিকুর রহিম। এই ফরম্যাট থেকে অবসরের পর ২২ গজে মুশফিকের সংগ্রাম-সফলতা নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন তার সতীর্থরা। এবার মুশফিকের স্ত্রীও তুলে ধরলেন সংগ্রামের গল্প।
ক্রিকেট নিয়ে জীবনসঙ্গী মুশফিকের একাগ্রতা, সংগ্রাম সাফল্য খুব কাছ থেকে দেখেছেন স্ত্রী জান্নাতুল কেফায়েত মন্ডি। তাইতো ওয়ানডে থেকে অবসরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেটে স্বামীর সংগ্রাম নিয়ে লেখেন তিনি।
ফেসবুকে মুশফিকের স্ত্রী লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমরা তোমাকে ওয়ানডে থেকে সাফল্যের সঙ্গে অবসরের জন্য অভিনন্দন জানাই, প্রিয়!! আলহামদুলিল্লাহ, তোমার একটি অসাধারণ ওয়ানডে ক্যারিয়ার ছিল। আমি দেখেছি তুমি নিজে সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে গেছ, ভাঙ্গা পাঁজর নিয়ে খেলেছ এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে একসঙ্গে ২০টি পেইনকিলার খেয়েছিলে!! আমি জানি তুমি কখনো নিজের জন্য খেলোনি বরং দেশপ্রেম থেকে দলের জন্য খেলেছ!’
তিনি আরো লিখেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার পাশে এমন একটি সৎ মানুষ আছে, যে কখনো ওযু ছাড়া তার ব্যাট ও বল স্পর্শ করেনি, আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ। তোমাকে আমাদের পরিবারের একটি পরিবারের সবাই অত্যন্ত পছন্দ করে। আমি আশা করি আমাদের ছেলে শাহরোজ তোমার সমস্ত ভালো গুণগুলো গ্রহণ করবে এবং তোমাকে সারাজীবনের জন্য আদর্শ বানাবে।’
সবশেষ মুশফিককে সান্ত্বনা দিয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি জানি এটা কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। ইনশাআল্লাহ, সামনে তোমার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে! আমাদের পরিবার তোমার প্রতি পুরোপুরি সন্তুষ্ট। আমাদের জন্য তুমি যা করেছ সেটা নিয়ে আমরা খুবই খুশি। পৃথিবীকে নেতিবাচকতা নিয়ে কথা বলতে দিন। শেষে আমি পৃথিবীকে বলতে চাই,দয়া করে এমনভাবে সমালোচনা করবেন না যেন আপনার কথায় কেউ জায়নামাজে কাঁদে। আমরাও মানুষ।’

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভালো করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন দেশের ক্রিকেটে পঞ্চ পান্ডবের একজন মুশফিকুর রহিম। এই ফরম্যাট থেকে অবসরের পর ২২ গজে মুশফিকের সংগ্রাম-সফলতা নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন তার সতীর্থরা। এবার মুশফিকের স্ত্রীও তুলে ধরলেন সংগ্রামের গল্প।
ক্রিকেট নিয়ে জীবনসঙ্গী মুশফিকের একাগ্রতা, সংগ্রাম সাফল্য খুব কাছ থেকে দেখেছেন স্ত্রী জান্নাতুল কেফায়েত মন্ডি। তাইতো ওয়ানডে থেকে অবসরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেটে স্বামীর সংগ্রাম নিয়ে লেখেন তিনি।
ফেসবুকে মুশফিকের স্ত্রী লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমরা তোমাকে ওয়ানডে থেকে সাফল্যের সঙ্গে অবসরের জন্য অভিনন্দন জানাই, প্রিয়!! আলহামদুলিল্লাহ, তোমার একটি অসাধারণ ওয়ানডে ক্যারিয়ার ছিল। আমি দেখেছি তুমি নিজে সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে গেছ, ভাঙ্গা পাঁজর নিয়ে খেলেছ এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে একসঙ্গে ২০টি পেইনকিলার খেয়েছিলে!! আমি জানি তুমি কখনো নিজের জন্য খেলোনি বরং দেশপ্রেম থেকে দলের জন্য খেলেছ!’
তিনি আরো লিখেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার পাশে এমন একটি সৎ মানুষ আছে, যে কখনো ওযু ছাড়া তার ব্যাট ও বল স্পর্শ করেনি, আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ। তোমাকে আমাদের পরিবারের একটি পরিবারের সবাই অত্যন্ত পছন্দ করে। আমি আশা করি আমাদের ছেলে শাহরোজ তোমার সমস্ত ভালো গুণগুলো গ্রহণ করবে এবং তোমাকে সারাজীবনের জন্য আদর্শ বানাবে।’
সবশেষ মুশফিককে সান্ত্বনা দিয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি জানি এটা কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। ইনশাআল্লাহ, সামনে তোমার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছে! আমাদের পরিবার তোমার প্রতি পুরোপুরি সন্তুষ্ট। আমাদের জন্য তুমি যা করেছ সেটা নিয়ে আমরা খুবই খুশি। পৃথিবীকে নেতিবাচকতা নিয়ে কথা বলতে দিন। শেষে আমি পৃথিবীকে বলতে চাই,দয়া করে এমনভাবে সমালোচনা করবেন না যেন আপনার কথায় কেউ জায়নামাজে কাঁদে। আমরাও মানুষ।’

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
১১ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে