টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে আসছেন কে?

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের ডিসেম্বরে। ফলে নতুন অধিনায়ক খুঁজছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে এসেছে ওপেনার লিটন দাসের নাম।

তিন ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের শুরুতেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত।

টেস্ট ও ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব চালিয়ে যেতে রাজি শান্ত। তবে টি-টোয়েন্টির জন্য দীর্ঘমেয়াদে একজন অধিনায়ক খুঁজছে বিসিবি। এ বিষয়ে আজ (শনিবার) মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেব। ইতিমধ্যে দু-একজন টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দিয়েছে, যারা এখনও দলে রয়েছে। তাদের মধ্য থেকেই কাউকে অধিনায়কত্ব দেওয়ার চেষ্টা করব।’

বিসিবি সভাপতির বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, লিটন দাসই হতে পারেন নতুন অধিনায়ক। সাকিব আল হাসান দায়িত্ব ছাড়ার পর টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে এসেছিলেন শান্ত। তবে তার অনুপস্থিতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলকে দারুণভাবে সামলেছেন লিটন। তার নেতৃত্বগুণের প্রশংসাও হয়েছিল। ফলে বিসিবির নতুন পরিকল্পনায় তার নামই সবার আগে আসছে।

বিসিবি সভাপতির কাছে প্রশ্ন ছিল দলকে নতুন করে সাজানো নিয়ে। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ওয়ানডে দিয়ে বিদায় বলেছেন রঙিন পোশাকের ক্রিকেটকে। আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহর অবসর প্রসঙ্গও ঘুরেফিরে আসছে। নতুন করে কি এখন সাজানো হবে দল? ফারুক বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে, ভালো কিছু করার। ক্রিকেটারদের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হবে, যা অনুসারে তারা কাজ করবে। আমি যখন ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে নির্বাচক ছিলাম, তামিম–সাকিব–মুশফিক ওরা লাইমলাইটে এসেছিল। বোর্ড থেকে একটা পলিসি দেওয়া হবে। আমরা বলে দেব কী চাই। ক্রিকেট অপারেশন্সের সঙ্গে আলাপ করে চিন্তা করব আমাদের ক্রিকেটটাকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

‘ইকোস অব আর্থ’ পুরস্কার পেলেন ৬ ফটোসাংবাদিক

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

৬ ঘণ্টা আগে

যমুনা এলাকায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়নি: ডিএমপি

যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

৬ ঘণ্টা আগে

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

১২ ঘণ্টা আগে

সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামানে ছত্রভঙ্গ সরকারি কর্মচারীরা, বিজিবি মোতায়েন

১৩ ঘণ্টা আগে